চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ই-কমার্স প্রসারে কাজ করবে কোকাকোলা ও ইভ্যালি

দেশের বাজারে ই-কমার্সের প্রচার ও প্রসারে একসাথে কাজ করবে দেশিয় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি ও কোকাকোলা ইন্টারন্যাশনাল বেভারেজ প্রাইভেট লিমিটেড।

প্রতিষ্ঠান দুইটির মধ্যে এক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এমন অঙ্গীকার ব্যক্ত করে ইভ্যালি ও কোকাকোলা।

বিজ্ঞাপন

বুধবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে ইভ্যালির প্রধান কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠান দুইটির মধ্যে এক সমঝোতা চুক্তি সাক্ষর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন এবং কোকাকোলা ইন্টারন্যাশনাল বেভারেজ প্রাইভেট লিমিটেড বাংলাদেশ অংশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাপস কুমার মণ্ডল চুক্তিপত্রে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সাক্ষর করেন।

বিজ্ঞাপন

এসময় অন্যান্যদের মাঝে ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ রাসেল, পরিচালক (আইটি) মামুনুর রশিদ এবং কোকাকোলা ইন্টারন্যাশনাল বেভারেজ লিমিটেডের পরিচালক (বিজনেস ডেভেলপমেন্ট) আসরার আলম এবং পাবলিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের প্রধান নূরে আলমসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তার উপস্থিত ছিলেন।

এই চুক্তির আলোকে ইভ্যালিতে কোকাকোলা ইন্টারন্যাশনাল বেভারেজ প্রাইভেট লিমিটেড উৎপাদিত বিভিন্ন কোমল পানিয় যেমন কোকাকোলা, স্প্রাইট, ফান্টা, থামস আপ কারেন্ট এবং কিনলে মিনারেল ওয়াটার পাওয়া যাবে। এর ফলে অনলাইন মার্কেটপ্লেস ইভ্যালি থেকেই এসব পণ্য অর্ডার করে ঘরেই ডেলিভারি সেবা পাবেন প্রতিষ্ঠানটির নিবন্ধিত প্রায় ৪০ লাখ গ্রাহক। একই সাথে ইকমার্সের মাধ্যমে বাজার ও ভোক্তা শ্রেণী সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশিয় অর্থনীতির উন্নয়নেও যৌথভাবে কাজ করবে ইভ্যালি ও কোকাকোলা ইন্টারন্যাশনাল বেভারেজ প্রাইভেট লিমিটেড ।

এ বিষয়ে ইভ্যালির প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ রাসেল বলেন, ডিজিটাল এই যুগে ইকমার্সের মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রাকে আরও সহজতর করার লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। বাংলাদেশের মতো বাজারে ইকমার্সের সম্প্রসারণের মধ্যে দিয়ে দেশিয় অর্থনীতির উন্নয়নে আমরা অবদান রাখতে চাই। আর সেই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে আমরা পাশে পেয়েছি কোকাকোলার মতো শক্তিশালী পার্টনারদের। এর জন্য আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।

অন্যদিকে কোকাকোলা ইন্টারন্যাশনাল বেভারেজ প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাপস কুমার মন্ডল বলেন, করোনা মহামারীর সময় থেকে গ্রাহকদের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছাতে ইকমার্স গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ভবিষ্যতেও গ্রাহকদের ভোগ্য পণ্য পৌঁছে দিতে এবং অর্থনীতির ঢাকা গতিশীল রাখতে ইকমার্স গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।