চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ইসিকে যে প্রস্তাব দিল খেলাফত আন্দোলন ও মুসলিম লীগ

Nagod
Bkash July

জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন না রাখার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন। আর জাতীয় নির্বাচনে ৫০ শতাংশের কম ভোট পড়লে আবারও নির্বাচনের আয়োজনসহ ২৪ দফা প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ মুসলিম লীগ।

Reneta June

সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে আলাদা সংলাপে অংশ নিয়ে ইসলামী এ দল দুটির পক্ষ থেকে এসব প্রস্তাব দেওয়া হয়।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে সকাল ১১টা থেকে মুসলীম লীগের সঙ্গে এবং বিকেল তিনটা থেকে খেলাফত আন্দোলনের সঙ্গে সংলাপে বসে কমিশন।

মুসলিম লীগের মহসচিব কাজী আবুল খায়েরের নেতৃত্বে দলটির ১৮ জন প্রতিনিধি এবং খেলাফত আন্দোলনের চেয়ারম্যান হাফেজ মাওলানা শাহ আতাউল্লাহ’র নেতৃতে দলটির ১৫ জন প্রতিনিধি অংশ নেয়।

সংলাপে মুসলিম লীগের দেওয়া ২৪টি প্রস্তাবের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, নিবন্ধিত প্রত্যেকটি দলের একজন প্রতিনিধি নিয়ে নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন, ইভিএম ব্যবহার না করা, প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসানো, না ভোটের ব্যবস্থা না রাখা, জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন করলেও দলের নিজ নিজ প্রতীকে নির্বাচন করা বাধ্যতামূলক করা, দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের নির্বাচনি দায়িত্ব না দেওয়া এবং রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দায়িত্ব জেলা প্রশাসকের পরিবর্তে অতিরিক্ত জেলা জজকে দেওয়া।

নির্বাচন কমিশনকে নতজানু না হয়ে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়গুলো ইসির অধীন আনার দাবি জানানোর পাশাপাশি মুসলিম লীগের অন্যান্য প্রস্তাবগুলো হচ্ছে, বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে সেনা মোতায়েন, ইভিএম ব্যবহার না করা, নির্বাচন সংক্রান্ত সব আইন বাংলায় করা, প্রার্থীদের জামানত ১০ হাজার টাকার মধ্যে রাখা, নির্বাচনী ব্যয় ১০ লাখ টাকার মধ্যে আনা, সব অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও লাইসেন্সকৃত অস্ত্র জমা নেয়া, প্রবাসীদের ভোটাধিকারের ব্যবস্থা করা

এছাড়া সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ছাড়াও দলটির ভাষায় নাস্তিক, দুর্নীতিবাজ, দেশদ্রোহী, কালো টাকার মালিক, ঋণখেলাপির সঙ্গে জড়িত পরিবার, ইসলামবিদ্বেষীদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার দাবি জানানো হয়।

এ বৈঠকের মধ্য দিয়ে ২০টি দলের সঙ্গে মতবিনিময় করল নির্বাচন কমিশন। গত ৩১ জুলাই সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, ১৬ ও ১৭ আগস্ট গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পর ২৪ আগস্ট থেকে দলগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় শুরু করে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি।

ইতোমধ্যেই সবগুলো দলের সঙ্গে সংলাপের সূচি প্রকাশ করেছে ইসি। এর মধ্যে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে ১৮ অক্টোবর এবং বিএনপির সঙ্গে ১৫ অক্টোবর সংলাপ করবে ইসি।

এছাড়া অন্যান্য দলগুলোর মধ্যে, চলতি মাসের ৪ তারিখ সকালে বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন ও বিকেলে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) , ৫ তারিখ সকালে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বিকেলে জাকের পার্টি, ৮ তারিখ সকালে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) ও বিকেলে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ), ৯ তারিখ জাতীয় পার্টি, ১০ তারিখ সকালে বিকল্পধারা বাংলাদেশ; বিকেলে ইসলামী ঐক্যজোট, ১১ তারিখ সকালে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি; বিকেলে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, ১২ তারিখ সকালে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি ও বিকেলে গণতন্ত্রী পার্টি,  ১৬ তারিখ সকালে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ও বিকেলে বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এমএল), ১৯ অক্টোবর সকালে জাতীয় পার্টি-জেপি; বিকালে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপি।

এরপর ২২ অক্টোবর পর্যবেক্ষক, ২৩ অক্টোবর নারী নেত্রী এবং ২৪ অক্টোবর নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে মত বিনিময় করবে ইসি।

BSH
Bellow Post-Green View