চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ফিরেই ইমরুলের ডাবল সেঞ্চুরি

রংপুর-খুলনার ড্র

নিয়মিত বিরতিতে পড়তে থাকল উইকেট। কঠিন অবস্থায় থেকেও সাবলীল ব্যাটিং করে গেলেন ইমরুল কায়েস। তাতে জাতীয় ক্রিকেট লিগের একুশতম আসরে প্রথম সেঞ্চুরি এলো এ বাঁহাতির ব্যাটে। শেষটায় বোলারদের নিয়ে লড়ে সেই শতককে নিয়ে গেলেন ডাবল সেঞ্চুরিতেও। ২০২ রান করে থাকলেন অপরাজিত। তাতে খুলনা বিভাগ প্রথম ইনিংসে পায় সাড়ে চারশ পেরোনো সংগ্রহ।

খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে রংপুর বিভাগের বোলারদের নাকানিচুবানি খাইয়েছেন ইমরুল। অভিজ্ঞ এ ব্যাটসম্যান বাঁহাতি স্পিনার সোহরাওয়ার্দী শুভকে ছয়ের পর চার মেরে ৩১১ বলে পৌঁছান দ্বিশতকের ম্যাজিক ফিগারে। তার ইনিংসে ছিল ১৯টি চার ও ৬টি ছয়ের মার।

বিজ্ঞাপন

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ইমরুলের এটি দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরি। আগের ইনিংসটি ছিল ২০৪ রানের।

বিজ্ঞাপন

২৯ রানে অপরাজিত থেকে রোববার ম্যাচের চতুর্থ ও শেষদিনে ব্যাটিংয়ে নামেন ইমরুল। তার ডাবল সেঞ্চুরির পরই প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে খুলনা। ততক্ষণে স্বাগতিকদের সংগ্রহ ৯ উইকেট হারিয়ে ৪৫৪ রান।

রংপুরের প্রথম ইনিংস শেষ হয় ২২৭ রানে। খুলনার লিডও সমান রানের হলেও ম্যাচে ফল হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। খেলার বাকি মাত্র একটি সেশন।

সন্তানের অসুস্থতার কারণে প্রায় দেড় মাস ক্রিকেট থেকে দূরে ছিলেন ইমরুল। খেলতে পারেননি আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে। এক বছরের শিশুপুত্র শোয়াইবকে নিয়ে দুদফা যেতে হয়েছিল সিঙ্গাপুর। বিরতি কাটিয়ে মাঠে ফিরতেই ইমরুলে ব্যাটে দেখা মিলল রানের ফোয়ারা। আগামী মাসে ভারত সিরিজের আগে জানিয়ে রাখলেন জাতীয় দলে ফেরার দাবিও!

ইমরুলের জ্বলে ওঠার দিনে ড্র করেছে রংপুর-খুলনা। রংপুর প্রথম ইনিংসে অলআউট হয়েছিল ২২৭ রানে। পরে ৯ উইকেটে ৪৫৪ তুলে ইনিংস ঘোষণা করে। দ্বিতীয় ইনিংসে নেমে ১ উইকেটে রংপুর ৩৩ তোলার পর ম্যাচের ভাগ্যে ড্র লেখা হয়।

Bellow Post-Green View