চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ইকার্দিতে রক্ষা পিএসজির, ঘাম ঝরল জুভেন্টাসের

গ্রুপের শীর্ষে থাকলেও ফরাসি লিগের শেষ ম্যাচে আচমকা হেরে গিয়েছিল পিএসজি। সেই হারের ভয় তাড়া করে ফিরছিল কোচ থমাস টুখেলকে। নেইমার না থাকায় কাইলিয়ান এমবাপের উপরই ছিল গোলের দায়িত্ব। কিন্তু এমবাপে নন, পিএসজিকে রক্ষা করলেন মাউরো ইকার্দি। আর্জেন্টাইন তারকার একমাত্র গোলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বেলজিয়ামের ক্লাব ব্রুগেকে হারিয়েছে ফরাসি জায়ান্টরা।

পিএসজির জয়ের রাতে জয় পেয়েছে জুভেন্টাসও। তবে রোনালদোর গোলহীন ম্যাচে রীতিমতো ঘাম ঝরাতে হয়েছে ইতালিয়ান চ্যাম্পিয়নদের।

বিজ্ঞাপন

ইন্টারে অগোছালো সময় পেরিয়ে পিএসজিতে আসার পর থেকেই ধারাবাহিক পারফর্ম করে যাচ্ছেন ইকার্দি। নয় ম্যাচে আট গোল করে ফেললেন। বুধবার রাতেও গোল পেলেন, তাতে পিএসজিরও শেষ ষোলো নিশ্চিত হয়ে গেল।

বিজ্ঞাপন

পিএসজির জন্য একটা পরীক্ষার অধ্যায় বলা যায় চলতি সপ্তাহটাকে। কারণ, লিগের তলানির দল দিজনের কাছে হারের পরপরই শোনা যায় কোচ টুখেলের সঙ্গে যোগাযোগ করছে বায়ার্ন মিউনিখ। তবে মাঠের পরীক্ষায় উতরে গেছে তারা।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের চলতি আসরে চার ম্যাচের চারটিতেই জয় পেল পিএসজি। তবে ব্রুগের বিপক্ষে দ্বিতীয়ার্ধে দলের পারফরম্যান্স নিয়ে চিন্তা বাড়বে তাদের। এরমধ্যে কেইলর নাভাস পেনাল্টি সেভ না করতে পারলে জেতা হত না পিএসজির।

আগের সাক্ষাতেই ক্লাব ব্রুগেকে ৫-০তে হারিয়েছিল পিএসজি। এদিন এক গোলের বেশি দিতে পারেনি তারা। ম্যাচের একমাত্র গোল হয় ২১ মিনিটে।

২০০৪ সাল থেকে ঘরের মাঠে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে অপরাজিত পিএসজি। এই সময়ে তারা খেলেছে ২৩ ম্যাচ, যার মধ্যে ১৮টিতে জয় ও পাঁচটিতে ড্র। এছাড়া গ্রুপপর্বের সবশেষ ২৪ ম্যাচেই গোল করল পিএসজি। সবশেষ ২০১৫ সালের নভেম্বরে রিয়ালের বিপক্ষে গোল করতে ব্যর্থ হয়েছিল তারা।

জয়ে চার ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে পিএসজি।  সমান ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ ‘এ’র দ্বিতীয়স্থানে রিয়াল। চার ম্যাচে দুই পয়েন্ট পেয়ে তিনে ক্লাব ব্রুগে। আর চার ম্যাচে এক পয়েন্ট অর্জন করে তলানিতে গ্যালাতাসারে।

এদিকে, ড্র করতে করতে লোকোমোটিভ মস্কোর বিপক্ষে শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলে জিতেছে জুভেন্টাস। ৯৩ মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন ডগলাস কস্তা। জয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত হয়ে গেছে জুভদের।

প্রতিপক্ষের মাঠে ম্যাচের তিন মিনিটেই এগিয়ে যায় জুভেন্টাস। দলকে এগিয়ে দেন অ্যারন রামসে। রোনালদোর ফ্রি-কিক প্রতিহত করেন মস্কোর গোলকিপার, সেই বল ফিরতি শটে জালে জড়ান ইংলিশ তারকা।

শুরুতে পাওয়া লিড ১০ মিনিটও ধরে রাখতে পারেনি জুভেন্টাস। ১২ মিনিটে সমতায় ফেরে স্বাগতিকরা। গোল করেন আলেকসেই মিরানচুক।

দল জিতলেও রাতটা রোনালদোর ছিল না। তার একাধিক শট আটকে দেন মস্কোর গোলকিপার। যার মধ্যে দুটি শট ছিল প্রায় নিশ্চিত গোলের! গোল না পাওয়ায় রেকর্ডও গড়া হয়নি সিআর সেভেনের। এদিন গোল পেলে ভিন্ন ভিন্ন ৩৪ ক্লাবের বিপক্ষে গোল করার রেকর্ড হত তার।

ম্যাচের নয় মিনিট বাকি থাকতে রোনালদোকে তুলে নেন কোচ। তাতে অবশ্য কিছুটা ক্ষুব্ধ দেয়ায় রোনালদোকে। তবে বদলি নেমে নায়ক কস্তা। গঞ্জালো হিগুয়েনের সঙ্গে বল দেয়া-নেয়া করে ম্যাচের ৯৩ মিনিটে গোল করে জয় নিশ্চিত করেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড।

জুভেন্টাস জিতলেও গ্রুপ ‘ডি’র অন্য ম্যাচে হেরে গেছে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। বেয়ার লেভারকুসেনের কাছে ১-২ গোলে হারে ডিয়েগো সিমিওনের দল।

চার ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে সবার উপরে জুভেন্টাস। হারলেও চার ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের দ্বিতীয়স্থানে অ্যাটলেটিকো। তিনে থাকা লেভারকুসেনের পয়েন্ট তিন। মস্কোর পয়েন্টও তাদের সমান।

Bellow Post-Green View