চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘ইকরিমিকরি’র আয়োজনে পূর্বাচল শহীদ মিনারে বর্ণ উৎসব

শিশুতোষ প্রকাশনী ইকরিমিকরি কেবল একটি প্রকাশনা নয়, এটিকে ‘শিশুদের এক স্বপ্নরাজ্য’ মনে করা হয়! রাজ্যটির বিস্তার শুরু হয়েছিল বই প্রকাশের মধ্য দিয়ে। ২০১৯ সাল থেকে এ প্রকাশনা সংস্থা মাসিক পত্রিকাও বের করছে। জন্মলগ্ন ২০১৬ থেকেই ইকরিমিকরি বর্ণমালা নিয়ে নানা পরিকল্পনা করছে।

সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এবার মাতৃভাষাকে কেন্দ্র করে পূর্বাচল নতুন শহর জয় বাংলা চত্বরে ইকরিমিকরি নির্মাণ করছে একটি শহীদ মিনার। একুশের প্রথম প্রহরে সর্বসাধারণের জন্য এটি খুলে দেয়া হবে বলে জানিয়েছে তারা। এমএস সিটে তৈরি এই শহীদ মিনার উচ্চতায় ৩১ ফুট ও প্রশস্তে ২১ ফুট।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ইকরিমিকরি টিম মনে করে, প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত প্রিয় বর্ণমালাকে অনেক আদরে যতনে লালন করা শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর অন্যতম উপায়। শহীদ মিনার নির্মাণের পরিকল্পনা বিষয়ে জানতে চাইলে ইকরিমিকরি টিম জানায়, আমরা চাই শিশুরা মাতৃভাষাকে আরো ভালো করে জানুক। হৃদয়ে ধারণ করুক। শিশুদের জন্যই এমন আয়োজন।

বিজ্ঞাপন

শিশুতোষ এই সংস্থা আরও জানায়, প্রতিবছর সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহনে নিয়মিতভাবে বর্ণ উৎসব আয়োজিত হবে। এটি হবে সার্বজনীন। এছাড়াও চলবে সারাবছর ধরে বর্ণমালাকে ঘিরে গবেষণাসহ নানা ধরণের চর্চা ও কার্যক্রম এবং সেসব ফেব্রুয়ারি মাসে তা উপস্থাপন করা হবে। যারা বাংলা ভাষা ও বর্ণমালা নিয়ে কাজ করতে চান, এ উদ্যোগের পাশে থাকতে চান তাদের সকলকে আমন্ত্রণ জানায় ইকরিমিকরি।

২১শে ফেব্রুয়ারিতে ইকরিমিকরির কর্মসূচীর সমূহর মধ্যে ছিল শিশু ও বড়দের অংশগ্রহণে রাস্তাজুড়ে বর্ণ আলপনা। শহীদ মিনার উদ্বোধন করবেন ভাষা সংগ্রামী আহমদ রফিক। ভাষা সংগ্রামী আহমদ রফিকসহ ৫০ বরেণ্য ও তরুণ শিল্পী এঁকেছেন ৫০টি বর্ণছবি। তার উন্মুক্ত প্রদর্শনী আয়োজন করা হয়েছে জয়বাংলা চত্বরে। পরবর্তীতে বর্ণছবির আরো প্রদর্শনী হবে জাদুঘর অথবা শিল্পকলা একাডেমির গ্যালারিতে।

সারাদিন বর্ণছবি আঁকার আয়োজন তরুণ ও শিশু শিল্পীদের। এছাড়াও ছিল বর্ণমালায় হাতেখড়ি, ইকরিমিকরি বইটং উদ্বোধন ( ভ্রাম্যমান বই প্রদর্শন, বইপড়া ও বই বিক্রির গাড়ী) ও শিশুদের জন্য বর্ণমালার খেলা, বর্ণমালা চেনা, বর্ণফুল আঁকা ইত্যাদি আয়োজন।

বিজ্ঞাপন