চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ইউরোপ জায়ান্টদের গোল উৎসবের এক রাত

৮ ম্যাচে ১৬ দল মাঠে নেমেছিল। সবাই মিলে গোল করেছে মোট ৩৫টি। উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপপর্বের লড়াইয়ে মঙ্গলবার রাতে প্রতিপক্ষের জালে এমনই নির্দয় উৎসবে মেতেছিল ইউরোপ জায়ান্টরা।

গোলবন্যার শুরু করে বরুশিয়া মনশেনগ্লাডবাখ, শাখতার দোনেৎস্ককে ৬বার হতাশ করে তারা। ৬ গোল দিয়েছে বায়ার্ন মিউনিখও, সলজবুর্গের জালে। লিভারপুল হাতের পাঁচ আঙুল গুনে আটালান্টার জালে জড়িয়েছে ৫ গোল।

বিজ্ঞাপন

ম্যানচেস্টার সিটি, এফসি পোর্ত, রিয়াল মাদ্রিদ প্রতিপক্ষকে দিয়েছে ৩টি করে গোল। একমাত্র অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদই একটার বেশি গোল দিতে পারেনি। লোকোমোটিভ মস্কোর মাঠে ১-১ গোলে ড্র করেছে। এফসি মিডজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয় তুলেছে আয়াক্স।

শাখতার দোনেৎস্কের জালে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেছেন অ্যালাসেন প্লিয়ে, বরুশিয়া মনশেনগ্লাডবাখের ৬-০ ব্যবধানের জয়ে অন্য গোল তিনটি লার্স স্টিনডেল, রামি বেনসেবানি ও ভ্যালেরি বোন্ডারের নিজেদের জালেই জড়ানো।

সলজবুর্গের মাঠে ৬-২ ব্যবধানের জয়ে বায়ার্ন মিউনিখের আধা ডজন গোলে জোড়া সাফল্য এনেছেন রবের্ত লেভানডোভস্কি। একটি করে গোল এসেছে লুকাস হার্নান্দেজ, লেরয় সানে, জেরোমে বোয়াটেংয়ের থেকে। অন্য গোলটি রাসমাস ক্রিস্টেনসেনের নিজেদের জালেই জড়ানো।

বিজ্ঞাপন

আটালান্টার মাঠে লিভারপুলের ৫-০ গোলের জয়ে হ্যাটট্রিক তুলেছেন ডিয়েগো জোতা। অন্য গোল দুটি ফর্মে থাকা দুই তারকা মোহামেদ সালাহ ও সাদিও মানের। এই গ্রুপের আরেক ম্যাচে মিডজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয়ে আয়াক্সের সাফল্য দুটি অ্যান্টনি ও ডুসান টেডিচের।

ঘরের মাঠে অলিম্পিয়াকোসের বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানের পরিষ্কার জয়ে ম্যানসিটির সাফল্য এসেছে ফের্নান তোরেস, গ্যাব্রিয়েল জেসাস ও জোয়াও ক্যানসেলোর গোলে। এই গ্রুপের আরেক ম্যাচে নিজেদের মাঠে মার্শেইকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে পোর্তো।

ফুটবলপ্রেমীদের কাছে মঙ্গলবার রাতের কাঙ্ক্ষিত ম্যাচ ছিল সম্ভব রিয়াল মাদ্রিদ ও ইন্টার মিলানের লড়াই, যাতে রোমাঞ্চের শেষে ৩-২ ব্যবধানে জিতে নতুন মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথম জয় তুলেছে জিনেদিন জিদানের শিষ্যরা।

ম্যাচের ২৫ মিনিটে করিম বেনজেমার গোলে লিড নেয় রিয়াল। ৩৩ মিনিটে অধিনায়ক সার্জিও রামোস ব্যবধান দ্বিগুণ করে স্বস্তি ধরে রাখেন স্বাগতিক ড্রেসিংরুমে। কিন্তু ৩৫ মিনিটে লৌতারো মার্টিনেজ ও ৬৮ মিনিটে ইভান পেরিসিচ বার্নাব্যুর জাল খুঁজে নিলে ম্যাচ জমে ওঠে।

সেখান থেকে জিদানকে উদ্ধার করেন রদ্রিগো। বদলি নেমে ম্যাচের ৮০ মিনিটে গোল করে হাসি ফোটান তরুণ ফরোয়ার্ড, বলের যোগান দিয়েছিলেন আরেক তরুণ ভিনিসিয়াস জুনিয়র। তাতে তৃতীয় ম্যাচে এসে প্রথম জয় পায় প্রতিযোগিতাটির সর্বোচ্চ ১৩বারের চ্যাম্পিয়নরা।