চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ইংলিশ পেস-তোপের মুখে স্মিথ-রূপকথার গল্প

একদিকে ইংল্যান্ডের পেস-তোপ, অন্যদিকে স্টিভেন স্মিথের প্রতিরোধ। অ্যাশেজে শুরুর দিনটিই দিয়ে গেল সবরকম রোমাঞ্চের ছোঁয়া। স্টুয়ার্ট ব্রড নিয়েছেন ৫ উইকেট, তবে দিনশেষে আলোচনায় স্মিথ দারুণ এক সেঞ্চুরি করে। বল টেম্পারিং নিষেধাজ্ঞার সোয়া একবছর পর সাদা পোশাকে প্রথমবার নেমেই রূপকথার মতো এক ১৪৪ রানের ইনিংসে প্রত্যাবর্তনের গল্প। তাতে সিরিজের প্রথম টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার লড়াইয়ে থাকার মঞ্চ মিলেছে।

বার্মিংহামে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে একের পর এক উইকেট হারানোর মিছিলের পরও অলআউট হতে হতে ২৮৪ রান জমা করেছে অস্টেলিয়া। যার অর্ধেকেরও বেশি এসেছে স্মিথের থেকে। ইংল্যান্ড সেখানে বিনা উইকেটে ১০ রান তুলে প্রথম দিন শেষ করেছে।

অ্যাশেজের প্রথম টেস্ট দিয়ে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শুরু হল। তাতে স্টুয়ার্ট ব্রড ও ক্রিস ওকসের তোপে অজিরা একশর খানিক ওপারে ৮ উইকেট খুইয়ে বসে। টেলের দুই ব্যাটসম্যানকে নিয়ে সেখান থেকে পাল্টা প্রতিরোধে পৌনে তিনশর সংগ্রহ আনেন স্মিথ।

স্মিথ ১৭ রানে ২ উইকেট হারানোর পর উইকেটে গিয়ে শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে সাজঘরে ফিরছেন। ততক্ষণে ১৬ চার ও ২ ছক্কায় ২১৯ বলে ১৪৪ রানের মহাকাব্যিক এক ইনিংস নামের পাশে।

বিজ্ঞাপন

টস জিতে ব্যাটিংয়ে এসে অস্ট্রেলিয়া ডেভিড ওয়ার্নার ২, ক্যামেরন বেনক্রফট ৮, উসমান খাজাকে ১৩ রানে হারিয়ে বিপদে পড়ে। সেখানে স্মিথ প্রথম প্রতিরোধ গড়েন ট্রাভিস হেডকে নিয়ে। দুজনের ৬৩ রানের জুটি। হেড ৩৫ রানে ফেরেন।

এরপর আবারও উইকেট হারানোর মিছিল। ম্যাথু ওয়েড ১, অধিনায়ক টিম পেইন ৫, জেমস প্যাটিনসন ০, প্যাট কামিন্স ৫ রানে ফিরে গেলে অজিদের গুটিয়ে যাওয়া সময়ের ব্যাপার মনে হচ্ছিল!

তখন আবারও দৃশ্যপটে স্মিথ। প্রথমে পিটার সিডলকে (৪৪) নিয়ে নবম উইকেটে ৮৮ রান যোগ করেন, পরে নাথান লায়নকে (১২) নিয়ে ৭৭ রানের শেষের প্রতিরোধে ক্যারিয়ারের ২৪তম শতক ছুঁয়েছেন ডানহাতি এ ব্যাটসম্যান।

ইংল্যান্ডের হয়ে সবচেয়ে সফল ব্রড। অ্যাশেজে একশ উইকেটের মাইলফলক ছোঁয়ার দিনে ৮৬ রানে ৫ উইকেট তার। ৩টি গেছে ক্রিস ওকসের দখলে। একটি করে উইকেট নিয়েছেন বেন স্টোকস ও মঈন আলি।

বিজ্ঞাপন