চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

আশায় বাধি বুক

সারাবিশ্বের মত বাংলাদেশও আজ অচল হয়ে পড়েছে করোনা ভাইরাস আতঙ্কে। সতর্কতায় সাবধানে রয়েছে দেশের প্রতিটি মানুষ। সরকার জনগণকে ঘর থেকে বের হতে নিষেধ করেছে, জনগণও মানছে। ইউরোপ আমেরিকায় যেভাবে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা গিয়েছে, সেটা সত্যিই ভয়ংকর হয়ে উঠছে দিন দিন। ইটালিতে একদিনেই প্রায় ৬০০ জনের মৃত্যু ঘটেছে।

গত আট মার্চ বাংলাদেশে এই ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর আমরা তেমন বিপর্যয়ের মুখোমুখি হইনি। এখানে এখনও মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্য নয়। আজ আইইডিসিআর জানায়: করোনাভাইরাসে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে কেউ আক্রান্ত হননি। এই সময়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন আরও ৪ জন। এ নিয়ে সর্বমোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪৮ জন। এছাড়া দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে কেউ করোনাভাইরাসে মারা যাননি।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

তারা আরও জানান: গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪২ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। সর্বমোট নমুনার সংখ্যা এক হাজার ৬৮। চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ জনের নমুনা সংগ্রহসহ সর্বমোট ৮ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। আশার কথা, আরও ৪ জন সহ মোট ১৫ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। আইসোলেশনে রয়েছেন ৪৭ জন। চিকিৎসাধীনরা সর্বোচ্চ ১৬ দিন হাসপাতালে ছিলেন। তাদের লক্ষণ ও উপসর্গের ভিত্তিতে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। বাড়ি ফেরা ১৫ জনের মধ্যে ৯ জন পুরুষ, ৬ জন মহিলা। তাদের গড় বয়স ২৯ বছর।

বিজ্ঞাপন

তারপরও আমরা সরকারের দেয়া নিয়মনীতি মেনে চলতে চাই। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে যেনো আরও সতর্কভাবে এই ভাইরাস সংক্রমণ রোধ করি।
আমরা এখানে আশার আলো দেখতে পাই। আমাদের মত জনবহুল দেশে এই রোগ সংক্রমণ হলে এতদিনে তা মারাত্মক আকার ধারণ করত। কর্তৃপক্ষ আশ্বাস দিয়েছেন: এখনও আমাদের দেশে সামাজিকভাবে রোগটি সংক্রমিত হয়নি। তবে সীমিত আকারে হয়েছে।

আমরা সরকারকে বিশ্বাস করে এগিয়ে যেতে চাই।দেশের স্থবির অর্থনীতির মধ্যে গতি ফিরে আসুক এটাও চাই। আমরা আশায় বুক বাধি, বাংলাদেশ এই ঘাতক ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে মুক্ত হয়ে আবার কর্মচঞ্চলতায় মুখরিত হোক। আবার এই বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াক বিশ্বের নব অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে।