চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

আল্লামা শফীর লাশ উত্তোলনের প্রয়োজন নেই: পিবিআই

আল্লামা শাহ আহমদ শফীকে হত্যার অভিযোগে করা মামলার তদন্তে তার লাশ কবর থেকে উত্তোলনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

গতকাল মঙ্গলবার হাটহাজারী মাদ্রাসা পরিদর্শন করে মামলটির তদন্তের দায়িত্বে থাকা পিবিআই।

বিজ্ঞাপন

সেখানে পিবিআইয়ের চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. ইকবাল সাংবাদিকদের বলেন, ‘যে আর্জি করা হয়েছে সেখানে লাশ তোলার মতো কিছু নেই। অবহেলাজনিত মৃত্যুতে ৩০৪ ধারায় মামলা। সেখানে দেহে আঘাত থাকার মতো কিছু নাই।’

মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে হাটহাজারী মাদ্রাসার পরিদর্শনে আসেন পিবিআইয়ের তদন্ত টিমসহ সিনিয়র কর্মকর্তারা। তারা সেখানে তিন ঘণ্টা ধরে অবস্থান করেন।

পিবিআইয়ের এসপি মোহাম্মদ ইকবাল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাটহাজারী সার্কেল আবদুল্লাহ-আল-মাসুম, এএসপি (ডিএসবি) মোহাম্মদ নাজমুল, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিদর্শক মো. মনির হোসেন, হাটহাজারী মডেল থানার ওসি রফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

হাটহাজারী মাদ্রাসা এবং ফটিকছড়ির বাবুনগর মাদ্রাসায় গিয়ে অন্তত ২৫ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তারা।

বিজ্ঞাপন

হাটহাজারীতে জুনাইদ বাবুনগরীসহ ১৫ জনের এবং বাবুনগর মাদ্রাসায় আরও ১২ জনের সঙ্গে কথা বলে পিবিআই টিম।

হাটহাজারীতে তদন্তকারী কর্মকর্তারা জুনায়েদ বাবুনগরী সঙ্গে মামলার বিষয়ে কথা বলেন।

সে সময় মাদ্রাসার পক্ষ থেকে পরিচালন কমিটির সদস্য মাওলানামা শেখ আহমদ, মাওলানা ইয়াহিয়া, মাওলানা আশরাফ আলী নিজামপুরী, মাওলানা ওমর মেখলী, বাবুনগরীর খাদেম ইনামুল হাসান ফারুকী, মো. জুনায়েদ ও মাদ্রাসার বিভিন্ন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর শাহ আহমদ শফী মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর তিন মাস পর গত ১৭ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ আদালতে তাকে মানসিক নির্যাতন করে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করার অভিযোগ এনে মামলা করেন আল্লামা আহমদ শফীর শ্যালক মাইনুদ্দিন।

আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের দায়িত্ব দেন। পাশাপাশি এক মাসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়।

এ মামলায় হেফাজত নেতা মাওলানা মামুনুল হক, নাছির উদ্দিন মুনির, আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মীর ইদ্রিস, হাবিব উল্লাহ, আহসান উল্লাহ, জাকারিয়া নোমান ফয়েজীসহ সুনিদিষ্ট নেতাকর্মী ছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও ৮০-৯০ জনকে আসামি করা হয়েছে।