চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

আবাসিক হোটেল থেকে তরুণীর মরদেহ উদ্ধার

কক্সবাজার শহরের কলাতলীর আবাসিক হোটেল সিপার্ল-২ থেকে এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৫টায় হোটেলের ৫ম তলার একটি কক্ষ থেকে তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত তরুণীর নাম ছেনোয়ারা বেগম। তারবাড়ি টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

হোটেল কর্তৃপক্ষ জানায়, বৃহস্পতিবার কেয়ারটেকারের মাধ্যমে ওই কক্ষে উঠেন এক তরুণ ও তরুণী। শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত কোন সাড়া-শব্দ না পেয়ে ওই কেয়ারটেকার বিকল্প চাবি নিয়ে কক্ষটি খুলে ফ্যানের সাথে ওই তরুণীর মরদেহ ঝুলতে থাকে বলে দাবি করে। তবে তার সাথে কক্ষে উঠা তরুণটি আগেই পালিয়ে যায়।

পুলিশ জানিয়েছে, নিহত তরুণীর নাম ছেনোয়ারা বেগম। তার বাড়ি টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নে। মেয়েটির সাথে থাকা ছেলেটির বাড়ি সদরের চৌফলদন্ডী বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। হোটেলের দায়িত্ব থাকা কেয়ারটেকারকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফজতে নেওয়া হয়েছে।

সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মনিরুল গিয়াস চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, ঘটনার আলামত সংগ্রহ করে পুলিশের পৃথক দুটি দল সিআইডি ও পিবিআই। পুলিশের সন্দেহ, যে কোন একসময় ধর্ষণের পর তরুণীকে কক্ষের ভেতর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হতে পারে।

বিজ্ঞাপন

এরপর গলায় চাদর পেঁচিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তে জন্য তরুণীর মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে এলেই বলা যাবে, এটা আত্মহত্যা নাকি ধর্ষণের পর হত্যা।

পথশিশুকে নির্যাতনের অভিযোগে তিন যুবক আটক
কক্সবাজার শহরে নয় বছরের এক পথশিশুকে নির্যাতনের অভিযোগে তিন যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে জনতা।

ছিন্নমূল শিশুদের নিয়ে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন নতুন জীবনের সদস্যদের সহায়তায় তিন ধর্ষককে আটক করা হয়।

শুক্রবার বিকালে ও সন্ধ্যায় শহরের পৃথক স্থান থেকে এ তিন যুবককে আটক করা হয়। আটকরা হলো, মো. আরিফ, মো রাশেদ ও মো. হারেস। এরা তিনজন চিহ্নিত ছিনতাইকারি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নতুন জীবনের সভাপতি ওমর ফারুক হিরু চ্যানেল আই অনলাইনকে জানান, নয় বছরের এক শিশু রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে তিন যুবক জোরপূর্বক নির্যাতনের ঘটনাটি জানায়। এর পর সংগঠনের সদস্যরা স্থানীয় জনতার সহায়তায় এ শিশুকে সাথে নিয়ে তিনজনকে খুঁজে বের করে।

সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মনিরুল গিয়াস চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক তিন জন অপরাধের কথা স্বীকার করেছে। শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের ওসিসি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। আটক তিন জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে।