চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

আবার সর্বোচ্চ শনাক্তের দেশ যুক্তরাষ্ট্র

করোনাভাইরাস

আবারও করোনাভাইরাসে দৈনিক সর্বোচ্চ আক্রান্ত শনাক্তের দেশ হিসেবে তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রে। শেষ ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছে ১ লাখ ৪ হাজার ৭৫৮ জন। পাশাপাশি মৃত্যুও বাড়ছে দেশটিতে।

এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩ কোটি ৬০ লাখ ৪৯ হাজার ১৫ জন। মাত্র চারদিনের ব্যবধানে আবারও দৈনিক আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ছাড়াল।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ওয়ার্ল্ডোমিটারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ৩০ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রে করোনা শনাক্ত হয়েছিল ১ লাখ ১ হাজার ৮৭০ জন। এরপর তিনদিন সংক্রমণ কিছুটা কমলেও সেখানে আবার বাড়ছে আক্রান্ত এবং মৃত্যুর সংখ্যা।

পরিসংখ্যান বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চল এবং পশ্চিমাঞ্চলীয় ১৬টি রাজ্যে রেকর্ড পরিমাণ করোনা রোগী শনাক্ত হচ্ছে। ফ্লোরিডা, অ্যারিজোনা, টেক্সাস, পেনিসিলভিনিয়া, জর্জিয়া, ইলিনয়, নিউইয়র্ক এবং ক্যালিফোর্নিয়াতে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি করোনা রোগী পাওয়া যাচ্ছে।

গত সাতদিনের পরিসংখ্যানে তথ্য মতে, ২৯ জুলাই যেখানে দৈনিক মৃত্যু ছিল ৪১৩ সেখানে মৃত্যু কমে ২১৩ জনে নামলেও বুধবার সকাল পর্যন্ত দেশটিতে এক লাফে মৃত্যু পাঁচ শতাধিক।

বিজ্ঞাপন

এর  আগে যুক্তরাষ্ট্রে করোনা পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন দেশটির শীর্ষ সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ড. অ্যান্থনি ফাউসি। বিশেষ করে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছিলেন তিনি।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় যারা এখনও টিকা নেয়নি, তারাও টিকা নেওয়ার কথা ভাবছে। যদিও লাখ লাখ মানুষ বলছেন, স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা যতই পীড়াপীড়ি করুক, তাদের টিকা নেওয়ার আদৌ কোনও ইচ্ছা নেই।

কিছু গবেষক আরও বড় ধরনের সংক্রমণের পূর্বাভাস দিচ্ছেন। আগস্টের শেষ দিকে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা। সেক্ষেত্রে দৈনিক এক লাখ ৪০ হাজার থেকে তিন লক্ষাধিক মানুষ এই ভ্যারিয়েন্টে সংক্রমিত হতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিজ্ঞানীরা এখন বলছেন, যারা ইতোমধ্যেই টিকা নিয়েছে, তাদের মাধ্যমেও এই ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পরতে পারে।

মার্কিন সরকারের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র সিডিসি গত সপ্তাহে একটি নতুন নির্দেশনা জারি করে। তাতে বলা হয়, দেশের কোনও কোনও অংশে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার ফলে ওইসব এলাকায় যারা এরইমধ্যে টিকা নিয়েছেন, তাদেরও মাস্ক পরতে হবে।