চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ
Partex Group

আফসানার পরিবারে এখন শুধুই কান্না

বিজ্ঞাপন

মেধাবী ছাত্রী আফসানা হত্যার বিচার দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে ঠাকুরগাঁও। খুনীদের গ্রেফতারের দাবিতে রাস্তায় নেমেছে ঠাকুরগাঁওয়ের সর্বস্তরের মানুষ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট প্রত্যাখ্যান করেছে আফসানার পরিবার।

আফসানার পরিবারে এখন শুধুই কান্না। প্রিয় সন্তানের ছবি বুকে নিয়ে সদর উপজেলার কানিকশালগাঁও গ্রামে আফসানার বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। ঠাকুরগাঁওয়ের মেধাবী ছাত্রী আফসানা ফেরদৌসি ছিলো রাজধানী ঢাকার মিরপুর সাইক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী।

pap-punno

গত ১২ আগস্ট মিরপুরের সেনপাড়ার আল-হেলাল হাসপাতালে আফসানার মরদেহ ফেলে পালিয়ে যায় ৩ যুবক। পরে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে বলা হয় আত্মহত্যা করেছে আফসানা। কিন্তু ময়না তদন্তের রিপোর্ট মেনে নিতে পাচ্ছে না আফসানার পরিবার। তাদের অভিযোগ, রবিন নামে এক ছাত্রলীগ নেতার সাথে সর্ম্পকের জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ড।

আফসানার মা বলেন, আত্মহত্যা করার মত আমার মেয়ে আফসানা ছিল না। সরকার দলীয় রবিন টাকা দিয়ে আমার মেয়ের নামে মিথ্যে ময়নাতদন্ত রিপোর্ট তৈরি করেছে। সরকারের কাছে আমি এমন একটি বিচার দাবি করছি যে বিচার মানুষ দেখবে এবং এ ধরনের ঘটনা যেন আর না ঘটে।

Bkash May Banner

ময়নাতদন্তের রিপোর্ট প্রকাশের পর আফসানার খুনিদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠে ঠাকুরগাঁও। মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের মানুষ।

ঠাকুরগাঁও জাতীয় মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুচিত্রা দেব বলেন, আমরা তনুর হ্ত্যার প্রথম ময়নাতদন্তে দেখেছি সে ধর্ষণ হয়নি। কিন্তু পরবর্তী তদন্তে দেখা গেল সে ধর্ষিত হয়েছে। তেমনি আফসানা ময়নাতদন্তে দেখছি। পুলিশ ময়নাতদন্তের আগেই বলে দিয়েছে আফসানা আত্মহত্যা করেছে। এবং ময়নাতদন্তে তাই দেখা গেল। তাহলে পুলিশ ময়নাতদন্তের আগেই কিভাবে জানলো।

সরকারদলীয় ছত্রছায়ায় থেকে যারা হত্যাকাণ্ডকে অন্যদিকে নিয়ে যাচ্ছে তাই আমরা শংকা থেকে বলছি, আফসানার হত্যাকাণ্ডে সুষ্ঠু বিচার এবং সুষ্ঠু তদন্ত থেকে বঞ্চিত হতে পারেন তার পরিবার।

উচ্চ শিক্ষার জন্য মেয়েকে ঢাকায় পাঠিয়েছিলেন স্বামী হারা সৈয়দা ইয়াসমিন। প্রিয় সন্তান ঘরে ফিরেছে লাশ হয়ে। আফসানাকে দাফন করা হয়েছে তারই প্রিয় গ্রামে। সন্তান হত্যার বিচার দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছে আফসানার পরিবার।

বিজ্ঞাপন

Bellow Post-Green View