চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

আপন জুয়েলার্সের তথ্য ভিত্তিহীন: শুল্ক গোয়েন্দা

সাড়ে ১৩ মণ স্বর্ণ ও ৪২৭ গ্রাম হীরা বিষয়ে আপন জুয়েলার্সের দেওয়া তথ্যের কোন ভিত্তি নেই বলে জানিয়েছেন শুল্ক গোয়েন্দা তদন্ত অধিদপ্তরের যুগ্ম পরিচালক মোহাম্মদ সফিউর রহমান।

মঙ্গলবার বিকালে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তরের কনফারেন্স রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

সফিউর রহমান বলেন, আপন জুয়েলার্সের আটককৃত সাড়ে ১৩ মণ স্বর্নের মধ্যে প্রায় ১২৫ কেজি স্বর্ণের ব্যাপারে তথ্য দলিলাদি দাখিল করেছেন। ওই তথ্য ও দলিলাদি পর্যালোচনা করে দেখা গেছে তা সংযুক্তিপূর্ণ নয়। এসব স্বর্ণ তারা ব্যাগেজ রুলে আনা বিভিন্ন ক্রেতাদের কাছ থেকে ক্রয় করেছেন।

যুগ্ম পরিচালক বলেন: আপন জুয়েলার্স যেসকল ব্যক্তিদের কাছ থেকে স্বর্ণের বার কিনেছিলেন তার কোন তথ্য দিতে পারেননি। সোনা কেনার কাগজপত্র এবং পারচেজ রেজিস্টারের সঙ্গেও গরমিল রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন: আপন জুয়েলার্স সময়ের আবেদন করেছেন। কিন্তু আমরা ১৪ মে তাদের স্বর্ণ আটক করেছিলাম। আটক আইনে আটককৃত পণ্যের ব্যাপারে দুই মাসের মধ্যে নিস্পত্তি করতে হয়। যেহেতু আপন জুয়েলার্স দুই থেকে তিন বার সময় নিয়ে কোন যুক্তিযুক্ত কোন ব্যাখা দিতে পারেননি অথবা ওই স্বর্ণের ব্যাপারে কোন বৈধ কাগজ পত্র দেখাতে পারেননি। সেহেতু তাদেরকে আর সময় দেওয়া যুক্তিযুক্ত হবেনা। তবুও বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে।

এর আগে আপন জুয়েলার্সের পাঁচটি বিক্রয়কেন্দ্র থেকে জব্দ করা সাড়ে ১৩ মণ স্বর্ণ ও ৪২৭ গ্রাম হীরার ব্যাখ্যা দিতে বেলা পৌনে ১২ টার দিকে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তরে আসেন প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম মালিক দিলদার আহমেদ সেলিম। এ সময়ে তার সঙ্গে আসেন তার দুই ভাই গুলজার আহমেদ ও আজাদ আহমেদ ও তিন আইনজীবী।

স্বর্ণের ব্যাখ্যা দিতে এর আগেও দিলদার আহমেদকে তিন দফা তলব করেছিল শুল্ক গোয়েন্দা কার্যালয়।

বনানীর হোটেল রেইনট্রিতে দুই তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত সাফাত আহমেদের বাবা আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদ। ওই ঘটনার পর কাস্টমস কর্তৃপক্ষ আপন জুয়েলার্সের পাঁচটি শাখায় অভিযান চালায়।

ছবি: তানভীর আশিক

Bellow Post-Green View