চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

আতশবাজি পোড়াতে নিষেধ করে সমালোচনার মুখে কোহলি

এবারের দীপাবলিতে বিতর্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে আতশবাজি। পরিবেশ রক্ষায় আতশবাজি না পোড়াতে বিজ্ঞাপন নির্মাণ করেছিল এক গহনা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান, সমালোচনার মুখে সেই বিজ্ঞাপন সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে তারা। একই বার্তা দিয়ে সমালোচনার মুখে এবার ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ১৮ সেকেন্ডের ভিডিওতে কোহলি দীপাবলি তথা, দিওয়ালির শুভেচ্ছা জানান ভক্তদের। ভিডিওতে তার বার্তা ছিল, ‘ঈশ্বর আপনাকে ও আপনার পরিবারকে দিওয়ালির সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি দিক। এই দিওয়ালিতে আতশবাজি পোড়াবেন না, পরিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করুন এবং আপনার ভালোবাসার মানুষের সাথে পবিত্র উপলক্ষটি উদযাপন করুন।’

বিজ্ঞাপন

কোহলি ভিডিও পোস্ট করার পরপরই সেটি ট্রেন্ডে পরিণত হয়। ভারত অধিনায়কের বার্তা নিয়ে তৈরি হয় মিশ্র প্রতিক্রিয়া। শুরু হয় কোহলি এবং তার স্ত্রী বলিউড অভিনেত্রী আনুশকা শর্মাকে ঘিরে সমালোচনা।

কোহলি আতশবাজি পোড়ানো থেকে বিরত থাকতে এই প্রথমবার আহ্বান জানালেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা নতুন নয়। জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের বিষয় মাথায় রেখে ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্যে আতশবাজি পোড়ানোর উপর নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। কিছু কিছু রাজ্যে শর্তসাপেক্ষে আতশবাজি পোড়ানোর অনুমতি দেয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

সমালোচনাকারীদের মাথাতেই ছিল না বিষয়টি। একেকজন একেকভাবে সমালোচনা করেছেন। কয়েকজন প্রশ্ন তুলেছেন কিছুদিন আগে কোহলির জন্মদিন উপলক্ষে যখন আতশবাজি পোড়ানো হয়, সেসময় তিনি কেন প্রতিবাদ করেননি?

একজন টুইটে কোহলিকে জ্ঞান দেয়া থেকে বিরত থাকতে বলে লিখেছেন, ‘আমার উৎসব তোমার সামাজিক সচেতনতা তৈরির উপলক্ষ নয়।’

আরেকজন লিখেছেন, ‘এই ব্যক্তি কয়েকদিন আগেই আতশবাজিতে ভরপুর আইপিএল ফাইনাল খেলেছেন। তিনি আমাদের উপদেশ দিচ্ছেন কীভাবে উদযাপন করতে হয়, বিসিসিআই বা আইপিএল’র আয়োজকদের কি তিনি একই উপদেশ দিয়েছিলেন?’

কোহলির পক্ষেও কথা বলেছেন অনেকে। সমর্থন জানিয়ে একজন লিখেছেন, ‘দিওয়ালি কখনই আতশবাজির উৎসব ছিল না, এটি ছিল আলোর উৎসব। তিনি ভুল কিছু বলেননি।’

সমর্থনে আরেকজন লিখেছেন, ‘অধিকাংশ সেলেব্রিটি যখন কিছু অন্ধ ভক্তের ভয়ে কোনো মন্তব্য করেন না, তখন নির্ভীক বিরাট মেসেজ পোস্ট করে প্রমাণ করলেন যে তিনিই রাজা।’