চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

আজও ৭৭ জনের মৃত্যু

শনাক্তের হার কমছে

দেশে কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের ৪১৭তম দিনে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ৭৭ জনের মৃত্যুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৩০৫ জনে।

করোনায় চলতি মাসের ১৯ তারিখ সর্বোচ্চ ১১২ জনের মৃত্যু হয়। গতকাল ৭৮ জনের মৃত্যুর খবর জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডা. নাসিমা সুলতানার সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় (অ্যান্টিজেন টেস্টসহ) ২৮ হাজার ২০৬টি নমুনা পরীক্ষায় দুই হাজার ৯৫৫ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। এই সময়ে পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১০ দশমিক ৪৮ শতাংশ।

তবে শুরু থেকে মোট পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৯১ শতাংশ।

সরকারী ব্যবস্থাপনায় এখন পর্যন্ত ৪০ লাখ আট হাজার ১২৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে, বেসরকারী ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ১৪ লাখ ১৫ হাজার ৬০৭টি নমুনা। অর্থাৎ, মোট পরীক্ষা করা হয়েছে ৫৪ লাখ ২৩ হাজার ৭৩০ নমুনা।

বিজ্ঞাপন

এর মধ্যে শনাক্ত হয়েছেন সাত লাখ ৫৪ হাজার ৬১৪ জন। তাদের মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় পাঁচ হাজার ৩৯২ জনসহ মোট ছয় লাখ ৭২ হাজার ৩১৯ জন সুস্থ হয়েছেন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৯ দশমিক ০৯ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় যে ৭৭ জন মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের মধ্যে ৪৩ জন পুরুষ ও ৩৪ জন নারী। তাদের মধ্যে ৭৬ জনের হাসপাতালে (সরকারীতে ৪৯ জন, বেসরকারীতে ২৭ জন) মৃত্যু হয়েছে ও বাড়িতে এক জনের মৃত্যু হয়েছে। তারাসহ মৃতের মোট সংখ্যা ১১ হাজার ৩০৫। মোট শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৫০ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত আট হাজার ২৬৯ জন পুরুষ মারা গেছেন যা মোট মৃত্যুর ৭৬ দশমিক ১৪ শতাংশ এবং তিন হাজার ৩৬ জন নারী মৃত্যুবরণ করেছেন যা মোট মৃত্যুর ২৬ দশমিক ৮৬ শতাংশ।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ৭৭ জনের মধ্যে একুশ থেকে ত্রিশ বয়সী দুই জন, ত্রিশোর্ধ্ব আট জন, চল্লিশোর্ধ্ব তিন জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ১২ জন এবং ষাটোর্ধ্ব ৫২ জন রয়েছেন। আর বিভাগওয়ারী হিসাবে ঢাকা বিভাগে ৪৬ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে নয় জন, রাজশাহী বিভাগে পাঁচ জন, খুলনা বিভাগে সাত জন, বরিশাল বিভাগে পাঁচ জন, সিলেট বিভাগে দুই জন, রংপুর বিভাগে এক জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে দুই জন।

চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২১৫টি দেশ ও অঞ্চলে এখন পর্যন্ত ১৪ কোটি ৯৪ লাখেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ৩১ লাখ ৫১ হাজারের বেশি মানুষ। তবে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ১২ কোটি ৭১ লাখের বেশি।