চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

আজও সর্বোচ্চ শনাক্ত, মৃত্যু ৫০

দেশে কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের ৩৯১তম দিনে গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। ৫০ জনের মৃত্যুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে নয় হাজার ১৫৫ জন।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে ছয় হাজার ৮৩০ জন। যা এক দিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত। এর আগে, এক দিনে দেশে সর্বোচ্চ আক্রান্ত হয়েছিল গতকাল ১ এপ্রিল; ছয় হাজার ৪৬৯ জন।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কোভিড ইউনিটের পরিচালক ডা. মো. ইউনুসের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‍শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় (অ্যান্টিজেন টেস্টসহ) ২৯ হাজার ৩৩৯টি নমুনা পরীক্ষায় ছয় হাজার ৮৩০ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। এই সময়ে পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ২৩ দশমিক ২৮ শতাংশ।

তবে শুরু থেকে মোট পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ২১ শতাংশ।

সরকারী ব্যবস্থাপনায় এখন পর্যন্ত ৩৫ লাখ ৭২ হাজার ৪৮৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে, বেসরকারী ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ১১ লাখ ৫৫ হাজার ৬২৯টি নমুনা। অর্থাৎ মোট পরীক্ষা করা হয়েছে ৪৭ লাখ ২৮ হাজার ১১৩টি নমুনা।

বিজ্ঞাপন

এর মধ্যে শনাক্ত হয়েছেন ছয় লাখ ২৪ হাজার ৫৯৪ জন। তাদের মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় দুই হাজার ৪৭৩ জনসহ মোট পাঁচ লাখ ৪৭ হাজার ৪১১ জন সুস্থ হয়েছেন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৭ দশমিক ৬৪ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় যে ৫০ জন মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের মধ্যে ৪০ জন পুরুষ ও ১০ জন নারী। তাদের মধ্যে হাসপাতালে ৪৯ জনের ও বাড়িতে এক জনের মৃত্যু হয়েছে। তারাসহ মৃতের মোট সংখ্যা নয় হাজার ১৫৫। মোট শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৪৭ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত ছয় হাজার ৮৮৭ জন পুরুষ মারা গেছেন যা মোট মৃত্যুর ৭৫ দশমিক ২৩ শতাংশ এবং দুই হাজার ২৬৮ জন নারী মৃত্যুবরণ করেছেন যা মোট মৃত্যুর ২৪ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ৫০ জনের মধ্যে একুশ থেকে ত্রিশ বয়সী এক জন, ত্রিশোর্ধ্ব দুই জন, চল্লিশোর্ধ্ব চার জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ১১ জন এবং ষাটোর্ধ্ব ৩২ জন রয়েছেন। আর বিভাগওয়ারী হিসাবে ঢাকা বিভাগে ৩৬ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে সাত জন, রাজশাহী বিভাগে দুই জন, খুলনা বিভাগে তিন জন ও সিলেট বিভাগে দুই জন।

চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২১৫টি দেশ ও অঞ্চলে এখন পর্যন্ত ১৩ কোটি তিন লাখেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ২৮ লাখ ৪২ হাজারের বেশি মানুষ। তবে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ১০ কোটি ৪৯ লাখের বেশি।

বিজ্ঞাপন