চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

আক্রান্ত ও মৃত্যু ঝুঁকি কমাতে সঠিক মানের পিপিই

পৃথিবীজুড়ে প্রতিদিন বাড়ছে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা। বাড়ছে মৃত্যু। এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসের কোনো ওষুধ বা ভ্যাকসিন আবিষ্কার হয়নি। তাই সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার উপর জোর দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য ইদানিং ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীসহ বিভিন্ন পেশাজীবি মানুষ পরছেন- মাস্ক, সার্জিক্যাল গাউন, নন সার্জিক্যাল গাউন, কভারল, হেড কভার ও স্যু কভার ইত্যাদি। সমন্বিত এসব উপকরণকে বলা হচ্ছে ‘পিপিই’ (পার্সোনাল প্রটেকটিভ ইক্যুপমেন্ট)।
স্বা্স্থ্য ‍সুরক্ষার অংশ হিসাবে সচেতন সাধারণ মানুষও এখন মাস্ক পরতে শুরু করেছে। কেউ কেউ পরছেন, গাউন, কভারল, হেড কভার, স্যু কভার ও গগলস। চাহিদা বেশি থাকার কারণে অনুমোদনহীন বহু প্রতিষ্ঠান এখন স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রি তৈরি করছে এবং বাজারে বিক্রি করছে সস্তায়। অস্বাস্থ্যকর এসব সুরক্ষা সামগ্রি বিক্রি করা আর মানুষকে ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার দিকে ঠেলে দেওয়া সমান কথা।
সাধারণ মানের ‘পিপিই’ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থেকে আপনাকে ‍মুক্ত রাখতে পারবে না। বরং আপনাকে মৃত্যু ঝুঁকির দিকে ঠেলে দিবে। কোন ধরণের পিপিই বা মাস্ক, সার্জিক্যাল গাউন, নন সার্জিক্যাল গাউন, কভারল, হেড কভার, ‍স্যু কভার করোনা ভাইরাস থেকে আপনাকে মুক্ত রাখবে, তার একটি গাইড লাইন আছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার।
বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থ্যা, FDA, CE, এবং ওষুধপ্রশাসন অধিদপ্তরের গাইড লাইন মেনে মাস্ক, সার্জিক্যাল গা্উন, নন সার্জিক্যাল গাউন, কভারল, হেড কভার, স্যু কভার তৈরি করছে আরমার হেলথ। দেশের অভ্যন্তরে তা বাজারজাত করছে ব্রান্ড পার্টনারিং প্রতিষ্ঠান “রিওয়ার্ড ক্লাব”।
( www.rewardclub.xyz ) আরমার হেলথ এর প্রধান নির্বাহী মশিউর রহমান সৌম্য বলেন- WHO, FDA, CE, বাংলাদেশ ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সঠিক নির্দেশনা মেনে আরমার হেলথ তৈরি করছি মাস্ক, সার্জিক্যাল গাউন, নন সার্জিক্যাল গাউন, কভারল, হেড কভার, স্যু কভার। এসব স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী তৈরি করার জন্য যে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত লোকবল দরকার, তা আছে আরমার হেলথ এর।মশিউর রহমান সৌম্য বলেন- ‘মানহীন মাস্ক, সার্জিক্যাল গাউন, নন সার্জিক্যাল গাউন, তৈরি করা ও বিক্রি করা, জেনে বুঝে ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার দিকে মানুষকে ঠেলে দেওয়ার সমান। মানুষের কাছে সঠিক মানের মাস্ক, সার্জিক্যাল গাউন, নন সার্জিক্যাল গাউন, কভারল, হেড কভার, স্যু কভার পৌঁছে দেওয়ার জন্য এবং করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থেকে মানুষকে মুক্ত রাখার জন্য এমন উদ্যোগ নিয়েছে আরমার হেলথ।
সাধারণত সঠিক মানের একটি সার্জিক্যাল গাউন তৈরি করতে খরচ হয় এক হাজার টাকার মতো। বাজারে এবং অনলাইন শপে অনেকে ২শ টাকা থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি করছে গাউন। রেইনকোট বা ব্যাগ তৈরি করার কাপড় দিয়ে অনেকে গাউন তৈরি করছেন। কম দামে বিক্রি করছেন অনেকে।
মাস্ক, সার্জিক্যাল গাউন, নন সার্জিক্যাল গাউন, কভারল, হেড কভার, স্যু কভার ইত্যাদি বিষয়ে সঠিক ধারণার অভাব থাকার কারণে অনেকে তা কিনছেন এবং পরছেন। টাকার বিনিময়ে পিপিই কিনে নিজেকে ও পরিবারের সদস্যদের মৃত্যু ঝুঁকি বা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকির দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। বাজারে এখন এত পরিমাণে নিম্ন মানের পিপিই পাওয়া যায় যে, কোনটি সঠিক আর কোনটি সঠিক নয়, তা যাচাই করা প্রায় কষ্টকর। সেজন্য আরমার হেলথ এর প্রতিটি সুরক্ষা পণ্য ক্রেতারা চাইলে যাচাই করে কিনতে পারবেন। সে ব্যবস্থা রেখেছে আরমার হেলথ।
বাংলাদেশে আরমার হেলথ এর প্রতিটি মাস্ক, সার্জিক্যাল গাউন, নন সার্জিক্যাল গাউন, কভারল, হেড কভার, স্যু কভার যাচাই করার জন্য মনিটর করছে ব্র্যান্ড ও ক্রেতার সুরক্ষা সমাধান “যাচাই” www.zachai.xyz/products।
যাচাই এর লীড হাদী ভূইঁয়া বলেন বলেন- “যাচাই” কমইঞ্জিনের একটি ট্রেডমার্কড ব্রান্ড। কমইঞ্জিনউদ্ভাবনের জন্য ২০১৯ এ বেসিস ন্যাশন্যাল আইসিটি এওয়ার্ড পেয়েছে। এবং ব্র্যান্ড ও ক্রেতাকে মোবাইল , ওয়েবে এবং পুরো সাপ্লাই চেইন এ পণ্য ট্র্যাক করতে সাহায্য করে । প্রতিটি পণ্যের উৎপাদন থেকে বিতরণ এর বিস্তারিত ওয়েবে বা মেসেজে যাচাই করা যাবে।
রিওয়ার্ড্ ক্লাব এর সমন্বয়কারী ফয়েজ রেজা বলেন, `আরমার হেলথ এর মাস্ক, সার্জিক্যাল গাউন, নন সার্জিক্যাল গাউন, কভারল, হেড কভার, স্যু কভার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থ্যা, এফডিএ এবং সিডিসি’ বাংলাদেশের ওষুধ প্রশাসন অধিপ্তরের সমস্ত গাইড লাইন মেনে তৈরি করা হচ্ছে। তাই আমরা মনে করছি- এসব মাস্ক, সার্জিক্যাল গাউন, নন সার্জিক্যাল গাউন, কভারল, হেড কভার ও স্যু কভার সবার স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে, এবং করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা কমাতে বিশেষ অবদান রাখবে।