চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

আইসিসির বর্ষসেরা ক্রিকেটার স্টোকস

টেস্টে কামিন্স, ওয়ানডেতে রোহিত, ইমার্জিং সেরা লাবুশেন

ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডকে বিশ্বকাপ জেতানোর নায়ক বেন স্টোকস আইসিসির বর্ষসেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছেন। ২০১৯ সাল জুড়ে দেখানো দুর্দান্ত সব পারফরম্যান্সের জন্য ২৮ বছর বয়সী অলরাউন্ডার হাতে তুলবেন মর্যাদার খেতাব স্যার গ্যারি সোবার্স ট্রফি। বিশ্বমঞ্চ থেকে অ্যাশেজ, দ্বিপক্ষীয় সিরিজ থেকে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ, বছরজুড়ে ব্যাটে-বলে ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছিলেন ইংলিশ তারকা।

২০০৫ সালে আরেক অলরাউন্ডার অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফ ও ২০১১ সালে জোনাথন ট্রটের পর আবারও কোনো ইংলিশ ক্রিকেটার জিতলেন বর্ষসেরার খেতাব। বিশ্বকাপ ফাইনালের মহাকাব্যিক অপরাজিত ৮৪ তো আছেই। ঘরের মাঠে অ্যাশেজের গতিপথ পাল্টে দেয়া দুর্দান্ত দুটি সেঞ্চুরি, লিডসের সেই অপরাজিত ১৩৫, স্টোকস কাব্যগাথার তালিকা গত বছরে ইমারত গড়েছে। সময়টাতে ১১ টেস্টে ৮২১ রানের সঙ্গে ২২ উইকেট, ওয়ানডেতে ৭১৯ রানের সঙ্গে ১২ উইকেট তুলেছেন ২০ ম্যাচে।

স্টোকসের উড়ন্ত বছরে আইসিসির বর্ষসেরা টেস্ট ক্রিকেটারের খেতাব জিতেছেন অস্ট্রেলিয়ার পেসার প্যাট কামিন্স। সময়টাতে ১২ টেস্টে ৫৯ উইকেট যোগ করেছেন নামের পাশে।

বর্ষসেরা ওয়ানডে ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছেন ভারতের হিটম্যান ব্যাটসম্যান রোহিত শর্মা। ৭ সেঞ্চুরিতে ২৮ ম্যাচে ১৪০৯ রান তুলেছিলেন এ ডানহাতি।

সেরা উদীয়মান তথা ইমার্জিং ক্রিকেটার হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যান মার্নাস লাবুশেন। অভিষেকের পর থেকে টেস্টে অজিদের টানা রান দিয়ে চলেছেন তিনি। একটি ডাবল সেঞ্চুরিসহ ১১ টেস্টে ১১০৪ রান করেছেন গত বছর।

বছরের সেরা টি-টুয়েন্টি পারফরম্যান্সের পুরস্কার গেছে ভারতের পেসার দীপক চাহারের ঝুলিতে। বাংলাদেশের বিপক্ষে নাগপুরে হ্যাটট্রিকসহ ৬ উইকেট নিয়েছিলেন, ওটাই এনেছে সেরার তকমা।

সহযোগী দেশের সেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছেন স্কটল্যান্ডের কাইল কোয়েটজার। সেরা আম্পায়ারের খেতাব ‘ডেভিড শেফার্ড ট্রফি’ গেছে ইংল্যান্ডের ৫৬ বছর বয়সী রিচার্ড ইলিংওয়ার্থের ঝুলিতে।

ভারতের থলেতে গেছে সম্মানজনক আরেকটি স্বীকৃতি। দেশটির অধিনায়ক বিরাট কোহলি ‘স্পিরিট অব দ্য ক্রিকেট’ পুরস্কার হাতে তুলছেন। বর্ষসেরা টেস্ট ও ওয়ানডে দলের অধিনায়কও নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

কোহলির স্বীকৃতিতে জড়িয়ে আছে স্টিভেন স্মিথ প্রসঙ্গ। অজি তারকা বল টেম্পারিং কাণ্ডে এক বছরের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফিরেছিলেন বিশ্বকাপে। মাঠে তাকে নিয়মিত দুয়ো শুনতে হচ্ছিল দর্শকদের থেকে। ভারত-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে কোহলি খেলা চলাকালীন দর্শকদের আহ্বান জানান স্মিথকে বিব্রত না করতে। ভারত অধিনায়কের সেই উদ্যোগ প্রশংসা কুড়িয়েছিল বিস্তর, মিলল বিশ্ব ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থাটির স্বীকৃতিও।

শেয়ার করুন: