চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

অ্যাসাঞ্জের নামে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ১৭ অভিযোগ দায়ের

উইকিলিকসের সহপ্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে নতুন ১৭টি অভিযোগ দায়ের করেছে মার্কিন বিচার বিভাগ।

নতুন ১৭টি অভিযোগের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় গোপন তথ্য সংগ্রহ এবং অবৈধভাবে প্রকাশের দায় আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।

বিজ্ঞাপন

এর আগে গত মাসে অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের তথ্য নেটওয়ার্কে ঢোকার উদ্দেশ্যে সাবেক গোয়েন্দা অ্যানালিস্ট চেলসি ম্যানিংয়ের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করার অভিযোগ আনা হয়েছিল।

গত ১ মে অ্যাসাঞ্জকে ৫০ সপ্তাহের কারাদণ্ড দেয় যুক্তরাজ্য। লন্ডনের সাউথওয়ার্ক ক্রাউন কোর্ট এই দণ্ডাদেশ দেন। বর্তমানে কারাগারে আছেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

জামিনের শর্ত ভঙ্গের অভিযোগে অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি ছিল ব্রিটিশ সরকারের। ২০১২ সালের জুন থেকে লন্ডনের ইকুয়েডর দূতাবাসে কূটনৈতিক আশ্রয়ে ছিলেন জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ।

গত ৭ বছর ধরে জামিনের শর্ত ভঙ্গ করে লন্ডনে ইকুয়েডর দূতাবাসে আশ্রয় নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু গত ১১ এপ্রিল ইকুয়েডর অ্যাসাঞ্জকে দেয়া কূটনৈতিক আশ্রয় প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়। এই ঘোষণার পরপরই দূতাবাস থেকে লন্ডনের মেট্রোপলিট্রন পুলিশ অ্যাসাঞ্জকে গ্রেপ্তার করে।

২০১০ সালে সুইডেনে ধর্ষণ মামলায় অ্যাসাঞ্জকে গ্রেপ্তার করতে চেয়েছিল লন্ডন পুলিশ। কিন্তু এরপর দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাজ্যের ইকুয়েডর দূতাবাসে অ্যাসাঞ্জ আশ্রিত থাকার ফলে মামলাটি আর এগিয়ে নেয়া সম্ভব হবে না মনে করে দুই বছর আগে সেটি বাদ দেয়া হয়েছিল।

অ্যাসাঞ্জ এবার দূতাবাস আশ্রয় থেকে বাইরে থাকায় তার বিরুদ্ধে ওই ধর্ষণ মামলার তদন্ত আবারও শুরু হতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ধর্ষণ মামলায় জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে আটক রাখতে ইতোমধ্যে আবেদন করেছেন সুইডেনের পাবলিক প্রসিকিউশনের ডেপুটি ডিরেক্টর ইভা-মেরি পারসন।