চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

অ্যাটলেটিকো-বার্সার ‘শান্তি’ চুক্তি

দলের সেরা খেলোয়াড় অ্যান্থনিও গ্রিজম্যানকে হারিয়ে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের (আরএফইএফ) কাছে অভিযোগ জানিয়েছিল অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। তারই ধারাবাহিকতায় বার্সেলোনার বিরুদ্ধে মামলাও করে। কিন্তু বড় কিছু ঘটার আগে ‘শান্তি’ চুক্তি করে ফেলেছে ‍দুদল। বড় অঙ্কের অর্থের বিনিময়েই এই চুক্তি করেছে দু’পক্ষ।

অ্যাটলেটিকোর বেধে দেয়া ১২০ মিলিয়ন ইউরো বাই-আউট ক্লজ পরিশোধ করে গ্রিজম্যানকে দলে টানে বার্সা। দলবদল সম্পূর্ণ হওয়ার কয়েক মিনিট পরেই আবার বিবৃতিতে অ্যাটলেটিকো জানায়, প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছে বার্সা ও ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী ফরোয়ার্ড। তাদের দাবি জুলাইয়ে নয়, আসলে চুক্তি হয়েছে গত মার্চে এবং গোপনে। তখন গ্রিজম্যানের বাই-আউট ক্লজ ছিল ২০০ মিলিয়ন ইউরো।

বিজ্ঞাপন

তখন সিমিওনের ক্লাব বিবৃতি দিয়ে দাবি করে, ‘অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ জানতে পেরেছে যে, চুক্তিটি হয়েছে গত মৌসুম শেষ হওয়ার আগে। খেলোয়াড় তার ঘটনা, কাজ এবং বিবৃতির দ্বারা চুক্তি ভেঙেছেন। সুতরাং, ক্লাব তার ন্যায্য অধিকার এবং স্বার্থ রক্ষার জন্য যথাযথ কার্যপ্রক্রিয়া শুরু করেছে।’

বিজ্ঞাপন

আরএফইএফের কাছে এরপরই অভিযোগ জানান অ্যাটলেটিকো চেয়ারম্যান এনরিকে সেরেজো। তাদের দাবি, চুক্তিটি গত মার্চে সংঘটিত হওয়ায় অ্যাটলেটিকোকে ২০০ মিলিয়ন ইউরো দিতে বাধ্য বার্সা। অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু করে স্প্যানিশ ফুটবলের অভিভাবক সংস্থাটি।

তদন্ত শেষে লা লিগা বার্সেলোনাকে জরিমানা করে মাত্র ৩০০ ইউরো। এতেই ক্ষেপে যায় অ্যাটলেটিকো। এরপর সুইজারল্যান্ডের স্পোর্টস ভিত্তিক আদালতে যাওয়ার কথা জানিয়েছিল তারা।

তবে শেষপর্যন্ত আর কোনো ঝামেলায় জড়াতে হচ্ছে না কোনো পক্ষকে। স্প্যানিশ দৈনিক ডন ব্যালন জানাচ্ছে, নতুন ‘শান্তি’ চুক্তির ফলে ক্ষতিগ্রস্ত অ্যাটলেটিকোকে ১৫ মিলিয়ন ইউরো অর্থাৎ, বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৪২ কোটি টাকা দিয়েছে বার্সেলোনা। এছাড়াও এই চুক্তিতে অ্যাটলেটিকোর পাঁচ ফুটবলারকে সবার আগে কিনতে পারবে বার্সেলোনা এই তালিকায় সাউল নিগুয়েজ এবং জিমিনেজও আছেন।

লা লিগা কর্তৃপক্ষ এর আগে জানিয়েছিল তারা ইচ্ছা করলেই গ্রিজম্যানের বার্সেলোনায় খেলার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে। তবে দুই ক্লাবের মধ্যকার ‘শান্তি’ চুক্তির পর আর সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করবে না লা লিগা।

Bellow Post-Green View