চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

অ্যাটর্নি জেনারেলের মৃত্যুতে প্রধান বিচারপতি-আইনমন্ত্রীর শোক

রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা (অ্যাটর্নি জেনারেল) মাহবুবে আলমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

অ্যাটর্নি জেনারেলের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

বিজ্ঞাপন

শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করে দেয়া শোক বার্তায় তিনি বলেন, ‘মাহবুবে আলম অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে তার দায়িত্ব পালন করেছেন। একজন আইনজীবী হিসেবে তিনি ছিলেন সর্বজন শ্রদ্ধেয়। তিনি অত্যন্ত গুণী, নির্লোভ এবং নির্মোহ ব্যক্তি ছিলেন। দেশে আইনের শাসন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় তার অবদান অনস্বীকার্য। আইন অঙ্গনে তার অবদান জাতি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।’

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক অ্যাটর্নি জেনারেলের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এক শোক বার্তায় আইনমন্ত্রী বলেন, ‘অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমকে প্রায় ৪০ বছর যাবৎ চিনেন ও জানেন। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলাসহ অনেক মামলা তারা এক সঙ্গে পরিচালনা করেছেন। মাহবুবে আলমের সাথে রয়েছে অনেক স্মৃতি। একজন মাহবুবে আলম নিজ কর্মগুণেই দেশের মানুষের কাছে চির স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তার মৃত্যুতে দেশের আইন অঙ্গনে এক বিশাল শূন্যতা তৈরি হলো।’

অন্যদিকে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছে সুপ্রিম কোর্ট
বিটে কর্মকর্তা সাংবাদিকদের সংগঠন ল’ রিপোর্টার্স ফোরাম।

রোববার সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অ্যাটর্নি জেনারেল মারা যান বলে জানান তার ছেলে সুমন মাহবুব। মৃত্যুকালে মাহবুবে আলমের বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েকে রেখে গেছেন।

গত ৪ সেপ্টেম্বর সকালে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের জ্বর আসায় চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয়। সেখানে পরীক্ষার পর তার কোভিড-১৯ শনাক্ত হয়। তবে পরবর্তী করোনামুক্ত হলেও শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে অ্যাটর্নি জেনারেলকে সিএমএইচের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেলেন।