চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

অশ্রুসজল মারে বললেন, উইম্বলডনই শেষ

নাছোড়বান্দা কোমরের চোট পেছনে লেগেই ছিল। সেই চোটের কাছেই শেষপর্যন্ত হার মেনে বিদায়ের ঘোষণা দিলেন অ্যান্ডি মারে। সামনের উইম্বলডন পর্যন্ত খেলার ঘোষণা দিলেও তিনবারের গ্র্যান্ডস্লামজয়ী ব্রিটিশ তারকা নিশ্চিত নন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের পর আর খেলা সম্ভব কিনা!

গত বছরের জানুয়ারিতে ডান হিপে অস্ত্রোপচারের পর জুনে ফিরেছিলেন মারে। ১৪টি ম্যাচ খেলার পর সেপ্টেম্বরে আবারও চোটের কারণে কোর্টের বাইরে চলে যেতে হয় ছেলেদের টেনিসে সাবেক এক নম্বরকে।

সেই চোট নিয়ে নতুন বছরে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন খেলতে এসেছেন অ্যান্ডি মারে। নোভাক জোকোভিচের সঙ্গে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার পরই টের পান আবারও ফিরে আসছে চোট। সংবাদ সম্মেলনে সেটি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি ব্রিটিশদের চোখেরমণি। অশ্রু চোখে জানিয়ে দেন আর পারছেন না এগোতে।

‘আমি জানি না এই ব্যথা নিয়ে সামনের আরও ৫-৬ মাস খেলে যাওয়া সম্ভব কিনা। আমি উইম্বলডনেই থামতে চাই। কিন্তু জানি না সেটাও সম্ভব কিনা।’

Advertisement

‘আমি সুস্থ বোধ করছি না। লম্বা সময় ধরে সমস্যার সঙ্গে লড়াই করে যাচ্ছি। শেষ ২০টা মাস ব্যথাটাকে সঙ্গী বানিয়ে চলছি। সম্ভাব্য সবরকম চেষ্টা করেছি যেন আমার কোমর একটু ভালো থাকে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে এই ব্যথা আর নিতে পারছি না।’

‘আগের ছয় মাসের চেয়ে একটু ভালো অবস্থানে আছি। কিন্তু এখনো অনেক ব্যথা সহ্য করতে হচ্ছে আমাকে। আমি হয়তো একটা পর্যায় পর্যন্ত খেলতে পারবো, কিন্তু অতীতে যে পর্যায়ে খেলেছি সেটা আর সম্ভব নয়।’

আগামী সপ্তাহে ২২ নম্বর তারকা রবের্তো বাতিস্তার বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের প্রথম রাউন্ডের ম্যাচ খেলবেন মারে। চোটের যে বর্ণনা নিজেই দিয়েছেন, তাতে বছরের প্রথম গ্র্যান্ডস্লামে কতটুকু যেতে পারবেন নিজেও নিশ্চিত নন।

ব্যথা আর না বাড়িয়ে তাই পরিবারকেই সময় বেশি দেয়ার কথা ভাবছেন ব্রিটিশ নাইটহুড পাওয়া তারকা, ‘আমার আরেকটা অস্ত্রোপচারের সুযোগ আছে, যেটা আমাকে ব্যথামুক্ত একটা জীবন দিতে পারে। তবে বিষয়টা আমি গুরুত্বের সঙ্গে ভাবছি। অনেক অ্যাথলেটরাই অতীতে এমনটা করে সুস্থ হয়ে ফিরেছে। কিন্তু সবসময়ই যে এটা কাজ করবে এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়।’