চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

অভিযোগের সত্যতা আছে, অভিযুক্তদের সরে যাওয়া উচিত: গুলজার

‘আমাদের অভিযোগ শিল্পী সমিতির বিরুদ্ধে নয়, অভিযোগ দুজন ব্যক্তিকে (মিশা-জায়েদ) নিয়ে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা আমাদের কাছে আছে। তারা অনিয়ম করেছেন, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা, ক্ষমতার দাপট দেখিয়েছেন, চলচ্চিত্রকে ব্যক্তি স্বার্থে ব্যবহার করেছেন। তাই অভিযুক্ত দুজন ব্যক্তিকে সরে যাওয়া উচিত। তারা সরে গেলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।’ 

চ্যানেল আই অনলাইনকে মুঠোফোনে কথাগুলো বলছিলেন চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার।

বিজ্ঞাপন

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি-সেক্রেটারি মিশা-জায়েদকে চলচ্চিত্র থেকে নিষিদ্ধ করার পরেই গেল রবিবার পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেন। এ প্রেক্ষিতে সোমবার দুপুরে গুলজার বলেন, তারা সংবাদ সম্মেলন করতেই পারে। কিন্তু সেসব কথা আমরা অফিসিয়ালি জানি না।

বিজ্ঞাপন

গুলজার বলেন, তাই কোনোকিছু আমলে নিচ্ছি না। চলচ্চিত্র পরিবার মিশা-জায়েদের নিষিদ্ধের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাতে অটল। তিনি বলেন, বিভিন্ন ছবিতে কাজ করে আসছে এমন ১৮৪ জন শিল্পীকে অন্যায়ভাবে বাদ দিয়েছে মিশা-জায়েদ। তাদের এফডিসিতে ঢোকা বন্ধ করে দিয়েছে। কিন্তু তাদের অপরাধটা কী? তারা নির্বাচন এলে মিশা-জায়েদকে ভোট দিবে না? এটা তো কোনোভাবেই হতে পারে না। এসবে আগে সমাধান হতে হবে। নইলে তাদের পদত্যাগ করতে হবে।

শিল্পীদের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সেই শিল্পীদের বাদ দেয়াটা খুবই অন্যায়। কোনো সাংসদ বা প্রধানমন্ত্রীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে আবার পরে ভোটারদের দেশের সিটিজেন না বলাটা পাগলের প্রলাপের মতো। কাজেই আমরা যে অভিযোগগুলো তুলেছি এগুলোর সব সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আমরা আমাদের অবস্থান থেকে সরবো না।

সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার আগে চলচ্চিত্র পরিবারের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ফারুক। তার মধ্যস্থতা আশা করেন কিনা জানতে চাইলে মুশফিকুর রহমান গুলজার বলেন, তার মধ্যস্থতা আশা করি না। কারণ, তিনি তাদের পক্ষ নিয়ে কথা বলছেন। অথচ মুরুব্বী হিসেবে তার অবস্থান স্বতন্ত্র হওয়া উচিত ছিল। তাই তার সহযোগিতা আমরা চাই না।

তিনি বলেন, ফারুক সাহেব বলেছেন এফডিসিতে বিএনপি জাসস-এর মানুষজন বেশি। তার এ কথার সঙ্গে মোটেই একমত নই। এখানেই প্রত্যেকেই বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা করেন। তার আদর্শ লালন করেন। আমার দাদা বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি করতেন। পরিবারের সবাই আ’লীগের রাজনীতি বিশ্বাস করে। তবে সবখানেই দুএকজন ভিন্ন মতের মানুষ থাকে। ফারুক সাহেবের এসব অভিযোগ মিথ্যে। তিনি এক পক্ষ নিয়ে কথা বলে অন্যপক্ষকে ঘায়েল করতে চাচ্ছেন। তার মধ্যস্থতা আমরা চাইনা।