চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

অভিজিৎ হত্যার নেতৃত্বেও মেজর জিয়া

তিন বছর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বিজ্ঞান লেখক ও ব্লগার অভিজিৎ রায়কে কুপিয়ে হত্যার সময় সেখানে উপস্থিত থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিল অভ্যুত্থান চেষ্টার দায়ে সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত হওয়া মেজর জিয়া।

রোববার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক অনানুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়ে বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত ৫ জন ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে।

তিনি জানান, তিন মাস আগে এই মামলার তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছে কাউন্টার টেররিজম ইউনিট। ডিবির হাত থেকে দায়ভার নেওয়ার আগেই ৭ জন আটক করা হয়েছিল। কাউন্টার টেরোরিজম ৩ জনকে আটক করে। তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন।

হত্যার তিন বছর পরও এই মামলার চার্জশীট দিতে পারেনি পুলিশ।

আলোচিত এ মামলার চার্জশীট প্রসঙ্গে মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘আরো দুই বা এক জনকে ধরা হবে জানিয়ে না হলে ৩ জনের দেওয়া তথ্য-প্রমাণ দিয়েই তদন্ত শেষে চার্জশিট দেওয়া হবে।

অভিজিৎ

বিজ্ঞাপন

মেজর জিয়ার প্রকৃত নাম সৈয়দ মো. জিয়াউল হক। ২০১১ সালের ডিসেম্বরে একটি অভ্যুত্থান চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়েছিলেন। তাকে ধরিয়ে দিতে এরই মধ্যে ২০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে পুলিশ সদর দপ্তর।

পুলিশের দাবি মেজর জিয়া বর্তমানে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের শীর্ষ নেতা। কয়েকজন ব্লগার হত্যায় তাকে সন্দেহের তালিকায় রেখেছে পুলিশ।

২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি বইমেলা থেকে বের হওয়ার পথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় ব্লগার অভিজিৎ রায়কে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। ওই ঘটনায় গুরুতর আহত হন তার স্ত্রী রাফিদা আহমেদ।

অভিজিৎ রায় হত্যাকাণ্ডের পরে শাহবাগ থানায় অভিজিতের বাবা অধ্যাপক ড. অজয় রায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।অভিজিৎ

দীপন-নিলয় হত্যা:
রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেটে ২০১৫ সালের ৩১ অক্টোবর জাগৃতি প্রকাশনীর অফিসে প্রকাশক ফয়সল আরেফিন দীপনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

এর দুই মাস আগে ওই বছরের ৭ আগস্ট রাজধানীর গোড়ানে নিজ বাসায় কুপিয়ে হত্যা করা হয় ব্লগার নীলাদ্রি চট্টোপাধ্যায় নিলয়কে।

পুলিশের ধারণা এই দুই হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতা ছিলেন মেজর জিয়া।

বিজ্ঞাপন