চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

অবশেষে মূলধন পাচ্ছে ধুঁকতে থাকা ফারমার্স ব্যাংক

ঋণ কেলেঙ্কারিতে ধুঁকতে থাকা ফারমার্স ব্যাংককে মূলধন যোগান দেয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা হলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন সোনালী, রূপালী, জনতা ব্যাংকের এমডি ও আইসিবির চেয়ারম্যান। গভর্নর ফজলে কবিরের উপস্থিতিতে অর্থমন্ত্রণালয়ের আর্থিক বিভাগের সিনিয়র সচিব ইউনুসুর রহমানও ছিলেন।

সকাল ১১টায় সম্ভাব্য মূলধন যোগানদাতাদের সঙ্গে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৈঠক চলে দুপুর ২টা পর্যন্ত। তবে বৈঠক চলা কালে বাংলাদেশ ব্যাংকে কোনো সাংবাদিককে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি।

বৈঠক শেষে দুপুরে জনতা ব্যাংকের এমডি আব্দুস ছালাম চলে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের বলেন, ফারমার্স ব্যাংক তারল্য সংকটে ভুগছে। তাই ব্যাংকটিকে মূলধন দেয়া হতে পারে। এ বিষয়ে আজ ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। এটা প্রাথমিক আলোচনা। এই আলোচনা চলবে আরো তিনদিন।

‘তবে কিভাবে দেয়া হবে সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এরপর ব্যাংক ভবন থেকে বের হয়ে আসেন রূপালী ব্যাংকের এমডি আতাউর রহমান প্রধান। তিনিও প্রায় একই কথা বলেছেন। আতাউর রহমান বলেন, হ্যাঁ, ব্যাংকটিকে মূলধন যোগান দেয়ার বিষয়ে কথাবার্তা হয়েছে। তবে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’

যারা মূলধন যোগান দিবে তারা ফারমার্স ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদে থাকবে কি না জানতে চাইলে বলেন, এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। বিস্তারিত জানাবে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সর্বশেষে বের হয়ে আসেন আইসিবির চেয়ারম্যান মজিব উদ্দিন আহমেদ। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আলোচনা হয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। আমাদেরকে আবার হয়তো ডাকবে।

কিভাবে কত পরিমাণ মূলধন দেয়া হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ব্যাংকটিকে ধ্বংস হতে দিতে পারিনা। এটাকে উদ্ধার করতেই বৈঠক হয়েছে। মূলধনের পরিমাণ এখনো নির্ধারণ করা হয়নি।

শুরুর দিকেও আইসিবির মূলধন ছিল ফারমার্স ব্যাংকে, এখন আবার কেন দেয়া হচ্ছে এবং সরকারি প্রতিষ্ঠান আসিবি ফারমার্স ব্যাংকের পরিষদে থাকার পরও কেন এত বড় সমস্যা হয়েছে- জানতে চাইলে বলেন, আমরা পরিষদে ছিলাম না।এ সময় ব্যাংকটির অবস্থার অনেক উন্নতি হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।