চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

অন্যদেশে চাঁদ দেখে দেশের কয়েকটি স্থানে ঈদ উদযাপন

চাঁদপুর প্রতিনিধি:
আফগানিস্তান, নাইজার ও মালিতে চাঁদ দেখার পর বাংলাদেশের চাঁদপুরসহ বিভিন্ন জেলার কয়েকটি স্থানে রোববার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে।

এর মধ্যে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের সাদ্রা দরবার শরীফ মাদ্রাসা মাঠে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় দুপুর ১১ টায়। ওই জামাতে ইমামতি করেন সাদ্রা দরবার শরীফের পীর মুফতি আল্লামা যাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানী।

Reneta June

এদিন ঈদ উদযাপন প্রসঙ্গে সাদ্রা দরবারের বড় পীরজাদা পীর ড. মুফতি বাকীবিল্লাহ মিশকাত চৌধুরী বলেন, হানাফি, মালেকি ও হাম্বলি এ তিন মাজহাবের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হচ্ছে বিশ্বর প্রথম চন্দ্র দর্শণের নির্ভরযোগ্য সংবাদের ভিত্তিতে মুসলমানদের জন্য রোজা রাখা ফরজ এবং ঈদ করা ওয়াজিব।

বিজ্ঞাপন

‘‘গতকাল শনিবার আফগানিস্তান, নাইজার ও মালিতে চাঁদ দেখে গেছে। ওই সংবাদ নির্ভরযোগ্য ভিত্তিতে প্রাপ্ত হয়ে আজ আমরা ঈদুল ফিতর উদযাপন করছি।

ঢাকার সদরঘাটস্থ খানকা, আসকোনা এবং পটুয়াখালীর বদরপুর দরবার শরিফে ঈদের জামাত হয়েছে। চাঁদ দেখার বিষয়টি যথাসময়ে পৌঁছে দিতে না পারায় অনেক গ্রামে ঈদ উদযাপন হয়নি। তারা পরবর্তীতে ঈদ উদযাপন করবে।’’

পীর মুফতি আল্লামা যাকারিয় চৌধুরী আল মাদানী বলেন, ‘১৯২৮ সাল থেকে বিশ্ব মুফতী আল্লামা ইসহাক রহ. কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত চাঁদপুর জেলার সার্দ্রা ঐতিহাসিক দরবার শরীফের ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ সর্বপ্রথম নবচঁন্দ্র দর্শনের নিভরযোগ্য সংবাদের ভিত্তিতে প্রতিবছরই রোজা, ঈদুল ফিতর, ঈদুল আযহাসহ ধর্মীয় সকল উৎসবাদি পালন করে থাকি।’

আরব দেশগুলোর সঙ্গে সঙ্গতি রেখে প্রতি বছর চাঁদপুরের তিনটি উপজেলার ৪০ গ্রামে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়। সাদ্রা দরবার শরিফের অনুসারীরা ৯৩ বছর ধরেই প্রথম চাঁদ দেখার ভিত্তিতে সাদ্রাসহ ৪০টি গ্রামে ঈদ উদযাপন করে থাকেন।