চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

অনুদানের ছবিতে জুটি বাঁধছেন এবিএম সুমন-পূজা চেরী

বড়পর্দায় দেখা যাবে নতুন রসায়ন। প্রথমবারের মতো জুটি বাঁধছেন এবিএম সুমন ও পূজা চেরী। তাদের দেখা যাবে ২০১৯-২০ অর্থ বছরে সরকারি অনুদান পাওয়া যুগল নির্মাতা ইস্পাহানি আরিফ জাহানের ‘হৃদিতা’ ছবিতে।

কথাসাহিত্যিক আনিসুল হকের ‘হৃদিতা’ উপন্যাস অবলম্বনে ছবিটি নির্মিত হতে যাচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

সুমন-পূজা দুজনেই ‘হৃদিতা’ ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন বলে চ্যানেল আই অনলাইনকে জানান নির্মাতা ইস্পাহানি।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে সুমন-পূজা দুজনকেই চুক্তিবদ্ধ করিয়েছি। অক্টোবরে শুটিংয়ে যাবো। আরও কয়েকজন ভালো অভিনয় জানা শিল্পীকে নেয়ার পরিকল্পনা আছে। যেহেতু চুক্তিবদ্ধ হয়নি, আগে নাম বলতে চাইনা।

একটি ভালো ছবি নির্মাণের জন্য যা যা করা দরকার তাই করবেন বলে জানান যুগল নির্মাতা ইস্পাহানি আরিফ জাহান। ‘হৃদিতা’ ছবির জন্য শিল্পীর সম্ভাব্য তালিকায় পূজা চেরীর সঙ্গে আরিফিন শুভকে রেখেছিলেন নির্মাতাদ্বয়। তবে শুভর সঙ্গে ব্যাটে বলে না মেলায় ‘ঢাকা অ্যাটাক’ খ্যাত সুমনকেই নিলেন নির্মাতা।

ইস্পাহানি বলেন, সুমনের কাজ দেখেছি। ছেলেটার সবকিছুই প্রশংসার দাবী রাখে। তাই তাকে নিয়েছি। আর পূজা তো আমাদের পছন্দের তালিকাতে ছিল। এদিকে, ‘হৃদিতা’র জন্য সরকারি অনুদানে ৫৫ লাখ টাকা পেয়েছেন ইস্পাহানি আরিফ জাহান। তবে চাহিদার তুলনায় এ বাজেট অর্ধেক বলে মনে করেন নির্মাতা।

চলচ্চিত্রে অভিনয় প্রসঙ্গে এবিএম সুমন বলেন, উপন্যাসটি আমার আগে থেকে পড়া ছিল। তখন থেকেই এ গল্পের প্রতি ভালোলাগা ছিল। নির্মাতা যখন আমাকে কাজটির অফার দিলেন তখনই রাজি হয়ে যাই। বৃহস্পতিবার সাইনিং করেছি।

কথাসাহিত্যিক আনিসুল হকের উপন্যাসে কাজ করতে যাচ্ছেন ভেবে নিজেকে লাকী মনে করছেন পূজা চেরী। তিনি বলেন, ছবিটা করার অন্যতম কারণ হচ্ছেন আনিসুল হক। তার উপন্যাস থেকে ছবি নির্মিত হতে যাচ্ছে। সেটার অংশ থাকতে পারছি যা আমার জন্য হবে অত্যন্ত সৌভাগ্যের।

ইতোমধ্যে কয়েকবার ‘হৃদিতা’ পড়েছেন পূজা। তিনি বলেন, অন্য ছবিগুলোতে দর্শক আমাকে রাফটাফ দেখলেও এবার আমি শান্ত-ভদ্র। আমার বিপরীতে এবিএম সুমন ভাই থাকছেন। ইস্পাহানি আরিফ জাহানও সুপরিচিত নির্মাতা। সবকিছু মিলিয়ে চমৎকার একটি ছবি হবে এটাই প্রত্যাশা করছি।

১৯৯৪ সালে ‘বিদ্রোহী বধূ’ নির্মাণের মাধ্যমে পরিচালনায় আসেন ইস্পাহানি আরিফ জাহান। এরপর লাট সাহেবের মেয়ে, শত্রু ধ্বংস, আমাদের সন্তান, আসলাম ভাইসহ একাধিক হিট ছবি উপহার দিয়েছেন। পরিচালনায় পাশাপাশি প্রযোজনাও করেছেন তারা। তাদের মুক্তিপ্রাপ্ত শেষ দুটি ছবি গুণ্ডা দ্য টেররিস্ট (২০১৫), নায়ক (২০১৮)।

তাই বাণিজ্যিক ধারার ছবি নির্মাণে যুগল নির্মাতা ইস্পাহানি আরিফ জাহানের নামডাক বেশ। তাদের একে একে ২১ ছবি মুক্তি পেয়েছে। বেশিরভাগ ছবিই আলোচিত। ইস্পাহানী বলেন, আমাদের ছবির বাজেট গিয়ে দাঁড়াবে এক কোটির উপরে। বাকি টাকা আমাদেরই লগ্নী করতে হবে। মানুষের রুচির পরিবর্তন হয়েছে।

তারা বলেন, এখন আগের সেই ফরমেটে ছবি বানালে, গল্প তৈরি করলে ছবি চলবে না। তাই নতুন ভাবনা নিয়ে গল্প প্রাধান্য দিয়ে ছবি বানাতে চাই। ‘হৃদিতা’ মাধ্যমে নতুন করে এখনকার দর্শকদের কথা মাথায় নিয়েই ছবি তৈরি করতে চাই।