চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

অনির্দিষ্টকালের জন্য পেছালো আইপিএল

অনির্দিষ্টকালের জন্য ২০২০ আইপিএলের আসর পিছিয়ে দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। এই আসরের জন্য নতুন করে আর কোনো তারিখ নির্ধারণে রাজি নয় বোর্ডটি।

বুধবার সকালে ফ্র‍্যাঞ্চাইজি মালিকদের টুর্নামেন্ট পেছানোর বিষয়টি জানিয়েছেন আইপিএলের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা হেমাং আমিন। করোনাভাইরাসের কারণে ভারতজুড়ে লকডাউনের মেয়াদ ৩মে পর্যন্ত বাড়ায় চলতি গ্রীষ্মে যে আইপিএল আয়োজন আর সম্ভব নয়, সেটাও জানিয়ে দেয়া হয়েছে মালিকদের।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার কনফারেন্স কলের মাধ্যমে আইপিএল পেছানোর সিদ্ধান্ত নেয় বিসিসিআই। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বোর্ড প্রধান সৌরভ গাঙ্গুলি, সেক্রেটারি জয় শাহ, আইপিএল প্রধান ব্রিজেশ প্যাটেল, বিসিসিআইয়ের সেক্রেটারি অরুণ ধামাল ও আমিন।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

দ্বিতীয়বারের মতো পেছালো ২০২০ আইপিএলের আসর। গত মাসে ৩ সপ্তাহ লকডাউনের পর ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত পেছানো হয়েছিল। মঙ্গলবার ৩মে পর্যন্ত দেশের লকডাউন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাতিল হয়েছে ঘরোয়া-আন্তর্জাতিক সমস্ত ফ্লাইট। এ অবস্থায় আইপিএল আয়োজনের আর কোনো সুযোগই নেই মানছে বিসিসিআই।

এতকিছুর মাঝেও অবশ্য জুনের মধ্যে আইপিএল আয়োজনের ব্যাপারে আশাবাদী ছিল বিসিসিআই। অন্তত জুনের প্রথম সপ্তাহ থেকে ম্যাচ শুরুর কথা ভাবছিল। বিকল্প হিসেবে দর্শকবিহীন ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা ছিল। অবস্থা বিবেচনায় বাস্তবতা মানতেই হচ্ছে বোর্ডটিকে। ভারতজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ১১ হাজার ছাড়ানোয় বাইরে থেকে বিদেশিদের আসা নিষিদ্ধ করে দিয়েছে সরকার। বিসিসিআই তাতে একপ্রকার নিরুপায়।

আইপিএল মাঠে না গড়ালে কোনো টাকাই পাবেন না খেলোয়াড়রা। নিয়ম অনুযায়ী দুই কিস্তিতে টাকা পান ক্রিকেটাররা। আসর শুরুর প্রথম সপ্তাহে প্রথম কিস্তি ও শেষে বাকিটা। আসর মাঠে না গড়ানোয় ভীষণ ক্ষতিরমুখে পড়বে ফ্র‍্যাঞ্চাইজিগুলো। বিশেষ করে টেলিভিশন সত্ত্ব না পাওয়ায়। ২০১৭ সাল থেকে পাঁচ বছর প্রতিটি ফ্র‍্যাঞ্চাইজি অন্তত ১৫০ কোটি রুপি করে টেলিভিশন সত্ত্বের নিশ্চয়তা পেয়ে আসছে।