চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

অনলাইন প্লাটফর্মেই ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে: অপূর্ব

১ এপ্রিল মুক্তি পেয়েছে অপূর্ব অভিনীত শিহাব শাহীনের ওয়েব ফিল্ম ‘যদি কিন্তু তবুও’

অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব অভিনীত প্রথম ওয়েব ফিল্ম ‘যদি কিন্তু তবুও’ মুক্তি পেয়েছে ওটিটি প্লাটফর্ম জি-ফাইভে। বুধবার দিবাগত রাত ১২ টায় এটি মুক্তির পর থেকে নেটদুনিয়ায় আলোচনার তুঙ্গে! শিহাব শাহীনের পরিচালনায় ওয়েব ফিল্মটিতে অপূর্বর সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া। আরও আছেন তারিক আনাম খান, ইমতু রাতিশ, নাজিবা বাশার, আনন্দ খালেদ। নির্মাণের শুরু থেকে আলোচনায় থাকা ‘যদি কিন্তু তবুও’ নিয়ে মুঠোফোনে অপূর্ব কথা বললেন চ্যানেল আই অনলাইনের সাথে…

‘যদি কিন্তু তবুও’ দর্শকদের কেন দেখা উচিত?
কারণ, সিনেমাটি সুন্দর। অপূর্ব-নুসরাত ফারিয়া জুটির প্রথম সিনেমা। আরেকটি অন্যতম কারণ হচ্ছে শিহাব শাহীন-অপূর্ব জুটির কাজ। এর আগে আমরা একসঙ্গে অনেক ভালো কাজ উপহার দিয়েছি। আমাদের কাজগুলো দর্শকদের মন জয় করেছে। তাই শিহাব শাহীন-অপূর্ব জুটির প্রথম সিনেমা বলে দেখবে।

বিজ্ঞাপন

ওয়েব ফিল্ম এটি। এতে কাজ করে ভিন্ন কিছু মনে হয়েছে?
না তেমন কিছু মনে হয়নি। তবে কাজটি খুবই প্রফেশনালি হ্যান্ডেল করা হয়েছে। পুরো প্রজেক্টের এ টু জেড যারা যুক্ত ছিলেন তারা প্রত্যেকেই যোগ্যতা সম্পন্ন। মানে কার কোনটা কাজ তারা জেনেই করেছেন। এজন্য আলাদা কমফোর্ট ছিল। আমরা জানতাম কস্টিউমের ডিজাইন, সেটের কালার স্ক্রিন কেমন; এটা খুবই চমৎকারভাবে করা হয়েছে।

‘যদি কিন্তু তবুও’ করতে গিয়ে বেশ ধকল গেছে। কোভিড এলো। আপনি নিজে আক্রান্ত হলেন। পরিচালক-নায়িকাও আক্রান্ত হয়েছিলেন। বেশি ধকলে কাজে প্রভাব পড়েছে নিশ্চয়ই?
প্রযোজকরা প্রাধান্য দিয়েছেন, আর্টিস্টদের কমফোর্ট আগে। সিনেমা পরে। আমি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত শুটিং হয়নি। হ্যাঁ তবে ভেঙে ভেঙে কাজের ফলে অভিনয়ের ধারাবাহিকতা নষ্ট হয়। কোভিড না এলে হয়তো আমরা একটানা কাজ করলে আরও ভালো করতে পারতাম। কিন্তু কোভিডের কারণে খুব যে প্রভাব পড়েছে এমনটা নয়।

বাংলাদেশে ওটিটি ব্যবহারের জন্য দর্শক অভ্যস্ত হয়েছে বলে মনে হয়?
বাংলাদেশের জন্য ওটিটি নতুন এক প্লাটফর্ম। সবে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। এখন উচিত কীভাবে আরও সহজে অ্যাপটি মানুষের সাবস্ক্রিপশন করানো যায় সেদিকে নজর দেয়া। তাহলে ওটিটির দর্শক আরও বাড়বে। ব্যবহারে ইউজ টু হবে। তবে বিশ্বের অন্যান্য দেশে সফলভাবে ওটিটি কার্যক্রম চলছে। আমি মনে করি, অনলাইন প্লাটফর্মে ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে। 

ছোটপর্দায় আপনি শীর্ষস্থানীয়দের স্থানে। যখনই এটি অনুভব করেন নিজের মধ্যে কোন কথাগুলো নাড়া দেয়?
যতোটা ভালোবাসা পাবার যোগ্য আমি না, তার থেকে বেশি ভালোবাসা পাচ্ছি। এজন্য আমি সৃষ্টিকর্তা ও আমার দর্শক শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে কৃতজ্ঞ। মানুষের ভালোবাসা সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা সবসময় করে আসছি। এভাবে আমার কাজগুলো সবাই গ্রহণ করুক। এতেই আমার আসল আত্মতৃপ্তি।

একজন সফল অভিনেতার কোনটা করা উচিত, দর্শকদের রুচি বিবেচনা করে কাজ করা নাকি রুচি তৈরিতে কাজ করা?
আমি বলবো দুটোতেই কাজ করা উচিত। তবে অবশ্যই ব্যালেন্স করে করতে হবে। রুচিশীল দর্শক যেমন থাকে, অন্য টেস্ট পাওয়ার দর্শকও থাকে। দর্শকদের চাহিদা যেমন পূরণ করতে হয় তেমনই নিজের দায়বদ্ধতা থেকেও রুচি গ্রো করানো উচিত।