চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ
Partex Cable

অধ্যাপক তাহের হত্যা মামলায় দণ্ড বহালের রায় প্রকাশ

Nagod
Bkash July

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. এস তাহের হত্যায় দু’জনকে মৃত্যুদণ্ড ও দু’জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহালের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ হয়েছে।

প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বধীন আপিল বিভাগের সাক্ষরের পর ৬৮ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়।

রায়ের পর্যবেক্ষনে বলা হয়েছে, ‘অধ্যাপক ড. এস তাহের আহমেদ জীবিত থাকলে একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন কোনদিন ‘অধ্যাপক’ পদে পদন্নোতি পাবেন না, এমন আশংকা থেকেই তাহেরকে হত্যা করা হয়।’

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত যে দুই আসামির সাজা সর্বোচ্চ আদালত বহাল রাখেন তারা হলেন, ভূ-তত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের তৎকালীন সহযোগী অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ও নিহত ড. তাহেরের বাসার কেয়ারটেকার মো. জাহাঙ্গীর আলম। আর সাজা কমিয়ে নাজমুল আলম ও আব্দুস সালামকে হাইকোর্টের দেয়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখেন সর্বোচ্চ আদালত।

হাইকোর্টের রায়ে বিরুদ্ধে রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের করা আপিল শুনানি শেষে গত ৫ এপ্রিল প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন ছয় বিচারপতির আপিল বিভাগ এই রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আদালতে অধ্যাপক ড. এস তাহেরের স্ত্রী সুলতানা আহমেদ, ছেলে সানজিদ আলভি আহমেদ এবং মেয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শেগুফতা তাবাসসুম আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ। তাদের সাথে ছিলেন  সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অবন্তী নুরুল ও মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। আসামী পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন, এসএম শাহজাহান ও ব্যারিস্টার ইমরান সিদ্দিকী। আর অধ্যাপক ড. তাহেরের পরিবারের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী নাহিদ সুলতানা যুথি।

২০০৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কোয়ার্টারের ম্যানহোল থেকে অধ্যাপক তাহেরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে সানজিদ আলভি আহমেদ মতিহার থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

সে মামলায় ২০০৮ সালের ২২ মে রাজশাহীর দ্রুত বিচার আদালত ৪ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ২ জনকে খালাস দেন। পরবর্তীতে হাইকোর্ট দুই আসামির মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখে অন্য দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।

হাইকোর্টের রায়ে মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা দুই আসামি হলেন একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ও নিহত ড. তাহেরের বাসার কেয়ারটেকার মো. জাহাঙ্গীর আলম। আর সাজা কমিয়ে হাইকোর্ট নাজমুল আলম ও আব্দুস সালামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে আসামিরা আপিল করেন। অন্যদিকে সাজা কমিয়ে দু’জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। সে সব আপিলের শুনানি শেষে গত ৫ এপ্রিল রায় দেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

BSH
Bellow Post-Green View
Bkash Cash Back