চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

অতীতে বেশ কিছু নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হয়নি: সিইসি

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, অতীতে বেশ কিছু নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হয়নি। এ বিষয়ে অভিযোগও রয়েছে। এজন্য আগামী নির্বাচন যেন অধিকতর অংশগ্রহণমূলক হয়, প্রকৃত অংশীদারিত্বমূলক হয় সে লক্ষ্যে কমিশন সবার মতামত নিচ্ছে।

রোববার ১৩ নভেম্বর কাজী হাবিবুল আউয়াল নেতৃত্বাধীন কমিশনের প্রথম সংলাপের সূচনা বক্তব্যে সিইসি এ কথা বলেন।

Reneta June

নির্বাচন ভবনের সম্মেলন কক্ষে শিক্ষাবিদদের সঙ্গে ইসির প্রথম বৈঠক বিকেল ৩টায় শুরু হয়।

বিজ্ঞাপন

ইসি জানিয়েছে, ধারাবাহিক এ বৈঠক থেকেই আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ তৈরির পরিকল্পনা করা হবে। ধারাবাহিক এ সংলাপে এরপর বিশিষ্ট নাগরিক, গণমাধ্যম প্রতিনিধি ও রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে সংলাপ করবে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি।

বেঠক শেষে সিইসি বলেন, রাজনৈতিক সমঝোতা না হলে ইসির একার পক্ষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সম্ভব না।

তিনি বলেন, সংলাপে ১৩ জন আলোচকের মধ্যে দুই একজন দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে কথা বলেছে বাকিরা বলে নাই।

এ সংলাপে ৩০ শিক্ষাবিদের আমন্ত্রণ জানানো হলেও উপস্থিত হয়েছেন ১৩ জন।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, প্রথম দিনের সংলাপে অংশ নেওয়ার জন্য দেশের বরেণ্য ৩০জন শিক্ষাবিদকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। তাঁদের মধ্যে উপস্থিত হয়েছেন—ড. জাফর ইকবাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এম আনোয়ার হোসাইন, ওয়ার্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের অধ্যাপক ড. আবদুল মান্নান চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এম আবুল কাশেম মজুমদার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিন খান, সাদেকা হালিম, ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ, ড. আখতার হোসেন, লায়লুফার ইয়াসমিন, সাউথ ইস্ট ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ড. এ এফ এম মফিজুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মুহাম্মদ ইয়াহিয়া আখতার, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আল মাসুদ হাসানুজ্জামান ও ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির প্রো ভাইস চ্যান্সেলর ড. নিয়াজ আহম্মেদ খান।

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন কমিশন নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি। পরদিন ২৭ ফেব্রুয়ারি শপথ নিয়ে প্রথম অফিস করেন ২৮ ফেব্রুয়ারি। বর্তমান কমিশন সবার সঙ্গে পরামর্শ করে সেই অনুযায়ী নির্বাচনের রোডম্যাপ তৈরির কাজে হাত দিতে চায়।

প্রয়োজনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আবারও বিভিন্ন দল ও মহলের সঙ্গে বসতে পারে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি। কাজী হাবিবুল আউয়াল নেতৃত্বাধীন কমিশনের অধীনেই আগামী ২০২৩ সালে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।