৭ নভেম্বর

১৯৭৫ সালে সংঘটিত ৭ নভেম্বরের ঘটনায় প্রধানত বীর উত্তম ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খালেদ মোশাররফ এবং বীর উত্তম কর্নেল আবু তাহেরের নাম আলোচনায় উঠে আসে। ১৫ আগস্ট পরবর্তী ৩ নভেম্বর এবং ৭ নভেম্বর ঘটনায় মূল কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসেন এ দুজন। ৩ নভেম্বর এবং ৭ নভেম্বরের ঘটনা এবং ক্ষমতার লড়াইকে ঘিরেই মুক্তিযুদ্ধের এই দুই অনন্য অদম্য সাহসী সেক্টর কমান্ডার নিহত হন। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খালেদ মোশাররফ নিহত হন ৭ নভেম্বর সিপাহী বিদ্রোহীর দিনে ভোর বেলায়। অন্যদিকে ৭ নভেম্বরের ঘটনার জের ধরে ৭৬ সালের ২১ জুলাই ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয় কর্নেল আবু তাহেরকে। জেনারেল জিয়ার নকশা অনুযায়ী সামরিক ট্রাইব্যুনালে গোপন বিচারের মধ্য দিয়ে তাহেরকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়। ২১ জুলাই ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে স্বাধীন

By জাহিদ রহমান on বৃহস্পতিবার, ০৯ নভেম্বর ২০১৭ ১১:৩৩

বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া সেনা অভ্যুত্থানগুলি নিয়ে প্রতি বছরই সংবাদপত্রে বিভিন্ন লেখা প্রকাশিত হয়। অভ্যুত্থানগুলির সময় চাকুরিতে ছিলেন সেনাবাহিনীর এমন অবসরপ্রাপ্ত অফিসার, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সাংবাদিক এবং অন্যান্য গবেষকদের লেখা বিভিন্ন বইতেও সেই ঘটনাগুলি বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সেনা অভ্যুত্থানগুলি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সূচিত করেছিল বড় পরিবর্তন। কিন্তু সেই ঘটনাগুলির সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর নানা লেখালেখির পরও জানা যায়নি। ঘটনার বিবরণ পাওয়া যায়, কিন্তু কেন ঘটনাগুলি ঘটেছিল তা সম্পর্কে প্রকৃত তথ্য জানা সম্ভব হয় না। এই দিকগুলি নিয়ে অনুসন্ধান এবং গবেষণার উদ্যোগও খুব কম। ফলে খালেদ মোশাররফ, জিয়াউর রহমান এবং আবুল মঞ্জুরের মতো মুক্তিযোদ্ধা সামরিক অফিসা

By ড. নাদির জুনাইদ on মঙ্গলবার, ০৭ নভেম্বর ২০১৭ ১৫:৩০

আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ শিশুর সুস্থ, মানসিক ও সৃজনশীল বিকাশের জন্য প্রকৃত ইতিহাস জানা অত্যন্ত জরুরি। ইতিহাস তথা কোন বিষয় প্রতিষ্ঠার পিছনে যে সব ঘটনাগুলো রয়েছে সেগুলো জানা থাকলে সুনির্দিষ্ট ভবিতব্য তথা দেশের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্বন্ধে জানা সহজতর হয়। সেক্ষেত্রে অভিভাবক ও সচেতন মহলের দায়িত্ব থাকবে নতুন প্রজন্মের নিকট তথা আগামী দিনের ভবিষ্যতের নিকট সঠিক তথ্য সরবরাহ করা। কারণ শিশুরা তাদের অভিভাবকদের কাছ থেকে যে বিষয়ে আত্মস্থ জ্ঞান লাভ করে থাকে সে বিষয়টাকেই সঠিক হিসেবে মনে করে থাকে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, কোচিং এর শিক্ষকরা কোন বিষয়ে ভুল শিক্ষা দিলেও ছোট্ট শিশুটি সেটিকেই আত্মস্থ করে বুঝতে শিখে। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে, সঠিক তথ্য তথা ইতিহাসের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। কাজেই, সঠিক ই

By মো. সাখাওয়াত হোসেন on মঙ্গলবার, ০৭ নভেম্বর ২০১৭ ১১:৪৪

৭ নভেম্বর ‘বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনায়’ নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত হয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলন বেগবান করার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে বিবৃতি দেন খালেদা জিয়া। ওই বিবৃতিতে তিনি বলেন: বিদেশি শক্তির এ দেশীয় চররা ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াকে হত্যা করে। জিয়া শাহাদাতবরণ করলেও তার আদর্শে বলীয়ান মানুষ দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষায় এখনো দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ। বিবৃতিতে বর্তমান সরকারের কড়া সমালোচনা করে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন: সরকারের নতজানু নীতির কারণে দেশের সার্বভৌমত্ব দিন দিন দুর্বল হয়ে পড়ছে। গোপন চুক্তির মাধ্যমে রাজনীতি, অর্থনীতি ও সংস্কৃতিকে নিয়ন্ত্রণ করে প্রভুত্ব কায়েমের বেপরোয়া কার্যক্রম অব্যাহত

By সাইফুল্লাহ সাদেক on মঙ্গলবার, ০৭ নভেম্বর ২০১৭ ১০:৫৮

৩ নভেম্বরের অভ্যুত্থানের দিন থেকেই জিয়ার অনুসারী সেনা এবং কর্নেল তাহেরের সৈনিক সংস্থা পাল্টা অভ্যুত্থানের প্রস্তুতি নিতে থাকে। মুক্তিযুদ্ধে ভারতে গেরিলা প্রশিক্ষণ দেয়া, ২ নম্বর সেক্টর এবং কে ফোর্সের বীর সেনা খালেদ মোশাররফকে ‘ভারতপন্থী’ বানিয়ে সেনানিবাসগুলোতে শুরু হয় প্রচারণা,বিলি করা হয় লিফলেট। এই প্রচার-অপপ্রচারের কারণে ৭ নভেম্বর মুক্তিযোদ্ধা সেনাদের রক্ত ঝরা অধ্যায়ের সূচনা দেখে বাংলাদেশ। খালেদ মোশাররফ ভারতপন্থী প্রচারণার ফসল ৭ নভেম্বরের পাল্টা অভ্যুত্থানে কর্নেল তাহেরের বিপ্লবী সৈনিকেরা বন্দি থাকা জিয়াকে মুক্ত করে। জিয়ার মুক্তি পরবর্তী পরিস্থিতি ফুটে উঠেছে ৩ নভেম্বর অভ্যুত্থানের অন্যতম সেনা কর্মকর্তা শাফায়েত জামিলের বইয়ে। ‘একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ, রক্তাক্ত মধ্য

By নাসিমুল শুভ on সোমবার, ০৬ নভেম্বর ২০১৭ ২৩:১৪

১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর রক্ত মাড়িয়ে ক্ষমতায় আসা খন্দকার মোশতাক আর খুনি মেজরদের ৮১ দিনের অবৈধ শাসনের অবসান ঘটিয়ে খুনিদের মদদে সেনাপ্রধানের আসনে বসা জিয়াউর রহমানকে বন্দী করেন খালেদ মোশাররফ। তবে মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনে সফল এই নায়ক অভ্যুত্থানের পর সবদিক গুছিয়ে উঠতে পারেননি। তিনি সেনাবাহিনীতে চেইন অব কমান্ড ফেরাতে চাইলেও জিয়ার অনুসারী সেনা এবং কর্নেল তাহেরের অনুগত বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা অভ্যুত্থানের দিন থেকেই পাল্টা অভ্যুত্থানের প্রস্তুতি নিতে থাকে। বিনা রক্তপাতে খালেদ মোশাররফের অভ্যুত্থানের মাত্র ৪ দিনের মাথায় ৭ নভেম্বরের পাল্টা অভ্যুত্থানে মুক্তিযোদ্ধা সেনাদের রক্তঝরা অধ্যায়ের সূচনা দেখে বাংলাদেশ। কর্নেল (অব.) জাফর ইমাম বীর বিক্রমের লেখা

By নাসিমুল শুভ on সোমবার, ০৬ নভেম্বর ২০১৭ ২০:৪৫

১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর। তৎকালীন ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফ এবং কর্নেল শাফায়াত জামিল ৪৬ পদাতিক ব্রিগেডের সহায়তায় সামরিক অভ্যুত্থান ঘটান। অভ্যুত্থানের পর সেনা প্রধান জিয়াউর রহমানকে পদ থেকে সরিয়ে গৃহবন্দী করা হয়। তবে অভ্যুত্থান পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় বঙ্গভবনে ক্ষমতার নাটকীয় পরিবর্তন ঘটে। ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফ মেজর জেনারেল হিসেবে পদোন্নতি নিয়ে সেনাপ্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। আর বিচারপতি সায়েমকে রাষ্ট্রপতি করা হয়। খালেদ মোশাররফের অভ্যুত্থান মাত্র তিনদিন স্থায়ী হয়। কর্নেল তাহেরে নেতৃত্বে জাসদ অনুগত বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার সদস্যরা পাল্টা অভ্যুত্থান ঘটিয়ে জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করেন। সেই পাল্টা অভ্যুত্থানেই বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার হাতে নিহত হন সেনা প্রধান খালেদ মোশাররফ।

By মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ on সোমবার, ০৬ নভেম্বর ২০১৭ ২০:২৬

পঁচাত্তরের ৩ নভেম্বর মেজর জেনারেল খালেদ মোশাররফ কর্নেল শাফায়াত জামিলের নেতৃত্বাধীন ৪৬ পদাতিক ব্রিগেডের সহায়তায় সামরিক অভ্যুত্থান ঘটিয়ে জিয়াউর রহমানকে চিফ অফ আর্মি স্টাফ হিসেবে পদত্যাগ করতে বাধ্য করে তার ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের বাসভবনে গৃহবন্দী করে রাখেন। খালেদ মোশারফের নির্দেশে তাকে বন্দী করে রাখার দায়িত্বে ছিলেন তরুণ ক্যাপ্টেন হাফিজুল্লাহ। জিয়াউর রহমান যেন কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারেন সেজন্য তার বাসার টেলিফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়। কিন্তু ক্যাপ্টেন হাফিজুল্লাহ ভুলে যান জিয়ার বেডরুমেও একটি টেলিফোন ছিল। জিয়া কৌশলে বেডরুম থেকে ফোন করেন কর্নেল তাহেরকে। খুব সংক্ষেপে বলেন "সেভ মাই লাইফ"। সেই একটি ফোনকলই শেষ পর্যন্ত হয়ে ওঠে ইতিহাস নির্ধারক। এই ফোন পেয়ে সে

By সাখাওয়াত আল আমিন on সোমবার, ০৬ নভেম্বর ২০১৭ ১৭:৪৩

আর কদিন পরেই ৭ই নভেম্বর। এ দেশের ইতিহাসের কলঙ্কজনক একটি দিন। বিপথগামী সেনা সদস্যদের হাতে সেদিন নির্মমভাবে নিহত হত মুক্তিযুদ্ধের তিন কিংবদন্তী মুক্তিযোদ্ধা।  “কে” ফোর্সের খালেদ মোশাররফ, ক্র্যাক প্লাটুনের স্বপ্নদ্রষ্টা মেজর হায়দার, আর আগড়তলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামী কর্নেল হুদা। দশম বেঙ্গল রেজিমেন্টের সদর দপ্তরে অবস্থানকালে সকালে তাদের একেবারে কাছ থেকে গুলি করে হত্যা করে দুজন কোম্পনি কমান্ডার আসাদ এবং জলিল। যারা ছিলো কর্নেল তাহেরের “বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা” র সদস্য। শুধু এই তিনজনকেই নয়, সাংবাদিক অ্যান্থনি ম্যাসকারেনহ্যাস এ ব্যাপারে তাঁর “বাংলাদেশ, এ লিগ্যাসি অফ ব্লাড” গ্রন্থে লিখেছেন ‘এ ছাড়াও এদিন উচ্ছৃংখল জওয়ানরা একজন মহিলা ডাক্তার (ক্যাপ্টেন হামিদা) সহ ১৩ জন সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা কর

By রাজেশ পাল on শনিবার, ০৪ নভেম্বর ২০১৭ ২২:১৮

সাত নভেম্বরকে কীভাবে দেখবো আমরা? বিএনপি, আওয়ামী লীগ নাকি জাসদের রাজনৈতিক দৃষ্টিতে? নাকি ৭ নভেম্বর নিহত তিন বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেদ মোশাররফ, হায়দার ও হুদার পরিবারের মতো করে? এখনো জেনারের খালেদ মোশাররফের মেয়ে বাবার হত্যাকাণ্ডের জন্য মামলা করতে চান। কর্নেল হুদার ছেলে চান সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে যেন একটি তদন্ত হয়। আর লে. কর্নেল হায়দারের স্বজনরা চান সরকার এসব হত্যাকাণ্ডের বিচার করুক। এসব নিয়ে এখন অন্য কেউ কথা বলেন না। ইতিহাসের পাতায় কীভাবে মূল্যায়িত হবে ৭ নভেম্বর? ৪১ বছর পরও বিতর্ক অব্যাহত আছে। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর যে রাজনৈতিক দলের অস্তিত্ব ছিল না, তারাই ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করে দিনটির। সেদিন যে অভ্যুত্থানের নেতৃত্বে ছিলো জাসদের গণবাহিনী আর তাদের সহযোগী সৈনিক সংস্থা, সেই জাসদ ন

By প্রণব সাহা on সোমবার, ০৭ নভেম্বর ২০১৬ ১৫:১৬