৫ জানুয়ারি

৫ জানুয়ারি দেশের ইতিহাসে কলঙ্কের দিন তো বটেই আওয়ামী লীগের জন্যও তা সবচেয়ে বড় কলঙ্কের দিন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার সন্ধ্যায় সুপ্রিম কোর্টের শহীদ শফিউর রহমান মিলনায়তনে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন মির্জা ফখরুল। ৫ জানুয়ারি ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি। মির্জা ফখরুল বলেন: এখনও এক দেশ এক নেতার শাসন চলছে। স্বৈরতন্ত্র একটু ভিন্নভাবে জেঁকে বসেছে। পোশাকটা শুধু আলাদা। তারা গণতন্ত্র ধ্বংস করে দিয়েছে। বিচার বিভাগ, শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। পার্লামেন্ট আগেই নিয়েছে। ‘একটি দেশের সর্বোচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতিকে জোর করে ছুটিতে পাঠিয়েছে। দেশত্যাগে বাধ্য করেছে। এমন

By চ্যানেল আই অনলাইন on শুক্রবার, ০৫ জানুয়ারী ২০১৮ ২২:১৩

৫ জানুয়ারি! বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির জন্য একটি দু:সহ দিন। ২০১৪ সালের এই দিনে দলটি জাতীয় নির্বাচনে অংশ না নিয়ে যে ঐতিহাসিক ভুল করেছিল ২০১৮ সালের ৫ জানুয়ারি এসেও তার খেসারত দিচ্ছে। চার বছর আগে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের চিত্র যেমন ছিল; আজ যেন তার কোনো ব্যতিক্রম নেই। নেতাকর্মী শূন্য দলীয় কার্যালয়ের চারপাশ ঘিরে শুধু আইনশৃংঙ্খলা বাহিনীর লোকজন আর গণমাধ্যমকর্মীদের তৎপরতা ছাড়া আর কিছুই দেখা যায়নি।সেখানে বিএনপির কোনো রাজনৈতিক তৎপরতা দেখা যায়নি। যদিও ৫ জানুয়ারিকে 'গণতন্ত্র হত্যা দিবস' হিসেবে অবহিত করে সারাদেশে কালো পতাকা মিছিল এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছিল বিএনপি। কিন্তু গতকালই নিশ্চিত হয়ে যায় যে সমাবেশের অনুমতি পায়নি বিএনপি। পরে প্রে

By চ্যানেল আই অনলাইন on শুক্রবার, ০৫ জানুয়ারী ২০১৮ ১২:১৩

ঢাকা মহানগর পুলিশের কাছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৫ জানুয়ারি সমাবেশ করার অনুমতি না পেয়ে নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করার অনুমতি চেয়েছিল বিএনপি। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে রাস্তায় সমাবেশ করতে দেয়ার কোন সুযোগ নেই। বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাছে পল্টনে সমাবেশের অনুমতি চায় বিএনপির প্রতিনিধি দল। ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার শিবলী নোমান চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন: নয়া পল্টনে কারো কোন সমাবেশ করার সুযোগ নেই। রাস্তার উপর সমাবেশ করা কোনভাবেই সম্ভব নয়। তাছাড়া রাস্তায় সমাবেশ করার অনুমতি দিতে পারে সিটি করপোরেশন, আমরা না। এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় সমাবেশের অনুমতি চাইতে ডিএমপি সদর দপ্তরে যায় বিএনপির তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল।

By চ্যানেল আই অনলাইন on বৃহস্পতিবার, ০৪ জানুয়ারী ২০১৮ ২২:১৩

৫ জানুয়ারি গণতন্ত্র হত্যা দিবস পালনে বিএনপি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের অনুমতি পায়নি বলে জানিয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন: ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণে আওয়ামী লীগকে সমাবেশের অনুমতি দিলেও বিএনপিকে দেয়া হয়নি। এর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের কথাও বলেন তিনি। বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ্র্যাজুয়েটস প্রতিনিধি নির্বাচনের জাতীয়তাবাদী পরিষদের পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন মির্জা ফখরুল। সেসময় তিনি বলেন: ১৯৭৫ সালে আওয়ামী লীগ প্রথম গণতন্ত্র হত্যা করে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি এসে দ্বিতীয়বার হত্যা করলো। এ কারণে বিএনপি ৫ জানুয়ারি গণতন্ত্র হত্যা দিবস পালন করবে। বিএনপি শুক্রবার কালো পতাকা মিছিল করবে কি না সে বিষয়ে পরবর্তীত

By চ্যানেল আই অনলাইন on বৃহস্পতিবার, ০৪ জানুয়ারী ২০১৮ ১৯:১৫

আজ ৫ জানুয়ারি বর্তমান সরকারের সাফল্যের তিন বছর। ২০১৪ সালের এইদিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ টানা দ্বিতীয়বার সরকার গঠন করে। তবে ওই নির্বাচনে বর্জন করে বিএনপিসহ অধিকাংশ নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল। সাফল্যের এই তিনবছর দিনটকে বর্তমান সরকারের তিন বছরকে সাফল্যের বছর বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী ও উপদেষ্টা মন্ডলীর যৌথ সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সরকারের উন্নয়নের দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা, আন্তরিকতা এবং সরকারের ধারাবাহিকতার কারণেই এই সাফল্য এসেছে। অন্যদিকে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ হিসেবে ওইদিন বিএনপি সারা দেশে ‘কালো পতাকা’ মিছিল করার ঘোষণা দিয়েছে। সেই সাথে আজ বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিশেষ আদালতে হাজিরার দিন ধার্য থাক

By চ্যানেল আই অনলাইন on বৃহস্পতিবার, ০৫ জানুয়ারী ২০১৭ ০৯:০৮

২০১৫ সালটি কেমন গেল? বছর শেষে এমন প্রশ্ন সকলকে কম বেশি ভাবায়। কোনো বছর প্রত্যাশার চেয়ে প্রাপ্তি বেশি; কোনো বছর উল্টো। ব্যক্তি জীবনে যেমন চাওয়া-পাওয়ার ব্যালেন্স সিট আছে; তেমনি আছে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক জীবনে। ২০১৫ সালটি বাংলাদেশের জন্য হতে পারত নিরবিচ্ছিন্ন উন্নয়নের বছর। অর্থনৈতিক এবং সামাজিক ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত উন্নয়ন এলেও রাজনৈতিক উন্নয়ন সহজে আসেনি। বছরের শুরুতে মানুষ পোড়ানোর আন্দোলন এবং জঙ্গিবাদী টার্গেট কিলিং উৎকণ্ঠায় রেখেছে দেশবাসীকে। তবে আশার কথা এই যে সবরকমের সহিংস রাজনীতিতে ব্যর্থ হয়ে স্বাধীনতা বিরোধীরা বছর শেষে পৌর নির্বাচনে অংশ নিয়ে আগামী বছরে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার আভাস দিয়েছে। আগামী বছরে রাজনীতি স্থিতিশীল থাকলে পরবর্তী অর্থ বছরের জন্য অর্থনৈ

গত দুটি বছরই ৫ জানুয়ারিকে ঘিরে উত্তপ্ত ছিলো সারাদেশ। পেট্রোল বোমা এবং হরতাল অবরোধের চাপে পড়ে ভুগতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। এবার ৫ জানুযারি সেই হিসেবে অনেকটাই স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ। পরিস্থিতি দেখে রাজনীতি বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সহিংসতার রাজনীতি থেকে ফিরে আসছে বিএনপি।জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক বশির আহমেদ বলেন, এবছর ৫ জানুয়ারিকে ঘিরে সহিংসতার ঘটনা খুব কম। কারণ সহিংসতার রাজনীতি যারা করতো তারা বুঝতে পেরেছে এই রাজনীতি দিয়ে বেশিদিন চলবে না।‘সহিংসতা দমনে অবশ্য বর্তমান সরকারেরও ভূমিকা আছে। সরকার এসব নিয়ন্ত্রণে যেমন বেশ কিছু কর্মসূচী নিয়েছে তেমন সেসব বাস্তবায়নও করেছে। তাতেই সহিংস সব কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছে,’ বলে মনে করেন এ রাষ্

গত দুটি বছরই ৫ জানুয়ারিকে ঘিরে উত্তপ্ত ছিলো সারাদেশ। পেট্রোল বোমা এবং হরতাল অবরোধের চাপে পড়ে ভুগতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। এবার ৫ জানুযারি সেই হিসেবে অনেকটাই স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ। পরিস্থিতি দেখে রাজনীতি বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সহিংসতার রাজনীতি থেকে ফিরে আসছে বিএনপি।জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক বশির আহমেদ বলেন, এবছর ৫ জানুয়ারিকে ঘিরে সহিংসতার ঘটনা খুব কম। কারণ সহিংসতার রাজনীতি যারা করতো তারা বুঝতে পেরেছে এই রাজনীতি দিয়ে বেশিদিন চলবে না।‘সহিংসতা দমনে অবশ্য বর্তমান সরকারেরও ভূমিকা আছে। সরকার এসব নিয়ন্ত্রণে যেমন বেশ কিছু কর্মসূচী নিয়েছে তেমন সেসব বাস্তবায়নও করেছে। তাতেই সহিংস সব কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছে,’ বলে মনে করেন এ রাষ্

আওয়ামী লীগ ও বিএনপি’র সমাবেশকে ঘিরে রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে পুলিশ। বেধে দেওয়া শর্ত সাপেক্ষে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের দলীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগ এবং নয়াপল্টন কেন্দ্রিয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করবে বিএনপি। সমাবেশের সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছে এনেছে দু’দল। এ উপলক্ষে রাজধানীতে পুলিশ, র্যা বসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় দশ হাজার সদস্য মোতায়েন থাকবে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে রাত থেকে দুই স্থানেই অতিরিক্ত পুলিশ পাহারা বসানো হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যেকোন ধরনের নাশকতা ঠেকাতে তৎপর রয়েছে তারা।

আওয়ামী লীগ ও বিএনপি’র সমাবেশকে ঘিরে রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে পুলিশ। বেধে দেওয়া শর্ত সাপেক্ষে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের দলীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগ এবং নয়াপল্টন কেন্দ্রিয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করবে বিএনপি। সমাবেশের সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছে এনেছে দু’দল। এ উপলক্ষে রাজধানীতে পুলিশ, র্যা বসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় দশ হাজার সদস্য মোতায়েন থাকবে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে রাত থেকে দুই স্থানেই অতিরিক্ত পুলিশ পাহারা বসানো হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যেকোন ধরনের নাশকতা ঠেকাতে তৎপর রয়েছে তারা।