২৫ মার্চ

আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এর সূচনা হয়েছিল পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পরপরই, মহান ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। এই আন্দোলন ছিল ধর্মনিরপেক্ষ আন্দোলন এবং এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে ছিলেন প্রধানত শিক্ষিত শ্রেণি-ছাত্র ও বুদ্ধিজীবীরা। এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে কালক্রমে এক নতুন রাজনৈতিক নেতৃত্বের উন্মষ ঘটেছিল, এক নতুন রাজনৈতিক দলের আবির্ভাব হয়েছিল। এই ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আবির্ভূত হয়েছিলেন বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে এবং আওয়ামী লীগের জন্ম হয়েছিল এই বাংলার সব সম্প্রদায়ের জনগণের জাতীয় প্ল্যাটফর্ম হিসেবে।শেখ মুজিব ও আওয়ামী লীগের নেতত্বে এই অঞ্চলের সব সম্প্রদায়ের মানুষ হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান-এক অখ

By চিররঞ্জন সরকার on রবিবার , ২৬ মার্চ ২০১৭ ০৮:২৭

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যখন রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে আক্রমণ করে, তখন সেখানে থাকা পুলিশ সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পুলিশ লাইনে সহস্রাধিক বাঙালি পুলিশ সদস্য ছিলেন। প্রতিরোধ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন চার শতাধিক সদস্য। পাকিস্তানী হানাদারদের উন্নত অস্ত্র-সজ্জিত শক্তির সামনে থ্রি নট থ্রি রাইফেলস নিয়ে সেদিন বীরদর্পে লড়াই করেন পুলিশ সদস্যরা।প্রতিরোধ যুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মো: শাহজাহান মিয়া ও আব্দুল আলী খান। যুদ্ধের শুরুতেই সারা দেশের পুলিশ স্টেশনগুলোতে বেতারের মাধ্যমে হানাদারদের আক্রমণের খবর ছড়িয়ে দিয়েছিলেন তখনকার ওয়্যারলেস অপারেটর কনস্টেবল শাহজাহান মিয়া। জীবন বাজি রেখে পাগলা ঘণ্টা বাজিয়ে পুলিশ লাইনের অভ্যন্তরে সৈন্যদের সতর

By সাইফুল্লাহ সাদেক on শনিবার, ২৫ মার্চ ২০১৭ ১৭:০৫

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের আয়োজনে সপ্তাহব্যাপী ‘মুক্তিসংগ্রাম নাট্যোৎসব’র অংশ হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের আর্ট ক্যাম্প ও স্মারক প্রদর্শনী শুরু হয়েছে।শনিবার সকাল ১০টায় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের প্রাঙ্গণে উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন।উদ্বোধনী বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, ‘বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের পাশাপাশি কৃষক শ্রমিক শিল্পী সাহিত্যিক কলা-কুশলীদের অবদান রয়েছে।এ সময় শিল্পী সমর জিৎ রায় চৌধুরী, ভাস্কর হামিদুজ্জামান, বীরেন সোম, দুলাল চন্দ্র গায়েন, আইভি জামান, গোপাল চন্দ্র ত্রিবেদী, চঞ্চল চৌধুরী, ড. আজহারুল ইসলামসহ তরুণ প্রজন্মের শিল্পী ও কলাকুশলীগণ উপস্থিত ছিলেন।এছাড়া কেন্দ্রীয়

By মাহমুদুল হক সোহাগ on শনিবার, ২৫ মার্চ ২০১৭ ১৬:৩৭

গণহত্যা দিবসের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন সাংবাদিকরা। তারা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমসহ কূটনৈতিকভাবে গণহত্যা দিবস পালনের দাবির বিষয়টি বেশি করে উঠে না আসলে মানব ইতিহাসের বর্বরতম এই ঘটনা আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি অর্জনে ব্যর্থ হবে।জাতীয় প্রেসক্লাবের আলোচনা সভায় তারা বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যে গণহত্যা চালিয়েছিলো তা বিশ্ব ইতিহাসে নজির বিহীন। মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সৈন্যদের বর্বর নির্যাতন সময় ও হত্যার সংখ্যায় বিশ্বের জঘন্যতম একটি গণহত্যা।৯ ডিসেম্বর জাতিসংঘ গণহত্যা দিবস পালন করলেও ৯ মাসে বাংলাদেশে গণহত্যার বিষয়টি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায় করার দাবি তাদের। মুক্তিয

By সঞ্জয় চাকী on শনিবার, ২৫ মার্চ ২০১৭ ১৫:৪৯

আন্তর্জাতিকভাবে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালনে বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর পাশাপাশি বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে।পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম জানিয়েছেন, অন্য দেশগুলোর পার্লামেন্টের সমর্থন পেতে তৎপরতা শুরু করেছে মন্ত্রণালয়। চলছে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও প্রক্রিয়া শুরুর কাজ।একাত্তরের সাত মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের পর বাঙালি যখন স্বাধীনতার জন্য মরিয়া তখন কাপুরোষচিত আক্রমণ করেছিলো পাকিস্তানী বাহিনী। পঁচিশ মার্চের সেই রাত তাই কালরাত হিসেবে বিবেচিত বাংলাদেশের ইতিহাসে। এবার তার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি চায় বাংলাদেশ। তবে ২০১৫ সালে জাতিসংঘ ‘৯ ডিসেম্বর’কে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস ঘোষণা করায় এখন বাংলাদেশ ঘোষিত পঁচিশে মার্চ’র আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেত

By পান্থ রহমান on শনিবার, ২৫ মার্চ ২০১৭ ১১:১২

২৫ মার্চ ১৯৭১। মধ্যরাত থেকে শুরু হয় বাঙ্গালি নিধনে ভয়াল এক গণহত্যা। ১৯৪৮ সালে একরাতে ৩০ হাজার মানুষ হত্যা করে যেভাবে বেলুচিস্তানের স্বাধীনতা আন্দোলনকে দমন করেছিল পাকিস্তান সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় অপারেশন সার্চ লাইট নামে চালানো হয় গণহত্যা। ওই রাতেই স্বাধীনতার ঘোষণা দেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণের পর থেকে হানাদাররা বুঝতে পারে বাঙালিকে দমানো যাবে না। নীল নকশার অংশ হিসেবে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও ইপিআরের বাঙ্গালি কর্মকর্তাদের গুরুত্বপুর্ণ জায়গা থেকে বদলি ও নিরস্ত্র করতে শুরু করে। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে আলোচনার নামে কালক্ষেপণের নাটক করে ইয়াহিয়া খান। আর এই ফাঁকে পশ্চিম পাকিস্তান থেকে আনে ৩০ হাজার সৈন্য।১৯৭১ সালের ২২ মার্চ বাঙ্গালি নিধনে অপারেশন সার্চ লাই

By সামসুদ্দোহা পান্না on শনিবার, ২৫ মার্চ ২০১৭ ১০:৫৪

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ বসন্ত ঋতুর আলো ঝলমলে দিনের পর তৎকালীন পূর্ব বাংলার রাজধানী ঢাকায় নেমে এসেছিলো বিভীষিকাময় রাত। বিশ্ববাসী প্রত্যক্ষ করেছে এই রাতে কীভাবে স্বাধীনতাকামী নিরস্ত্র ও ঘুমন্ত বাঙালির ওপর মানব ইতিহাসের সবচেয়ে নৃশংস গণহত্যায় মেতে উঠেছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। পাকিস্তানি সামরিক জান্তার হাত থেকে রক্ষা পেতে স্বাধীনতাকামী বাঙালি ব্যালটের মাধ্যমে ১৯৭০ সালে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগকে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা এনে দেয়। ফলে পাকিস্তানের দুই যুগের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী বাঙালিদের হাতে ক্ষমতা যাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়। তাই ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠে পাকিস্তানের সামরিক জান্তা। ঘটনা পরিক্রমায় সামরিক শাসক

By সম্পাদনা পর্ষদ on শুক্রবার, ২৪ মার্চ ২০১৭ ২৩:১৫

২৫ মার্চ, ১৯৭১ তারিখের শেষ প্রহরে ‘অপারেশন সার্চলাইটের’ মধ্য দিয়ে পাকিস্তান সামরিক বাহিনী বাঙালি গণহত্যা ও নির্যাতন শুরু করে। পাকিস্তানিদের এই বর্বরতায় বাংলাদেশের কমপক্ষে ত্রিশ লক্ষ মানুষ প্রাণ হারায়, কমপক্ষে পাঁচ লক্ষ নারী ধর্ষণ ও নির্মম পাশবিক নির্যাতনের শিকার, প্রায় এক কোটি মানুষ প্রাণ বাঁচাতে ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করে। আর এসবের পরিণতিতে নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ তারিখে বিজয় অর্জন করে। বাংলাদেশের মানুষের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের এই গণহত্যা ও নির্যাতন ছিল পরিকল্পিত; তথ্য-প্রমাণ হতে এই বিষয়টি সুস্পষ্ট; এমনকি পাকিস্তানি জেনারেলদের ভাষ্যেও বিষয়টি উঠে এসেছে।সত্তরের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ পাকিস্তানের সা

By সাব্বির হোসাইন on শুক্রবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৭:৫৪

বাঙালীর গর্বের, গৌরবের মাস মার্চ। এই মাসেই ঘোষিত হয় বাঙালীর স্বাধীনতা, বাংলাদেশ নামের একটি নতুন দেশের স্বাধীনতা। বঙ্গবন্ধুর ডাকে বাঙালী ঝাঁপিয়ে পড়ে মুক্তির মরণপণ লড়াইয়ে।গোপনে পাকিস্তানে পালিয়ে যান ইয়াহিয়া খান, আর যাবার আগে নির্দেশ দিয়ে যান নিরস্ত্র বাঙালীর ওপর সশস্ত্র হামলার। মধ্যরাতেই ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘুমন্ত বাঙালীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে পাকিস্তানী হানাদারদাররা।রাজারবাগ পুলিশ লাইন, পিলখানা ইপিআর সদর দপ্তর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ গোটা ঢাকা নগরীর ওপর এদিন ঝাঁপিয়ে পড়ে নরপিশাচ পাকিস্তানী হানাদাররা। চালায় মধ্যযুগীয় পৈশাচিক হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ। ২৫ মার্চ রাতে গ্রেফতার করা হয় বঙ্গবন্ধুকে। তার আগেই ইপআিরএর ওয়্যারলেসের মাধ্যমে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্

বাঙালি জাতির ইতিহাসের নৃশংস হত্যাযজ্ঞের কালো দিন ২৫ মার্চকে ‘গণহত্যা দিবস’ হিসেবে সরকারি ঘোষণা এবং আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস হিসেবে জাতিসংঘের স্বীকৃতি আদায়ের দাবি জানিয়েছে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সাব্বির খানের পক্ষ থেকে প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই দাবি জানানো হয়।শহীদ জননী জাহানারা ইমাম ২৪ বছর আগে ২৫ মার্চ গণহত্যার কালোরাত্রি হিসেবে পালনের জন্য যে আলোর মিছিলের সূচনা করেছিলেন তা সংগঠনটির পক্ষ থেকে অব্যাহত রাখা হয়েছে জানিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ‘বাংলাদেশে গণহত্যা’-র আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির জন্য প্রচার অভিযান চালানোর সিদ্ধান্তের কথাও বলা হয়।“কারণ পশ্চিমের শক্তিধর দেশগুলো সহ বিশ্বের অধি