২৫শে মার্চ

২৫ শে মার্চ। তারিখ অার এই শব্দটিই ভয়াবহ হয়ে উঠেছে ১৯৭১ সালের পর থেকে। এই দিনে বাংলাদেশে নারকীয় হত্যাকাণ্ড চালায় হানাদার পাকিস্তানি বাহিনী। তবে সেই ২৫শে মার্চের নারকীয়তা নিয়েও সন্দেহের বীজ আছে যেন অনেকের মনে। সেই নারকীয়তার পরে নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে প্রাণ হারানো ৩০ লাখ শহীদের কথা যেন মানতে চান না অনেকেই। কেউ কেউ সন্দেহ প্রকাশ করেন এই সংখ্যাটি নিয়েও। সেই সন্দেহের অবকাশ না রাখতেই সংসদে ২৫ শে মার্চকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে পালনের প্রস্তাব দেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের এমপি শিরিন আখতার।চ্যানেল আই অনলাইনকে তিনি শোনান সেই গল্পই। বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি বড় অংশ হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ। সেটার প্রাক্কালে পাকিস্তানি বাহিনীর ঘটানো গণহত্যা বিশদ বর্ণনা ও আলোচনার অংশ হওয়ার কথা। কিন্তু সে

By শর্মিলা সিনড্রেলা on শনিবার, ২৫ মার্চ ২০১৭ ১২:১৮

২৫শে মার্চ বাঙালীর এক কালো অধ্যায়ের নাম। আজ আমরা দিনটি স্মরণ করি কিন্তু অনুভব করি ক’জন। সেই কালো রাতটির কথাই এবার নিজের লেখায় তুলে ধরলেন কবি ও লেখক মুজতবা আহমেদ মুরশেদ। নিজের ফেসবুকে তিনি এই সংক্রান্ত একটি পোস্ট দিয়েছেন।   আজকাল মার্চের পঁচিশ তারিখ এলে মাঝরাতে মোমবাতি জ্বালিয়ে সাংস্কৃতিক কর্মীরা ১৯৭১ এর কালরাত্রিকে স্মরণ করেন। পরদিন স্বাধীনতা দিবসে শুরু হয় সকলের ভেতর আনন্দ উৎসব। হুল্লোর। সেলফি তোলায় হিড়িক। কিন্তু কেমন ছিল ১৯৭১ এর পঁচিশে মার্চের রাত? কেমন থমথমে, বিষন্ন ও ভয়াবহ ছিলো ২৬ মার্চের সকাল, দুপুর আর বিকেল? সে মুহূর্তগুলো ছিল কলজে খামচে ধরা। আমার তখন এগারো বছর বয়স। দিনাজপুর শহরে থাকি। আমার আব্বা এডভোকেট মোহম্মদ আজিজুর রহমান ছিলেন পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য (এ