২১ আগস্ট

ঘটনার প্রায় ১৩ বছর পর আর সাক্ষী শুরুর সাড়ে আট বছর পর ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। আগামী ১২ জুন আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থন কার্যক্রম শুরু হবে। সাক্ষ্যের মাধ্যমে মামলা প্রমাণ করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় ২৪ জন নিহত হওয়ার মামলার বিচার শুরু হয়েছিলো ২০০৮এ, ওয়ান ইলেভেনের সরকারের সময়। এরপর ৬১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের পর ২০০৯ সালে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে আদালতের নির্দেশে মামলার অধিকতর তদন্ত হয়। সিআইডির ওই তদন্তে নতুন করে অভিযুক্ত হন বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, ওই সময়ের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফু

By পরাগ আজিম on মঙ্গলবার, ৩০ মে ২০১৭ ১৭:৫৪

একুশে আগস্ট আওয়ামী লীগের জনসভায় গ্রেনেড হামলা চালিয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টায় ব্যবহৃত গ্রেনেড ও গুলি ২০০৩ সালে এসেছিলো পাকিস্তান থেকে। পাকিস্তানের কাশ্মিরভিত্তিক সংগঠন হিযবুল মুজাহিদীন ও তেহরিক ই জিহাদী ইসলামী-টিজেআই এর দুই নেতার মাধ্যমে সেগুলো আনা হয়। জঙ্গিদের নামে বিভিন্ন সময়ে ইসলামাবাদ থেকে টাকাও পাঠানো হয়।মঙ্গলবার আদালতে দেয়া সাক্ষ্যে এমন তথ্য জানান মামলাটির সর্বশেষ তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার আব্দুল কাহার আকন্দ। এ মামলার সর্বশেষ সাক্ষী ও তদন্ত কর্মকর্তা সাক্ষ্য দেয়া শুরু করেন গত সপ্তাহের শুরুতে। মঙ্গলবার তৃতীয় দিনের মতো ঢাকার এক নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেন তিনি। এদিন কথা বলেছেন গ্রেনেডের উৎস ও জড়িত ব্

By পরাগ আজিম on মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০১৬ ১৯:৪৯

হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি হান্নানের নেতৃত্বে একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলার পরিকল্পনা হয় ঢাকার সাত গম্বুজ মসজিদে বসে। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে জঙ্গি নেতারা হাওয়া ভবনে তারেক রহমানের সঙ্গেও বৈঠক করে। আদালতে দেয়া সাক্ষ্যে ওই ষড়যন্ত্রের বিস্তারিত জানিয়েছেন মামলার সর্বশেষ তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার আবদুল কাহার আকন্দ।একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলার সর্বশেষ সাক্ষী ও তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুল কাহার আকন্দ আদালতে সাক্ষ্য দেয়া শুরু করেছিলেন গত সপ্তাহের শুরুতে। ঢাকার এক নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে সোমবারও সাক্ষ্য দেন তিনি। সাক্ষীর জবানবন্দিতে গ্রেনেড হামলার পরিকল্পনায় জড়িতদের বিষয়ে তথ্য দেন আব্দুল কাহার আকন্দ। গ্রেনেড হামলার উদ্দেশ্য নিয়েও কথা বলেন সিআইড

By পরাগ আজিম on সোমবার, ০৩ অক্টোবর ২০১৬ ১৭:২০

২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার তদন্ত ভিন্ন পথে নিতে সিআইডির দুই তদন্ত কর্মকর্তা ও একজন তদন্ত তদারকি কর্মকর্তা পরস্পর যোগসাজশে জজ মিয়া কাহিনী সাজিয়েছিল, দোষ স্বীকার করা সত্ত্বেও মুফতি হান্নানকে আসামি করা হয়নি। আদালতে দেয়া সাক্ষ্যে এসব জানান মামলার সর্বশেষ সাক্ষী ও তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুল কাহার আকন্দ।একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলার সর্বশেষ সাক্ষী তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার আব্দুল কাহার আকন্দ। ওয়ান ইলেভেনের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় মামলার তদন্ত সঠিক গতিপথ পেলেও গ্রেনেডের উৎস ও হামলার মূল পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে কিছু না থাকায় তাকে সর্বশেষ তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। পুরনো ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগাারের পাশে স্থাপিত ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিশেষ এজল

By পরাগ আজিম on রবিবার , ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৯:২৩

বিগত সংসদ নির্বাচনে অনেক ভুল মানুষকে এমপি পদে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। দল, দেশ, রাজনীতি ও গণমানুষের ঊর্ধ্বে যাদের ভাবনার বিষয় নিজের নেতৃত্ব, কর্তৃত্ব ও অর্থ বিত্ত অর্জনের মজবুত ভিত্তি স্থাপন। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে তৎকালীন বিরোধী দলীয় সংসদ নেতা শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়। তখন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ল্যান্স কর্পোরাল মাহবুবুর রহমান শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা রক্ষী ছিলেন। গ্রেনেড বিস্ফোরণের পর নিজের শরীরকে ঢাল বানিয়ে শেখ হাসিনাকে মঞ্চ থেকে বুলেট প্রুফ গাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দিয়ে গ্রেনেডের স্প্রিন্টার ও গুলির আঘাতে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন মাহবুব। তার স্ত্রী শামীমা আক্তার আসমা দুই ছেলে আশিকুজ্জামান আশিক ও আশরাফুজ্জামান আনাসকে নিয়ে মোহাম্মদ পুরের একটি ৬ তলা

By এখলাসুর রহমান on বৃহস্পতিবার, ২৫ অগাস্ট ২০১৬ ১১:৪৮

পেশাগত কারণেই শুধু নয়, ভাললাগাও ছিল। কথা ছিল অনেকের মতো আমারও ব্যথিত হয়ে শোক করার। কিন্তু হয়নি। এখানেই বাধা দিয়েছে পেশা। অন্য আর দশজনের মত আমাকেও স্বাভাবিক থাকতে হয়েছে।পরপর তিনটি মৃত্যু আমাকে ব্যথিত করেছে। কিন্তু তা নিয়ে ভাবনার সুযোগ হয়নি। এক দণ্ড শোকের সুযোগ আসেনি। তিনটি মৃত্যুই কাছে থেকে দেখেছি। রিপোর্ট করেছি। নিজেকে মনে হয়েছে বুঝি মানুষ নই, রিপোর্টার, যন্ত্র। সকালে দক্ষিণ এশীয় সাংবাদিক সম্মেলনের এ্যাসাইনমেন্ট ছিল। হোটেল শেরাটনে। কেমন যেন ঝিম ঝিম, অস্থির লাগছে। কিছু করতে ইচ্ছে করছে না। সন্ধ্যায় প্রতিবেদন লিখে বসে আছি। একটু দেরি করে গিয়েছিলাম এসাইনমেন্টে। এজন্য ইউএনবি’র নিউজ থেকে নামগুলো মিলিয়ে নিয়ে জমা দেয়ার অপেক্ষা। লম্বা সাদা কাগজে স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রিন্ট হয়ে আসবে এ

By রফিকুল বাসার on বুধবার, ২৪ অগাস্ট ২০১৬ ১৭:০৮

‘সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে বক্তৃতার শেষে জয়বাংলা বলে মাইক রাখা মাত্র গ্রেনেড হামলা শুরু হলো একটার পর একটা। জানিনা আমার কি ভাগ্য! গ্রেনেড ট্রাকের ভেতরেই পরার কথা ছিলো। ডালায় লেগে পাশে পড়ে যায়। নেতা কর্মীরা আমাকে ঘিরে ধরে। আমি বুঝতে পারি আমাকে আগলে রাখা হানিফ ভাইয়ের মাথায় সমস্ত স্প্রিন্টার পড়ছে। মনে হচ্ছিলো কেয়ামত এসে গেছে।’২১ আগস্টের সেই ভয়াল দিনটির স্মরণে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে দেয়া বক্তৃতায় সেই নারকীয় অভিজ্ঞতার এমন বর্ণনাই দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি স্বাধীন দেশ, পার্সপোর্ট, পতাকা দিয়ে গেলেন অথচ তাকে যখন হত্যা করা হয় তখন ষড়যন্ত্রের গভীরতা উপলব্ধী করা যায়। উপরে আল্লাহ ছাড়া আর কারো কাছ

By চ্যানেল আই অনলাইন on রবিবার , ২১ অগাস্ট ২০১৬ ১৭:১৬

২০০৪ থেকে ২০১৬-একযুগ পেরিয়েও বিচারের আলো দেখেনি ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলা। শুরুতে জজ মিয়া নাটক; রাষ্ট্রযন্ত্র থেকে বারবার মামলার তদন্ত কাজ বাধাগ্রস্থ করা। সবশেষে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে আবারও পুনঃতদন্ত শুরু- সাড়ে তিন বছর বাদে পুলিশের বিলম্বিত চার্জশিট। সময়ের সঙ্গে পরিবর্তন এসেছে সবখানেই। শেষ সাত বছর রাষ্ট্র ক্ষমতায় রয়েছে ওই দিন হামলার শিকার রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ। এমনকি দলটির পক্ষ থেকে চার্জশিট ভুক্ত সকল আসামীর সরাসরি জড়িত থাকার কথা বলা হয়েছে বহুবার। তবু অদৃশ্য বন্ধনে আটকে আছে মামলার বিচারের রায়।ওই দিনের নৃশংস হামলার বর্ণনা দিয়ে এ মামলায় এখন পর্যন্ত রায় না হওয়াকে হতাশাজনক বললেও-‘দ্রুত বিচারের চেয়ে সঠিক বিচার কাম্য’ বলে মনে করছেন ওই দিন স্পটে সংবাদ সংগ্রহের দায়িত্

By মাহবুব মোর্শেদ on রবিবার , ২১ অগাস্ট ২০১৬ ১৫:৫৪

২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার মূল হোতা বিএনপির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট তারেক রহমানকে দেশে ফেরত এনে দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ। নিউইয়কের্র জ্যাকসন হাইটসের মেজবান রেস্টুরেন্টে ২১শে আগস্ট উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তারা আরও বলেন, গ্রেনেড হামলার একযুগ পার হলেও এর বিচার সম্পন্ন হয়নি। যা খুবই হতাশাজনক। তারা আরো বলেন, ৭৫ এর ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে জিয়াউর রহমান যেমন জড়িত ছিলেন তেমনিভাবে ২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় তারেক রহমান জড়িত। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বকে চিরতরে মুছে ফেলতেই এ বর্বর হামলা চালানো হয়। বক্তারা বলেন, ষড়যন্ত্র এখনও চলছে। তাই সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ডক্টর সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তৃতা করে

By শাহ ফারুক রহমান on রবিবার , ২১ অগাস্ট ২০১৬ ১৩:১৮

আজ ২১ শে আগস্ট। বঙ্গবন্ধু এভিনিউ এ আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ১২ বছর। ২০০৪ সালে এই দিনে গ্রেনেড হামলায় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বেঁচে গেলেও নিহত হন মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আইভি রহমানসহ ২৪ জন। গুরুতর আহত হন অসংখ্য মানুষ।২১ আগস্ট ২০১৪, দিনটি ছিল শনিবার। বিকেলে সন্ত্রাস ও বোমা হামলার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের সমাবেশ। প্রধান অতিথি সেই সময়ের বিরোধী দলের নেতা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। একটি ট্রাককে মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ভাষণ শেষে ট্রাক থেকে নামতে যাবেন শেখ হাসিনা, ঠিক সেই সময়ে বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে শুরু হয় গ্রেনেড হামলা।একের পর এক গ্রেনেড বিস্ফোরণে মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয় বঙ্গবন্ধু এভিনিউ। ১৩টি গ্রেনেড বিস্ফোরণের বিভৎসতায় রক্ত আর লাশের স্তুপে প

By তারিকুল ইসলাম মাসুম on শনিবার, ২০ অগাস্ট ২০১৬ ২২:০২