২১ আগস্ট

কিছুক্ষণের মধ্যেই বঙ্গবন্ধু এভিনিউ থেকে সন্ত্রাস ও বোমা হামলার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের মিছিল হবে। মিছিলে থাকবেন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা। হাজার হাজার মানুষের স্রোত সমাবেশে। হাজারো মানুষের সমাগমে রীতিমতো মহাসমাবেশের রূপ নিয়েছে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের চতুর্দিক।ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বঙ্গবন্ধুর বাসভবনের সামনে গিয়ে মিছিল শেষ হবার কথা। তাই মঞ্চ নির্মাণ না করে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে একটি ট্রাককে মঞ্চ হিসাবে ব্যবহার করা হয়। ট্রাকের ওপর সে সময়ের প্রায় সব কেন্দ্রীয় নেতা রয়েছেন। চারিদিকে দু’বার ঘুরেছি। গরমে ত্রাহি অবস্থা!ভ্যাপসা গরমে সেদিনের সেই বিকেলে আমরা বেশ কয়েকজন সাংবাদিক রমনা ভবনের সিঁড়িতে বসে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের নোট নিচ্ছিলাম। নিয়মিত তার

By ফরিদ আহমেদ on সোমবার, ২১ অগাস্ট ২০১৭ ১২:৫৮

২১ আগস্ট, ২০০৪। বাংলাদেশের ইতিহাসের এক গভীর কলঙ্কজনক দিন। বিএনপি-জামায়াত জোটের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার চূড়ান্ত নিদর্শন প্রদর্শিত হয়েছিল এই দিন। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিকে দেশ থেকে চিরতরে নির্মূল করে দেয়ার হীন উদ্দেশ্য নিয়ে হায়েনা রুপী ‘হাওয়া ভবন’ গং তার হিংস্রতম রুপ দেখিয়েছিল। গ্রেনেড হামলা চালানো হয়েছিল বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে অনুষ্ঠিত আওয়ামীলীগের সমাবেশে। অথচ আওয়ামী লীগের সেই সমাবেশ ছিল সন্ত্রাস এবং জঙ্গিবাদ বিরোধী শান্তিপূর্ণ সমাবেশ। সময় ৫টা বেজে ২২ মিনিট। তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা তার বক্তব্য শেষ করছেন। ফটোসাংবাদিকদের অনুরোধে কয়েক মুহূর্ত দাঁড়ালেন তিনি। ঠিক সেই সময় অস্থায়ী স্টেজ হিসেবে ব্যবহৃত ট্রাককে লক্ষ্য করে চারদিক থেকে একের পর এক গ্রেন

By আমিনুল হক পলাশ on রবিবার , ২০ অগাস্ট ২০১৭ ২২:১২

সেদিন বিকেলে বঙ্গবন্ধু  এভিনিউ সমাবেশের ডাক দিয়েছিল সেই সময়ের বিরোধী দল আওয়ামী লীগ। সেদিন ট্রাকে দাঁড়িয়ে বক্তৃতা করবেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট। সময় তখন বিকেল ৫টা ২২ মিনিট। ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলে বক্তৃতা শেষ করে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা তার হাতে থাকা একটি কাগজ ভাঁজ করতে করতে এগোচ্ছেন ট্রাক থেকে নামার সিঁড়ির দিকে। সেই সময়েই বিষ্ফোরণ। বিকট শব্দে শেখ হাসিনার পাশেই বিষ্ফোরিত হয় গ্রেনেড।সাধারণত এই ধরনের ট্রাকে সমাবেশগুলোতে কোনো টেবিল রাখা হয় না। কিন্তু সেদিন পেছন থেকে ধাক্কাধাক্কিতে যেন কেউ পড়ে না যায়, সেই ভাবনা থেকেই একটি টেবিল রাখা হয় ট্রাকের উপরে। সেই টেবিলটাই বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জীবন রক্ষায় অনেকখানি ভূমিকা রাখে। কারণ গ্

By শর্মিলা সিনড্রেলা on রবিবার , ২০ অগাস্ট ২০১৭ ২২:০৩

ঘটনার প্রায় ১৩ বছর পর আর সাক্ষী শুরুর সাড়ে আট বছর পর ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। আগামী ১২ জুন আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থন কার্যক্রম শুরু হবে। সাক্ষ্যের মাধ্যমে মামলা প্রমাণ করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ।২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় ২৪ জন নিহত হওয়ার মামলার বিচার শুরু হয়েছিলো ২০০৮এ, ওয়ান ইলেভেনের সরকারের সময়। এরপর ৬১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের পর ২০০৯ সালে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে আদালতের নির্দেশে মামলার অধিকতর তদন্ত হয়। সিআইডির ওই তদন্তে নতুন করে অভিযুক্ত হন বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, ওই সময়ের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফু

By পরাগ আজিম on মঙ্গলবার, ৩০ মে ২০১৭ ১৭:৫৪

একুশে আগস্ট আওয়ামী লীগের জনসভায় গ্রেনেড হামলা চালিয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টায় ব্যবহৃত গ্রেনেড ও গুলি ২০০৩ সালে এসেছিলো পাকিস্তান থেকে। পাকিস্তানের কাশ্মিরভিত্তিক সংগঠন হিযবুল মুজাহিদীন ও তেহরিক ই জিহাদী ইসলামী-টিজেআই এর দুই নেতার মাধ্যমে সেগুলো আনা হয়। জঙ্গিদের নামে বিভিন্ন সময়ে ইসলামাবাদ থেকে টাকাও পাঠানো হয়।মঙ্গলবার আদালতে দেয়া সাক্ষ্যে এমন তথ্য জানান মামলাটির সর্বশেষ তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার আব্দুল কাহার আকন্দ। এ মামলার সর্বশেষ সাক্ষী ও তদন্ত কর্মকর্তা সাক্ষ্য দেয়া শুরু করেন গত সপ্তাহের শুরুতে। মঙ্গলবার তৃতীয় দিনের মতো ঢাকার এক নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেন তিনি। এদিন কথা বলেছেন গ্রেনেডের উৎস ও জড়িত ব্

By পরাগ আজিম on মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০১৬ ১৯:৪৯

হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি হান্নানের নেতৃত্বে একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলার পরিকল্পনা হয় ঢাকার সাত গম্বুজ মসজিদে বসে। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে জঙ্গি নেতারা হাওয়া ভবনে তারেক রহমানের সঙ্গেও বৈঠক করে। আদালতে দেয়া সাক্ষ্যে ওই ষড়যন্ত্রের বিস্তারিত জানিয়েছেন মামলার সর্বশেষ তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার আবদুল কাহার আকন্দ।একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলার সর্বশেষ সাক্ষী ও তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুল কাহার আকন্দ আদালতে সাক্ষ্য দেয়া শুরু করেছিলেন গত সপ্তাহের শুরুতে। ঢাকার এক নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে সোমবারও সাক্ষ্য দেন তিনি। সাক্ষীর জবানবন্দিতে গ্রেনেড হামলার পরিকল্পনায় জড়িতদের বিষয়ে তথ্য দেন আব্দুল কাহার আকন্দ। গ্রেনেড হামলার উদ্দেশ্য নিয়েও কথা বলেন সিআইড

By পরাগ আজিম on সোমবার, ০৩ অক্টোবর ২০১৬ ১৭:২০

২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার তদন্ত ভিন্ন পথে নিতে সিআইডির দুই তদন্ত কর্মকর্তা ও একজন তদন্ত তদারকি কর্মকর্তা পরস্পর যোগসাজশে জজ মিয়া কাহিনী সাজিয়েছিল, দোষ স্বীকার করা সত্ত্বেও মুফতি হান্নানকে আসামি করা হয়নি। আদালতে দেয়া সাক্ষ্যে এসব জানান মামলার সর্বশেষ সাক্ষী ও তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুল কাহার আকন্দ।একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলার সর্বশেষ সাক্ষী তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার আব্দুল কাহার আকন্দ। ওয়ান ইলেভেনের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় মামলার তদন্ত সঠিক গতিপথ পেলেও গ্রেনেডের উৎস ও হামলার মূল পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে কিছু না থাকায় তাকে সর্বশেষ তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। পুরনো ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগাারের পাশে স্থাপিত ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিশেষ এজল

By পরাগ আজিম on রবিবার , ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৯:২৩

বিগত সংসদ নির্বাচনে অনেক ভুল মানুষকে এমপি পদে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। দল, দেশ, রাজনীতি ও গণমানুষের ঊর্ধ্বে যাদের ভাবনার বিষয় নিজের নেতৃত্ব, কর্তৃত্ব ও অর্থ বিত্ত অর্জনের মজবুত ভিত্তি স্থাপন। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে তৎকালীন বিরোধী দলীয় সংসদ নেতা শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়। তখন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ল্যান্স কর্পোরাল মাহবুবুর রহমান শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা রক্ষী ছিলেন। গ্রেনেড বিস্ফোরণের পর নিজের শরীরকে ঢাল বানিয়ে শেখ হাসিনাকে মঞ্চ থেকে বুলেট প্রুফ গাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দিয়ে গ্রেনেডের স্প্রিন্টার ও গুলির আঘাতে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন মাহবুব। তার স্ত্রী শামীমা আক্তার আসমা দুই ছেলে আশিকুজ্জামান আশিক ও আশরাফুজ্জামান আনাসকে নিয়ে মোহাম্মদ পুরের একটি ৬ তলা

By এখলাসুর রহমান on বৃহস্পতিবার, ২৫ অগাস্ট ২০১৬ ১১:৪৮

পেশাগত কারণেই শুধু নয়, ভাললাগাও ছিল। কথা ছিল অনেকের মতো আমারও ব্যথিত হয়ে শোক করার। কিন্তু হয়নি। এখানেই বাধা দিয়েছে পেশা। অন্য আর দশজনের মত আমাকেও স্বাভাবিক থাকতে হয়েছে।পরপর তিনটি মৃত্যু আমাকে ব্যথিত করেছে। কিন্তু তা নিয়ে ভাবনার সুযোগ হয়নি। এক দণ্ড শোকের সুযোগ আসেনি। তিনটি মৃত্যুই কাছে থেকে দেখেছি। রিপোর্ট করেছি। নিজেকে মনে হয়েছে বুঝি মানুষ নই, রিপোর্টার, যন্ত্র। সকালে দক্ষিণ এশীয় সাংবাদিক সম্মেলনের এ্যাসাইনমেন্ট ছিল। হোটেল শেরাটনে। কেমন যেন ঝিম ঝিম, অস্থির লাগছে। কিছু করতে ইচ্ছে করছে না। সন্ধ্যায় প্রতিবেদন লিখে বসে আছি। একটু দেরি করে গিয়েছিলাম এসাইনমেন্টে। এজন্য ইউএনবি’র নিউজ থেকে নামগুলো মিলিয়ে নিয়ে জমা দেয়ার অপেক্ষা। লম্বা সাদা কাগজে স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রিন্ট হয়ে আসবে এ

By রফিকুল বাসার on বুধবার, ২৪ অগাস্ট ২০১৬ ১৭:০৮

‘সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে বক্তৃতার শেষে জয়বাংলা বলে মাইক রাখা মাত্র গ্রেনেড হামলা শুরু হলো একটার পর একটা। জানিনা আমার কি ভাগ্য! গ্রেনেড ট্রাকের ভেতরেই পরার কথা ছিলো। ডালায় লেগে পাশে পড়ে যায়। নেতা কর্মীরা আমাকে ঘিরে ধরে। আমি বুঝতে পারি আমাকে আগলে রাখা হানিফ ভাইয়ের মাথায় সমস্ত স্প্রিন্টার পড়ছে। মনে হচ্ছিলো কেয়ামত এসে গেছে।’২১ আগস্টের সেই ভয়াল দিনটির স্মরণে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে দেয়া বক্তৃতায় সেই নারকীয় অভিজ্ঞতার এমন বর্ণনাই দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি স্বাধীন দেশ, পার্সপোর্ট, পতাকা দিয়ে গেলেন অথচ তাকে যখন হত্যা করা হয় তখন ষড়যন্ত্রের গভীরতা উপলব্ধী করা যায়। উপরে আল্লাহ ছাড়া আর কারো কাছ

By চ্যানেল আই অনলাইন on রবিবার , ২১ অগাস্ট ২০১৬ ১৭:১৬