২১শে আগস্ট

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলায় প্রাণ হারান অনেকেই। দলের জন্য নিজের জীবনকে বিপন্ন করে দিতেও সেদিন দ্বিধা করেনি কেউই।ওই হামলার ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এবং দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে রক্ষাকারীদের একজন আওয়ামী লীগের মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন মায়া বলেন, ওই সময়ে দলের অনেকেই প্রাণ দেন দলের স্বার্থে। দলের নেত্রীকে রক্ষায় তাদের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য ছিলো।ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, দলের প্রতি আনুগত্যই তখন সবাইকে শেখ হাসিনাকে রক্ষায় উদ্বুদ্ধ করে। দলের প্রতি মায়ার কারণেই প্রাণ দেন অনেকে।এই বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলায় নিহত হন দলের আরেক সক্রিয় নেত্রী আইভি রহমান। প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী ল্যান্স করপোরাল (অব:) মাহব

By চ্যানেল আই অনলাইন on শনিবার, ২০ অগাস্ট ২০১৬ ১৯:৫২

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলায় প্রাণ হারান অনেকেই। দলের জন্য নিজের জীবনকে বিপন্ন করে দিতেও সেদিন দ্বিধা করেনি কেউই।ওই হামলার ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এবং দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে রক্ষাকারীদের একজন আওয়ামী লীগের মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন মায়া বলেন, ওই সময়ে দলের অনেকেই প্রাণ দেন দলের স্বার্থে। দলের নেত্রীকে রক্ষায় তাদের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য ছিলো।ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, দলের প্রতি আনুগত্যই তখন সবাইকে শেখ হাসিনাকে রক্ষায় উদ্বুদ্ধ করে। দলের প্রতি মায়ার কারণেই প্রাণ দেন অনেকে।এই বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলায় নিহত হন দলের আরেক সক্রিয় নেত্রী আইভি রহমান। প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী ল্যান্স করপোরাল (অব:) মাহব

By চ্যানেল আই অনলাইন on শনিবার, ২০ অগাস্ট ২০১৬ ১৯:৫২

দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক শক্তির মধ্যে দূরত্বের বিষবাষ্প জমতে শুরু করেছিলো ১৯৭৫ সালেই। তখন স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়া দল আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলেও রাজনীতির পথে হাঁটা শুরু করেনি বিএনপি। ওই বছরের ১৫ আগস্ট সপরিবার বঙ্গবন্ধুকে হত্যার সেই নৃশংসতা এবং পরে হত্যাকারীদের রক্ষায় বিএনপির নানামুখী তৎপরতা দুই রাজনৈতিক শক্তির স্থায়ী দ্বন্দ্বের ভিত্তি দেয়।তারও প্রায় ২৯ বছর পর ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গুলিস্তানে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনা এবং সেই ঘটনা ধামাচাপা দিতে তখনকার ক্ষমতাসীন দল বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের ভূমিকা দুই দলের মধ্যে ন্যূনতম সম্পর্কের পথও চিরস্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেয়।বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই দুটি বিয়োগান্ত ও নির্মম ঘটনা এবং তাতে একটি শক্তির জড়িত থাকা দুই

By শর্মিলা সিনড্রেলা on শুক্রবার, ১৯ অগাস্ট ২০১৬ ১৯:৩৭

দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক শক্তির মধ্যে দূরত্বের বিষবাষ্প জমতে শুরু করেছিলো ১৯৭৫ সালেই। তখন স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়া দল আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলেও রাজনীতির পথে হাঁটা শুরু করেনি বিএনপি। ওই বছরের ১৫ আগস্ট সপরিবার বঙ্গবন্ধুকে হত্যার সেই নৃশংসতা এবং পরে হত্যাকারীদের রক্ষায় বিএনপির নানামুখী তৎপরতা দুই রাজনৈতিক শক্তির স্থায়ী দ্বন্দ্বের ভিত্তি দেয়।তারও প্রায় ২৯ বছর পর ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গুলিস্তানে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনা এবং সেই ঘটনা ধামাচাপা দিতে তখনকার ক্ষমতাসীন দল বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের ভূমিকা দুই দলের মধ্যে ন্যূনতম সম্পর্কের পথও চিরস্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেয়।বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই দুটি বিয়োগান্ত ও নির্মম ঘটনা এবং তাতে একটি শক্তির জড়িত থাকা দুই

By শর্মিলা সিনড্রেলা on শুক্রবার, ১৯ অগাস্ট ২০১৬ ১৯:৩৭