১৯৭৫

১৯৭৫, প্রায় আড়াই মাস আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর পরম আস্থার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে জেলে বন্দি করা হয়। তখন থেকেই পাল্টা অভ্যুত্থানের আশঙ্কায় ছিলো মোশতাক সরকার ও খুনি সেনারা। খুনিদের আশঙ্কা ছিলো অভ্যুত্থান হলে আবার ক্ষমতায় আসতে পারে আওয়ামী লীগ। এই আশঙ্কা সত্যি হলে আটক এই চার নেতাই দলটির নেতৃত্বে আসবেন। বঙ্গবন্ধুর খুনি চক্র এটাই চায়নি। তাই নভেম্বরে ক্যু-পাল্টা ক্যুর নতুন অধ্যায়ের শুরুতেই বাংলাদেশ এবং আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব শূন্য করা মিশনের অন্যতম ধাপ হিসেবে সংঘটিত হয় জেল হত্যা। পাকিস্তানপন্থী সেনা ও তৎকালীন সরকার কারাবন্দি চার নেতাকে নিজেদের জন্য হুমকি মনে করাতেই ওই হত্যাকাণ্ড ঘটায় ব

By নাসিমুল শুভ on বৃহস্পতিবার, ০২ নভেম্বর ২০১৭ ২১:২৫

সাত নভেম্বর মানেই জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠার দিন। সেদিন হেরে যান খালেদ মোশারফ, সেনাবাহিনী প্রধানের পদে থেকেও জীবন দিয়ে অভ্যুত্থান দায় পরিশোধ করেছেন। নিহত হয়েছেন সেনাসদস্যদের হাতেই। আরো আলোচিত কর্নেল আবু তাহের। পরে কারাগারে ফাঁসি কাষ্ঠে ঝুলেছেন তিনি। এখন প্রতি বছর নভেম্বরে আলোচিত হয় তাদের নাম। কিন্তৃ বিস্মৃতিতে আছেন আরো দুজন  বীর মুক্তিযোদ্ধা যারা নিহত হয়েছিলেন খালেদ মোশারফের সাথেই। এদের একজন কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদা বীর বিক্রম এবং অপরজন হলেন লে. কর্নেল এ টি এম হায়দার বীর উত্তম। কর্নেল তাহেরের রাজনৈতিক দল জাসদ এখন ক্ষমতাসীন ১৪ দলীয় জোটের শরিক। আর খালেদ মোশাররফের মেয়ে মেহজাবীন খালেদ ক্ষমতাসীন দলের সাংসদ। ৭ নভেম্বর দুজনকে নিয়েই কথা হয়েছে আনুষ্ঠানিক আলোচনায় কিন্তু কোনো কথা নেই

By প্রণব সাহা on মঙ্গলবার, ০৮ নভেম্বর ২০১৬ ২১:৫৬