১৫ আগস্ট

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুধু দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্বই দেননি দেশের মানুষকে স্বাধীনতার মূলমন্ত্রের দীক্ষা দিয়েছেন। কাজেই যারা বলতে চায় কোনো একক ব্যক্তির নেতৃত্বে স্বাধীনতা আসেনি তাদের বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে পাকিস্তানের ইয়াহিয়া খানের বক্তব্যটা অন্তত দেখতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধুর মেয়ে শেখ হাসিনা।পাকিস্তানের দোসররাই ১৯৭৫ সালে স্বপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল এবং পরবর্তী সরকারগুলো মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংস করার চক্রান্ত বাস্তবায়ন করেছিল বলে জানান তিনি।বুধবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনায় এসব কথা বলেন তিনি।মুক্তিযুদ্ধে তার নেতৃত্বে দেশ স্বাধীন হয়েছিল বলে পাকিস্তানি সেনাশাস

By নাসিমুল শুভ on বুধবার, ১৬ অগাস্ট ২০১৭ ২০:১০

টুঙ্গীপাড়া জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধ। সেই সৌধে কিছুটা সময় কাটানো এক সুন্দর স্মৃতির কথা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেছেন জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালের ক্যান্সার ইপিডেমিওলজি বিভাগের প্রধান ডা. মো. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন।তিনি তার পোস্টে লিখেছেন,'অনেকে শিরোনাম দেখেই চমকে উঠবেন জানি। ইদানীং দেখছি দলবেঁধে অনেকেই টুঙ্গীপাড়া যাচ্ছেন, অবিরাম সেলফি বর্ষণ করছেন। এই মৌসুমী ভক্তদের ভীড়ে আমার টুঙ্গীপাড়ার স্মৃতি কারো কাছে পানসে মনে হবে। কেউ কেউ আমাকেই মৌসুমী ভক্ত মনে করবেন।ক্ষমতাসীন দলের ভক্তসংখ্যা বাড়ে জ্যামিতিক হারে। ঝাঁকে ঝাঁকে। এটা আগেও দেখেছি। বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ড্যাব গঠনের কিছুদিনের মধ্যে, ৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনে আশ

বঙ্গবন্ধুকে সপরিবার হত্যার পর তার বৃহত্তর পরিবারের আত্মীয়দের খুঁজে বের করে কাউকে গুম করেছে খুনিচক্র, কাউকে গুলি করেছে। পরের বছরগুলো আতঙ্ক আর বিভীষিকার মধ্যে গেছে তাদের।৭৫ এর ১৫ আগস্ট ভোরের নৃশংসতা শেষে সবাই যখন জানতে পারে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবার হত্যা করেছে খুনিরা, তখন শেখ ফজলুল হক মনি ও আবদুর রব সেরনিয়াবাতের বাড়ির বেঁচে থাকা সদস্যদের শেষ আশ্রয়ের আশাটুকুও শেষ হয়ে যায়। হতাহতদের মধ্যে বেঁচে থাকাদের খোঁজে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও আসে খুনি চক্রের একটি দল।শেখ ফজলুল হক মনি এবং বেগম আরজু মনিকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসা শেখ ফজলুল করিম সেলিম সেদিন সেখান থেকে চিকিৎসকদের সহায়তায় পালিয়ে যেতে পারেন।ধানমন্ডিতে শেখ মনির বাসভবনের পাশের একটি বাড়িতে আশ্রয় নিয়

By ওবায়দুল রশিদ on মঙ্গলবার, ১৫ অগাস্ট ২০১৭ ১৪:২৫

সবুজ ঘাসের ওপর সতেজ গোলাপ-গাদার পাপড়ি। নির্দিষ্ট দূরত্বে থাকা মার্বেল পাথরের নিচু স্তম্ভে আজ শোভা পাচ্ছে সাদা গ্লাডিওলাস। ফজিলাতুন্নেসা মুজিবসহ ১৫ আগস্টে নিহত বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যদের প্রতি সেখানে পুষ্পাঞ্জলি দিয়ে গেছেন প্রধানমন্ত্রী এবং আজকের দিনে পরিবারের সবাইকে হারানো শেখ হাসিনা।এই কবরের সারির একটু দূরেই চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন একই খুনি চক্রের বুলেটে বিদ্ধ তাজউদ্দীন আহমদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং এম মনসুর আলী। তাদের কবরে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতির অর্পণ করা পুষ্পার্ঘগুলো এখনো নানা নামের অঙ্গসংগঠনের দেয়া ফুলের নিচে চাপা পড়েনি।সকাল সাড়ে সাতটায় বনানী কবরস্থানে স্বজনদের কবরে ফুল দিয়ে, দোয়া করে শেখ হাসিনা বের হয়ে যান আটটার দিকে। এরপর নিরাপত্তার চরম কড়াকড়ি কিছু

By নাসিমুল শুভ on মঙ্গলবার, ১৫ অগাস্ট ২০১৭ ১০:০৩

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবার হত্যার কয়েক মাস আগেও তার উপর প্রাণঘাতী হামলার চেষ্টা চালানো হয়েছিল। সেই হামলায় ২ জন আহত হলেও বঙ্গবন্ধুর কোন ক্ষতি হয়নি। তবে, ওই হামলার খবর গোপন রাখা হয়।ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস থেকে ওয়াশিংটনে পাঠানো এক তারবার্তা থেকে হামলার ঘটনাটি জানা যায়। তারবার্তাটি ২০১৩ সালে উইকিলিক্স ফাঁস করে দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের সেসময়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার যে তারবার্তাগুলো পেয়েছিলেন এটি ছিল তার একটি।১৯৭৫ সালের ২৩ মে তারিখে পাঠানো সেই তারবার্তা (>1975dacca02535_b, confidential) অনুযায়ী, বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমগুলোকে এই ব্যাপারে খবর প্রকাশ না করতে সরকারের পক্ষ থেকে নির্দেশ দেয়া হয়েছিলো।তারবার্তায় বলা হয়: আমরা দুটি রিপোর্ট পেয়েছি যে ২১ ম

By সাবিত খান on সোমবার, ১৪ অগাস্ট ২০১৭ ১৮:৫৩

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের নেতৃত্বের ব্যাপ্তি ছিলো বিশ্বব্যাপী। বিশ্ব নেতাদের মধ্যে এমন কেউ ছিলেন না যারা তাকে চিনতেন না, প্রগতিশীল নেতৃত্বের মধ্যে এমন কেউ ছিলেন না যার সঙ্গে তার

By নীলাদ্রি শেখর on সোমবার, ১৪ অগাস্ট ২০১৭ ১৪:২৮

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর খুনিদের হাতে সাধারণ মানুষও হত্যার শিকার হয়েছেন। ঘাতকদের ছোড়া কামানের গোলায় মোহাম্মদপুরের শাহজাহান রোড ও শের শাহ শূরি রোডের কয়েকটি বাসায় বেশ কয়েকজন নিহত হন।

By তারিকুল ইসলাম মাসুম on সোমবার, ১৪ অগাস্ট ২০১৭ ১৪:২২

১৫ আগস্টকে ঘিরে রাজধানীতে যে কোন ধরণের নাশকতা এড়াতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করেছে পুলিশ। সন্দেহভাজন স্থাপনায় শুরু হয়েছে তল্লাশি।ঢাকার পুলিশ কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, সুনির্দিষ্ট নিরাপত্তা হুমকি না থাকলেও নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা হয়েছে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এলাকা।শনিবার সকালে নিরাপত্তা হুমকি মাথায় রেখে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বঙ্গবন্ধু জাদুঘর ও আশপাশের এলাকা পরিদর্শনের সময়ে তিনি এমন কথা বলেন।আগামী ১৫ আগস্ট  বঙ্গবন্ধু জাদুঘরসহ বনানী কবরস্থান ও রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সাধারণ মানুষকে আসতে হবে নিরাপত্তা তল্লাশি পেরিয়ে। সকাল থেকেই র‌্যাবের ডগ স্কোয়াড ছাড়াও সুইপিং করেছে গোয়েন্দারা। প্রস্তুত রাখা হয়েছে বিশেষ স্ট্রাইক

By সৌমিক আহমেদ on রবিবার , ১৩ অগাস্ট ২০১৭ ১৬:১১

বঙ্গবন্ধুসহ ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের ষড়যন্ত্রকারী জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার দাবি করেছে আওয়ামী লীগ। পাশাপাশি একটি কমিশন গঠন করে জাতির পিতা হত্যাকাণ্ডের দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ জাতির সামনে উন্মোচনের আহবান জানিয়েছেন বক্তারা।জাতীয় শোক দিবস পালনে স্মরণ সভায় আওয়ামী লীগ নেতারা বলেছেন, ৭১ এর পরাজিত ঘাতকরা তাদের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিয়েই জাতির জনককে সপরিবারে হত্যা করেছে। বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের এ আয়োজনে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করা একটি দেশ এবং পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার প্রেসক্রিপশনে জিয়াউর রহমানের পৃষ্ঠপোষকতায় ১৫ আগস্টের ঘটনা ঘটে।     আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের পর এবার পরিকল্পনা

By সৌমিক আহমেদ on শুক্রবার, ২৬ অগাস্ট ২০১৬ ১৩:৩৯