‘বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস-২০১৭’

‘বিয়ের বাজারে একজন গণমাধ্যমকর্মীর চেয়ে ছুটির ঘণ্টা বাজানো দপ্তরির মূল্যও বেশি!’ আজ ৩ মে। ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ডে। অর্থাৎ বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস। সোজাভাবে দেখলে হয়তো বছরের বাকি দিবসগুলোর মতোই সাধারণ একটি দিবস, একটু বাঁকাভাবে দেখলে বিশ্বের বিশেষায়িত দিবসগুলোর মধ্যে মোটাদাগে ব্যতিক্রমী একটি বিষয়। এই ‘একটু বাঁকাভাবে’ দেখার কাজটি যারা অক্লান্তভাবে করে চলেন প্রতিনিয়ত, তাদের কর্ম-ক্ষেত্র-উদ্দীপনার জন্যই দিনটি বিশেষায়িত। যাতে দুটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ- গণমাধ্যম ও গণমাধ্যমকর্মী। প্রতিবছরের মতো বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশেও নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে। এবারের প্রতিপাদ্য- ‘ক্রান্তিকালে সমালোচকের দৃষ্টি: শান্তিপূর্ণ, ন্যায়নিষ্ঠ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ প্রতিষ্ঠায় গণ

By মুহাম্মদ মেহেদী হাসান on বুধবার, ০৩ মে ২০১৭ ১৮:০৯

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ ছাড়া ‘বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস-২০১৭’ উপলক্ষে কোন কর্মসূচি হাতে নেয়নি সাংবাদিকতা শিক্ষা সংশ্লিষ্ট দেশের অন্য কোন পাবলিক বা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। ‘ক্রান্তিকালে সমালোচকের দৃষ্টি: শান্তিপূর্ণ, ন্যায়নিষ্ঠ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমের ভূমিকা’ প্রতিপাদ্য নিয়ে সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও মুক্ত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার মৌলিক নীতিমালা অনুসরণ, বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যমের স্বাধীনতার মূল্যায়ন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ প্রতিহত করার শপথ গ্রহণ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে ক্ষতিগ্রস্ত ও জীবনদানকারী সাংবাদিকদের স্মরণ ও তাদের স্মৃতির প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে বিশ্বব্যাপী দিবসটি পা

By সাখাওয়াত আল আমিন on বুধবার, ০৩ মে ২০১৭ ১৭:২৬

সরকারের সমালোচনা করা স্বাধীন গণমাধ্যমগুলো এখন মারাত্মক চাপে রয়েছে বলে বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে গঠিত ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল’ এবং ‘জঙ্গি দমন অভিযান’ সহ সরকারের অন্যান্য পদক্ষেপের সমালোচনা করেও অতীতে আলোচনায় ছিলো লন্ডন ভিত্তিক এই মানবাধিকার সংগঠনটি। বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে সংগঠনটির বার্ষিক প্রতিবেদনের একদিকে বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশের ধর্মীয় নিরপেক্ষ শক্তিকে নিশ্চুপ করে দেয়া হচ্ছে। অন্যদিকে ওই একই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকার ভিন্নমতালম্বীদের হুমকিদাতা অস্ত্রধারীদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। অ্যামনেস্টির বক্তব্য দুটি পরষ্পরবিরোধী বলে অনেকে মন্তব্য করছেন। সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রতিবেদন দিয়ে অ্যামনে

By ইব্রাহীম মল্লিক সুজন on বুধবার, ০৩ মে ২০১৭ ১৬:২৯

বাংলাদেশে গণমাধ্যমের সংখ্যা ও কাজের সুযোগ বাড়ার দিক থেকে গণমাধ্যম স্বাধীন হলেও পেশাদারিত্বের অভাব, কর্পোরেট চাপ, অপরাধ সংগঠনকারী বিভিন্ন গ্রুপের হুমকি, সহিষ্ণুতার অভাব এবং স্বাধীন মত মেনে নেয়ার মানসিকতা না থাকাসহ নানা কারণে দেশের গণমাধ্যম পরিপূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করতে পারছে না বলে দেশের গণমাধ্যম বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। এছাড়া রাজনৈতিক পর্যায়ে ধরনের সহনশীলতার অভাব ও বিভিন্ন গণমাধ্যম হাউজের প্রাতিষ্ঠানিকতা বলতে কিছু না থাকায় এ মুহুর্তে বাংলাদেশের গণমাধ্যম সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে বলেও তারা মনে করছেন। বাংলাদেশের গণমাধ্যম আসলে কতটা মুক্তভাবে সাংবাদিকতা করতে পারছে? বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসের প্রাক্কালে প্রধান তথ্য কমিশনার অধ্যাপক ড. গোলাম রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

By সাখাওয়াত আল আমিন on বুধবার, ০৩ মে ২০১৭ ০৮:৩৯

আজ বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস। প্রতিবছরের মতো সারাবিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশেও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘ক্রান্তিকালে সমালোচকের দৃষ্টি: শান্তিপূর্ণ, ন্যায়নিষ্ঠ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমের ভূমিকা।’ ‘বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস-২০১৭’ উপলক্ষে জাতীয় প্রেস ক্লাব সকাল সাড়ে ১০টায় আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। বিকেল সাড়ে তিনটায় জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স হলে বাংলাদেশ অনলাইন মিডিয়া এসোসিয়েশনের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চ্যেধুরী এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন। এছাড়া সকাল ১০টায় ডিআরইউ ভবনের ৫ম তলায় ইয়ুথ জার্নালিস্ট ফোরাম বাংলাদেশ আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। বিশ্ব

By চ্যানেল আই অনলাইন on বুধবার, ০৩ মে ২০১৭ ০৭:৫৬

৩ মে এমন এক সময়ে আমরা ‘বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস-২০১৭’ পালন করতে যাচ্ছি যখন বাংলাদেশে সাংবাদিকতার নামে উদ্দেশ্যমূলক প্রতিবেদন প্রকাশ এবং তার প্রতিক্রিয়ায় একটি শিল্প প্রতিষ্ঠান প্রেস কাউন্সিলসহ অন্য সংশ্লিষ্ট জায়গায় না গিয়ে ৫৭ ধারা নামক ‘কালো আইনে’র ব্যবহার করায় একজন সাংবাদিক গ্রেফতার হয়ে ‘চাঁদাবাজি’র অন্য একটি মামলায় রিমান্ডে রয়েছেন। দিবসটিকে সামনে রেখে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বিবৃতিতে মুক্তমত পালনের পরিবর্তে দমননীতির কারণে সরকারের সমালোচনা করেছে। তাদের প্রতিবেদনে সংবাদকর্মীদের হেনস্থা, কাজে হস্তক্ষেপ, কঠোর আইনের মাধ্যমে অপরাধী কার্যক্রমের অভিযোগ আনা এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ঘটনার কথা বলা হয়েছে। এর ফলে সাংবাদিক ও গণমাধ্যমগুলো স্ব-সেন্সরশিপ করতে বাধ্য হয়

By সম্পাদনা পর্ষদ on মঙ্গলবার, ০২ মে ২০১৭ ২০:২৩