আম চাষ

সারাদেশের আম বাগানে ও গাছে গাছে এখন মুকুলে ভরপুর। কোথাও মুকুল থেকে গুটি আকার পেয়েছে আম। আমের মুকুল পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন বাগান মালিকরা। চাঁপাইনবাবগঞ্জের সব উপজেলার আম বাগানের গাছগুলো ছেয়ে আছে মুকুলে। এবার ভালো ফলনের আশা বাগান মালিক ও চাষীর। এ বছর জেলায় আম বাগান রয়েছে ২৬ হাজার একশ’ ৫০ হেক্টর জমিতে, জানিয়েছে কৃষি বিভাগ। অন্যদিকে লক্ষ্মীপুর জেলার গ্রামগুলোতে মৌসুমের শুরুতে কুয়াশায় অনেক বাগানের মুকুল ঝরে পড়েছে। গুটি আসতে শুরু করেছে কিছু কিছু গাছে। মুকুল রক্ষায় শুরু থেকেই আম গাছে পানি স্প্রে করার পরামর্শ দিয়েছে কৃষি বিভাগ। এছাড়া গত বছর মেহেরপুরের আম ইউরোপের বাজারগুলোতে রপ্তানী হওয়ায় এবার নতুন বাগান গড়ে তুলেছেন অনেকেই।  তবে আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় এরই মধ্যে কিছু কিছু ব

By চ্যানেল আই অনলাইন on বুধবার, ০৮ মার্চ ২০১৭ ১৬:০২

আম নিয়ে জাতীয় সেমিনার হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। বছরে ১০ মাস পর্যায়ক্রমে আম উৎপাদনের সম্ভাবনা ও বাস্তবতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে ওই সেমিনারে। উঠে এসেছে আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা ও দাবি। বিস্তারিত

By নিশাত পারভেজ on সোমবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১৭:৪৯

বৈরি আবহাওয়ায় এবার চাঁপাইনবাবগঞ্জে আমের ফলন বিপর্যয়ের আশংকা করছেন কৃষক। প্রচন্ড গরম ও দাবদাহে অনেক গাছের আম ঝরে পড়ে গেছে।চাঁপাইনবাবগঞ্জে এ বছর আমবাগান রয়েছে ২৪ হাজার চারশ’ ৭০ হেক্টর জমিতে। আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে দু’ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন। কিন্তু টানা একমাসের প্রচন্ড খরা ও দাবদাহে আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষক ও বাগান মালিক।আম চাষীরা জানান, গত একমাস যাবৎ পানি না থাকায় আম ঝরে পড়ছে। নিজেরা পানি দিলেও তাতে কাজ হচ্ছে না। আম পড়তেই আছে।বাগান রক্ষায় গাছের গোড়ায় সেচ ও সকাল বিকেল পানি স্প্রে করার পরামর্শ দিয়েছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সাজদার রহমান বলেন, সন্ধ্যার আগে আগে যদি গাছের গোড়ায় ভারি স

By চ্যানেল আই অনলাইন on বৃহস্পতিবার, ০৫ মে ২০১৬ ০৯:০৪

তীব্র দাবদাহে দিনাজপুরে আমের ফলন বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। প্রচন্ড গরমে গাছ থেকে ঝরে পড়ছে  আম। বিপাকে পড়েছেন বাগান মালিক ও আম চাষীরা।দিনাজপুরের ১৩ উপজেলায় চার হাজার পাঁচশ’ ৯০ হেক্টর জমিতে আম বাগান রয়েছে। গোপালভোগ, সূর্যপুরি, আম রূপালি, ল্যাংড়া, ফজলি, বউভূলানি, আসিনিয়া, ছাতাপড়া, চিনিফজলি, সুরমাই, মিশ্রীভোগ, খিরশাপাতিসহ প্রায় ২০ প্রজাতির আম উৎপাদন হয় এ অঞ্চলে। প্রতি মৌসুমে উৎপাদিত আম বিক্রিতে গড় আয় ৪০ থেকে ৪৫ কোটি টাকা। আম চাষীরা বলছেন, আমরা যতোই স্প্রে করি না কেনো, আবহাওয়ার কারণে আম গাছে টিকতেছে না।আম বাগান মালিকরা জানান, এই রকম গরম আর রোদ যদি থাকেই তাহলে তারা মাঠে মারা যাবেন। আম ঝরে পড়া দেখে একজন ব্যবসায়ী হার্ট অ্যাটাক করে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।এ মৌসুমে চরম বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন বা

By চ্যানেল আই অনলাইন on শনিবার, ৩০ এপ্রিল ২০১৬ ০৭:৪২