আফ্রিকা

আফ্রিকা মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের দেশ মালাউইতে ফুটবল খেলা দেখতে এসে ভিড়ের ভেতর পড়ে যেয়ে আট শিশু প্রাণ হারিয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছে ১২ জন।মালাউইর ৫৩তম স্বাধীনতা দিবসে বিঙ্গু জাতীয় স্টেডিয়ামে ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়। শতশত লোক একসঙ্গে স্টেডিয়ামে ঢোকার চেষ্টা করলে বিশৃঙ্খলা শুরু হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়তে বাধ্য হয়। তখন দর্শকরা এদিক-সেদিক ছোটাছুটি শুরু করলে ওই আট শিশু ঘটনাস্থলেই মারা যায়।আফ্রিকার বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন এই ঘটনার জন্য পুলিশকে দায়ী করছে। তাদের দাবি, পুলিশ সচেতন থাকলে এত বড় দুর্ঘটনা এড়াতে পারতো। তাছাড়া গ্যাস ছোড়ায় পরিস্থিতি খারাপের দিকে যায়।ওই ম্যাচ দেখতে দেশটির প্রেসিডেন্টেরও যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কোনও কারণে তিনি যাননি। দুর্ঘটনার কথা শ

By চ্যানেল আই অনলাইন on বৃহস্পতিবার, ০৬ জুলাই ২০১৭ ২২:১৩

পৃথিবীর শীর্ষ দরিদ্র দেশ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের চিকিৎসা ব্যবস্থার একমাত্র ভরসা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এইচআইভি এইডসে’র সঙ্গে প্রতিদিন লড়াই করা হাজারো মানুষের আস্থার জায়গা এখন বাংলাদেশের অস্থায়ী হাসপাতাল।৬ লাখ ২২ হাজার ৯শ’ ৮৪ বর্গকিলোমিটারের বিশাল দেশ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক। প্রাকৃতিক সম্পদ থাকলেও নানাবিধ কারণে দারিদ্র দূর হয়নি দেশটির। জাতিগত বিরোধের কারণে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে মৃত্যুর মিছিল এখানে নতুন কোনো ঘটনা নয়। দারিদ্রের কারণে পেটে খাবার নেই, পরনের ভালো কাপড় নেই যেমন তেমনি নাজুক পরিস্থিতি দেশের স্বাস্থ্য সেবার।কেবল রাজধানী বাঙ্গীতে রয়েছে একটি মাত্র সরকারি হাসপাতাল। এমন পরিস্থিতিতে এই জনপদের জন্য আর্শীবাদ কাকাবান্দুরে বাংলাদেশের ব্যানব্যাট-২ এর একটি হাস

By মোস্তফা মল্লিক on শনিবার, ০১ জুলাই ২০১৭ ১০:১৬

গৃহযুদ্ধের কারণে দক্ষিণ সুদান থেকে পালিয়ে অন্য দেশগুলোতে আশ্রয় নেয়া লাখ লাখ শরণার্থীর জন্য জাতিসংঘের ত্রাণ সংস্থাগুলো ১৪০ কোটি ডলার দেয়ার আবেদন জানিয়েছে।গৃহযুদ্ধের কারণে দক্ষিণ সুদানের প্রতিবেশী দেশগুলোয় আশ্রয় নেয়া এবং দেশটির ভেতরে অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়া এই লোকেরা অকল্পনীয় এবং নারকীয় দুর্ভোগের মধ্যে বসবাস করছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ এবং বিশ্ব খাদ্য সংস্থা।২০১৩ সাল থেকে গৃহযুদ্ধের কবলে আছে দক্ষিণ সুদান। এসময়েই লাখ লাখ শরণার্থী ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায় প্রতিবেশী দেশগুলোতে।জাতিসংঘের হিসেবে দক্ষিণ সুদানের প্রায় ১৮ লাখ মানুষ এখন শরণার্থী। এদের মধ্যে দশ লাখই হল শিশু। সহিংসতা থেকে বাঁচতে এরা সবাই আশ্রয় নিয়েছে প্রতিবেশী দরিদ্র দেশগুলোতে, বি

By চ্যানেল আই অনলাইন on মঙ্গলবার, ১৬ মে ২০১৭ ১০:৫৪

গত ৩০ বছরে জিরাফের সংখ্যা ব্যাপক হারে কমেছে। যার ফলে বিলুপ্তির মুখে বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা এই স্থলচর স্তন্যপায়ী প্রাণীটি।পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর দ্য কনজার্ভেশন অব নেচার’ (আইইউসিএন) এর তথ্য অনুসারে, ১৯৮৫ সালে বিশ্বে জিরাফের সংখ্যা ছিল প্রায় ১ লাখ ৫৫ হাজার। সেখানে ২০১৫ সাল তা নেমে এসেছে মাত্র ৯৭ হাজারে।আইইউসিএনের জিরাফ বিশেষজ্ঞ দলের সহ প্রধান ড. জুলিয়ান ফেনেসির মতে, সাফারিতে গেলেই আশপাশে প্রচুর জিরাফ চোখে পড়ে। তাই স্বাভাবিকভাবে হাতি বা গণ্ডারের মতো এর অভাব বোঝা যায় না।এ কারণেই হঠাৎ করে জিরাফের এই অবস্থাকে ‘নীরব বিলুপ্তি’ বলে মন্তব্য করেছেন ড. ফেনেসি।আবাসস্থল ধ্বংস, অবৈধ শিকার এবং আফ্রিকার বেশ কিছু অঞ্চলে  বৈচিত্র্যময় এ

By চ্যানেল আই অনলাইন on বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০১৬ ১৩:০২

বছরের পর বছর ধরে বিশালদেহী আফ্রিকান হাতিরা তাদের ঝকঝকে দাঁতের জন্য শিকারী ও পাচারকারীদের শিকার হয়ে আসছে। এর ফলস্বরূপ যেন নিজেদের বাঁচাতেই দাঁত ছাড়াই জন্ম নিচ্ছে এই প্রজাতির বেশকিছু হাতি। আর এর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছেই।শিকারীদের যন্ত্রণায় হাতিগুলোর জিনে মৌলিক পরিবর্তন চলে আসছে বলেই এমনটা ঘটছে বলে মনে করছেন গবেষকরা।বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, আফ্রিকা মহাদেশের কিছু কিছু এলাকায় মোটামুটি ৯৮ শতাংশ মাদী হাতিরই দাঁত নেই। যেখানে দুয়েক দশক আগেও গড়ে মাত্র ২ থেকে ৬ শতাংশ হাতির জন্ম হতো দাঁত ছাড়া।এশিয়া, বিশেষ করে চীনে হাতির দাঁতের চাহিদা মেটাতে গত ১০ বছরে আফ্রিকার মোট হাতির প্রায় তিন ভাগের এক ভাগই বেআইনিভাবে হত্যা করা হয়েছে। ২০০৭ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে প্রায় ১ লাখ ৪৪ হাজার আফ্রিকান হাতি হত্

By অনলাইন ডেস্ক on রবিবার , ২৭ নভেম্বর ২০১৬ ১৬:০৭

আফ্রিকান বন্য হাতির জন্মহার খুব বেশিই ধীর বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এ কারণে তাদের ওপর পাচারকারীদের আক্রমণের ঝুঁকি আরও বেড়ে যাচ্ছে বলে মনে করছেন তারা।জার্নাল অব অ্যাপ্লাইড ইকোলজি-তে প্রকাশিত গবেষণাপত্রটিতে বলা হয়, এই প্রজাতির হাতিরা বেশি বয়সে প্রজনন শুরু করে। শুধু তাই নয়, হাতির অন্যান্য প্রজাতির তুলনায় দুই সন্তান জন্মদানের মধ্যবর্তী সময়ের ব্যবধানও থাকে বেশি।গবেষকদের মতে, এই ধীরগতির কারণে সম্প্রতি আফ্রিকান বন্য হাতির সংখ্যা যে ব্যাপক হারে কমছে, তা কাটিয়ে উঠতে ২০-৩০ বছরেরও বেশি সময় লাগতে পারে।ধীরগতির প্রজননের ফলে প্রজাতিটি খুব বেশি বিপদে রয়েছে বলে মনে করছেন সেভ দি এলিফ্যান্টস-এর সায়েন্টিফিক বোর্ডের প্রধান এবং যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো স্টেট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক জর্জ উইটমায়

By চ্যানেল আই অনলাইন on বৃহস্পতিবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১১:৫২