আদিবাসী

বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন অংশে বিরাট সংখ্যক আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বাস যারা সমতলের আদিবাসী হিসেবে পরিচিত। এই অঞ্চলসমূহে বসবাসকারী আদিবাসীদের মধ্যে সাঁওতাল, ওঁরাও, কোচ, মুন্ডা, মাহাতো, ডালু, মাহালী, পাহান, পাড়াড়িয়া, তুরি, রাজবংশী, রাই, পাত্র প্রভৃতি জনগোষ্ঠীর বসবাস। আলোচ্য শিরোনামে তাদের নিয়ে আলোচনা করার প্রধান কারণ-তারা সমাজের আর দশজন মূল স্রোতধারার মানুষের মতো সুযোগ-সুবিধা সমানভাবে ভোগ করতে পারে না। তারা শিক্ষায়, স্বাস্থ্যে, চাকুরী প্রাপ্তিতে, আয়সহ দৈনন্দিন নানা বৈষম্যের শিকার, এককথায় তাদের যাপিত জীবন বৈষম্যে ভরা। আজ যখন চারিদিকে সবার জন্য সমান উন্নয়নের দাবী উচ্চারিত হচ্ছে তখন সমতলের এই আদিবাসীদের উন্নয়নের বিষয়টি অতি অবশ্যই প্রধান অগ্রাধিকারের দাবী রাখে। সম

By মুজাহিদুল ইসলাম on মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৭ ২০:৪১

দলিত ও সমতল আদিবাসীদের অধিকার সুরক্ষায় সরকারী-বেসরকারি সংস্থার পাশাপাশি গণমাধ্যমের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও সম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে। সামাজিক ও সাংস্কৃতিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনে গণমাধ্যমের কোনো বিকল্প নেই। আজ সোমবার স্থানীয় একটি হোটেলে গণমাধ্যম বিষয়ক প্রতিষ্ঠান সমষ্টি আয়োজিত গণমাধ্যম সংলাপে বক্তারা এসব কথা বলেন। প্রান্তিক ও মূল ধারার বাইরে জনগোষ্ঠিার নেটওয়ার্ক (এনএনএমসি) ও সুইজারল্যান্ড ভিত্তিক উন্নয়ন সংস্থা হেক্স-ইপিআর এর সহযোগিতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জাতীয় পর্যায়ের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সাংবাদিকবৃন্দ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা বলেন, দলিত ও আদিবাসীদের অধিকার সুরক্ষার জন্য বিশেষ আইনের প্রয়োজন আছে। আর এখানে গণমাধ্যমসমূহ একটি প্রেসার

By চ্যানেল আই অনলাইন on সোমবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৭ ১৮:৫৫

বিজ্ঞানের বিস্ময়কর অগ্রযাত্রার স্পর্শহীন কিছু মানুষ বাস করে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বের গহীন পার্বত্য অঞ্চলে, যারা তাদের চিরাচরিত ঐতিহ্য এখনও অক্ষুণ্ন রেখেছে। সম্প্রতি কয়েক সপ্তাহ এই বান্দরবান জেলায়, লোকচক্ষুর অন্তরালে থাকা মানুষদের সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন আলোকচিত্রী রেহমান আসাদ। পার্বত্য অঞ্চলের গহীনে বাস করা মুরং জাতিগোষ্ঠির জীবনধারা, রীতিনীতি, বিশ্বাসগুলো তিনি অবলোকন করেছেন পরম বিস্ময়ে, আর ক্যামেরায় বন্দী করেছেন তাদের জীবনযাত্রা, উৎসবের কিছু খণ্ডচিত্র যা দেখলে আপনিও বুঝতে পারবেন তাদের জীবনধারা। ব্রিটিশ পত্রিকা মেইল অনলাইনে আসাদের আলোকচিত্রগুলো প্রকাশিত হয়। পাঁচটি গ্রামে ঘুরে আসাদ দেখেছেন, ১১টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস। যাদের মধ্যে মুরং একটি যা চতুর্থ বৃহত্তম গোষ্ঠী। তার

By চ্যানেল আই অনলাইন on মঙ্গলবার, ২৪ জানুয়ারী ২০১৭ ১৫:২৯

সরকারি সহযোগিতায় তাঁতের ওপর প্রশিক্ষণ নিয়ে আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন এনেছেন হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার পাহাড়ি এলাকার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষেরা। আগে নিজেদের পরার কাপড় বুনতেই ব্যস্ত থাকতেন ওই জনগোষ্ঠীর নারীরা, এখন প্রশিক্ষণ ও ঋণ নিয়ে কাপড় বুনে বাজারজাতকরণের স্বপ্নে বিভোর তারা। হবিগঞ্জ থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে বাহুবল উপজেলার প্রত্যন্ত জনপদ কালিগজিয়া। ওই পাহাড়ি এলাকাটিতে বসবাস সহস্রাধিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের। পুরুষরা কৃষির পাশাপাশি কাজ করেন বনরক্ষীর।নারীরা সংসারের পাশাপাশি তাঁতে বুনেন নিজেদের পরার কাপড়। তবে এখন দিন বদলেছে। প্রশিক্ষণ নিয়ে তারা এগিয়ে যাচ্ছেন কাপড় বাজারজাত করতে। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কয়েকজন নারী বলেন, নিজে হাতে তৈরি করি, নিজে পড়ি। মাঝেমধ্যে ওড়না, চা