আকতার জাহান জলি

বড় অসময়ে এক বুক অভিমান আর কষ্ট জয় করতে না পেরে চলে গেলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আকতার জাহান। জলি নামেই সবার কাছে পরিচিত ছিলেন। হতাশা, অভিমান, ব্যর্থতা, অপমান, সন্তানকে ঘিরে অনিশ্চয়তা, সাবেক স্বামীর সঙ্গে মনোমালিন্য সব মিলিয়ে তিনি আত্মহত্যাকেই ‘মুক্তি’র পথ হিসেবে বেছে নিয়েছেন। মৃত্যুর পর রাজশাহীতে তার কক্ষে একটি ‘সুইসাইড নোট’ পাওয়া গেছে। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘সোয়াদকে (তার ছেলে) যেন ওর বাবা কোনোভাবেই নিজের হেফাজতে নিতে না পারে।’ তিনি আরও লিখেছেন, ‘আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়। শারীরিক, মানসিক চাপের কারণে আত্মহত্যা করলাম।’বিশ্ববিদ্যালয়ের এই তরুণ শিক্ষিকাটির দাম্পত্য জীবনে কিছু সমস্যা ছিল। স্বামীর সঙ্গে বনিবনা হচ্ছিল না। এক পর্য

By চিররঞ্জন সরকার on শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৩:৪৬

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আকতার জাহান জলি শিক্ষার্থীদের কাছে ছিলেন সত্যিকারের অভিভাবকের মতো। আর সহকর্মীদের কাছে বন্ধুভাবাপন্ন ও মিশুক মনের এক মানুষ ছিলেন। এমনটাই জানিয়েছেন তার শিক্ষার্থী ও সহকর্মীরা। প্রিয় শিক্ষক জলি আপার আকস্মিক মৃত্যুর খবর শুনেই তার শিক্ষার্থীরা দিশেহারা হয়ে পড়ে। চ্যানেল আই অনলাইনের কাছে তারা বলেছেন একজন আদর্শ শিক্ষক আর সুন্দর মনের মানুষের কথা।জলি আপার শিক্ষার্থী সাংবাদিক জান্নাতুল বাকেয়া কেকা বলেন: সিগ্ধ, মৃদুভাষী মিষ্টি একজন মানুষ ছিলেন জলি আপা। ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষও ছিলেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের দিনগুলোর কথা মনে করে চ্যানেল আই'র সিনিয়র রিপোর্টার কেকা বলেন, ‘আমার তৃতীয় বর্ষে থাকতে জলি আপা টিচার

By আরেফিন তানজীব on শুক্রবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ২১:৩৮