আইন কমিশন

সুপ্রিম কোর্ট ভুল করলে কোথায় যাবো? এমন প্রশ্ন রেখে আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রধান বিচারপতি  এ বি এম খাইরুল হক বলেছেন, সুপ্রিমকোর্ট সমালোচনার ঊর্ধ্বে নয়। যে কোন রায় প্রকাশিত হওয়ার পর যে কেউ সেই রায় নিয়ে সমালোচনা করতে পারবে। জাতীয় আইন কমিশনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমি ষোড়শ সংশোধনীর রায় পড়ে দেখেছি যে এই রায়ে অনেক অপ্রাসংগিক মন্তব্য রয়েছে। যে সব কথার কোন প্রয়োজনই এই রায়ে ছিল না। “ওই রায়ে পার্লামেন্ট মেম্বারদের ইমম্যচিউর বলা হয়েছে। যেটা এখানে বলার কোন দরকার ছিল না।” ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণার রায়ের মাধ্যমে বহাল হওয়া সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল প্রসংগে এ বি এম খাইরুল হক বলেন, 'সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে ফিরতে হলে আগে এ সংক্রান্ত আইন করতে হবে। তিনি আরো বলেন, '

By এস এম আশিকুজ্জামান on বুধবার, ০৯ অগাস্ট ২০১৭ ১৭:৪৭

জনগণের প্রত্যাশা পূরণে বিচারকরা গণতন্ত্র, দেশ ও জনগণের স্বার্থে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতা বজায় রেখে নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আবদুল হামিদ। আইন কমিশনের ২০ বছর পূর্তির অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি প্রত্যাশা করেন, দেশ ও জাতির স্বার্থকে ধারণ করে আইন কমিশন নতুন নতুন আইন প্রণয়নে সহযোগিতা করবে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবার হত্যার বিচার বন্ধে দায়মুক্তি অধ্যাদেশ বাতিল করার আইনগত অভিমত দিয়ে ভূমিকা রেখেছে আইন কমিশন। এছাড়াও বিগত ২০ বছরে আইন কমিশনের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে আইনের সংস্কার বিষয়ে বেশকিছু সুপারিশ পাঠানো হয় যার ভিত্তিতে সরকার আইন প্রণয়ন ও সংশোধন করেছে। কমিশনের ২০ বছর পূর্তির অনুষ্ঠানে আইন কমিশনকে জনগণ ও মানুষ

By নীলাদ্রি শেখর on শনিবার, ০৪ জুন ২০১৬ ১৮:৩৬

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে তদন্ত করার ক্ষমতা দেবে না সরকার। আইনমন্ত্রী বলেছেন, এ ক্ষমতা দিলে প্রতিষ্ঠানটি একটি পক্ষ হয়ে যাবে। এতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা হারাবে কমিশন।বৃহম্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে প্রস্তাবিত ‘বৈষম্য নিরোধ আইন প্রণয়ন’ বিষয়ে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আইনমন্ত্রী এডভোকেট আনিুসল হক।তিনি বলেন, অাইন কমিশনের করা এ আইনের খসড়া প্রস্তাবনায় মানবাধিকার কমিশনকে তদন্ত করার কথা বলা হয়েছে। এ বিষয়ে তার দ্বিমত রয়েছে।আইনমন্ত্রী বলেন, ‘ডিসেম্বরের শেষের দিকেই আমরা এই আইনটি পাব। আমার মনে হয়, হিউম্যান রাইটস কমিশন শুড বি এন আরবিট্রার, নট এ পার্ট। যে মুহূর্তে তারা তদন্ত ক

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে তদন্ত করার ক্ষমতা দেবে না সরকার। আইনমন্ত্রী বলেছেন, এ ক্ষমতা দিলে প্রতিষ্ঠানটি একটি পক্ষ হয়ে যাবে। এতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা হারাবে কমিশন।বৃহম্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে প্রস্তাবিত ‘বৈষম্য নিরোধ আইন প্রণয়ন’ বিষয়ে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আইনমন্ত্রী এডভোকেট আনিুসল হক।তিনি বলেন, অাইন কমিশনের করা এ আইনের খসড়া প্রস্তাবনায় মানবাধিকার কমিশনকে তদন্ত করার কথা বলা হয়েছে। এ বিষয়ে তার দ্বিমত রয়েছে।আইনমন্ত্রী বলেন, ‘ডিসেম্বরের শেষের দিকেই আমরা এই আইনটি পাব। আমার মনে হয়, হিউম্যান রাইটস কমিশন শুড বি এন আরবিট্রার, নট এ পার্ট। যে মুহূর্তে তারা তদন্ত ক