অ্যাডলফ হিটলার

ইতিহাস বলে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষদিকে অ্যাডলফ হিটলার বুঝে গিয়েছিলেন তার জার্মান নাৎসি বাহিনীর পতন নিশ্চিত। তাই নিজের ভূগর্ভস্থ গোপন বাঙ্কারে ১৯৪৫ সালের ৩০ এপ্রিল তিনি সায়ানাইড পানে আত্মহত্যা করেন। পরে তার মৃতদেহ উদ্ধার করে তৎকালীন সোভিয়েত বাহিনী সনাক্ত করে এবং এরপর গোপন কোনো স্থানে কোনোরকম চিহ্ন না রেখে লাশটি কবর দেয়। কিন্তু সম্প্রতি মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ এমন কিছু সরকারি গোপন নথি প্রকাশ করেছে যেগুলো অনুসারে, মৃত্যুর খবরের ৯ বছর পরেও ১৯৫৪ সালে হিটলার বেঁচে ছিলেন এবং ইউরোপ থেকে পালিয়ে কলম্বিয়ায় লুকিয়ে ছিলেন - এমন একটি তথ্য তদন্ত করছিল যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির ব্যাপক আলোচিত ও রহস্যময় হত্যাকাণ্ড ও এর তদন্ত বিষয়ক তথ্যের দলিলাদি গত সপ্

By চ্যানেল আই অনলাইন on বুধবার, ০১ নভেম্বর ২০১৭ ১১:০৬

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হিটলার কোন রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করেনি-এমন মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে ক্ষমা চেয়েছেন হোয়াইট হাউস মুখপাত্র সন স্পাইসার। সিরিয়ায় বাশার আল-আসাদ সরকার রাসায়নিক হামলা চালিয়ে মানুষ হত্যা করছে বলে অভিযোগ করে আসছে হোয়াইট হাউজ। এক সংবাদ সম্মেলনে আসাদের সমালোচনা করতে অ্যাডলফ হিটলারের উদাহরণ টেনে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেন সন স্পাইসার। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হলোকাস্ট বা গণহত্যায় হিটলার কোন রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করেননি বলে জানান তিনি। বিবিসি জানায়, এমন মন্তব্যের কারণে স্পাইসার ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন। রাসায়নিক গ্যাস ব্যবহার করে হিটলার অনেক ইহুদী হত্যা করছে উল্লেখ করে সমালোচনাকারীরা স্পাইসারের সমালোচনা করেন। স্পাইসার হলোকাস্ট মিউজিয়ামে যেতে অনেক দের

By চ্যানেল আই অনলাইন on বুধবার, ১২ এপ্রিল ২০১৭ ১১:৪৩

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্যবহৃত হিটলারের সেই লাল টেলিফোন যুক্তরাষ্ট্রের এক নিলামে ২ লাখ ৪৩ হাজার মার্কিন ডলারে বিক্রি হয়েছে। বাংলাদেশি টাকায় এর পরিমান প্রায় দুই কোটি টাকা। চেকপিক সিটির ম্যারিল্যান্ডে এই নিলাম শুরু হয় ১০০,০০০ মার্কিন ডলার দিয়ে। যিনি এই টেলিফোনটি ক্রয় করেছেন তার পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। নাৎসি নেতার নাম খোদাইকৃত এই লাল টেলিফোনটি ১৯৪৫ সালে বার্লিন বাঙ্কারে পাওয়া যায়। জামার্নির আত্মসমর্পনের পর সোভিয়েত সৈন্যরা টেলিফোনটি ব্রিটিশ কমকর্তা স্যার রালফ রায়নার কে দিয়ে দেয়। আলেকজান্ডারের ঐতিহাসিক নিলাম হাউজে টেলিফোনটির নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। নিলাম হাউজের পক্ষ থেকে বলা হয়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ‘গণ বিধ্বংসী অস্ত্র’ হিসেবে হিটলার এই টেলিফোনটি ব্যবহার করতেন।    

By চ্যানেল আই অনলাইন on সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১২:৫৪

অ্যাডলফ হিটলারের লেখা ‘মাইন ক্যাম্ফ’ বইটির বিশেষ সংস্করণ এখন পর্যন্ত ৮৫ হাজার কপি বিক্রি হয়েছে। গত বছর জানুয়ারিতে মিউনিখের ইনস্টিটিউট অব কনটেম্পরারি হিস্টোরি (আইএফজেড) ‘মাইন ক্যাম্ফ’-এর টীকাযুক্ত ওই সংস্করণটি প্রকাশ করে। প্রাথমিক পর্যায়ে ৪ হাজার কপি ছাপানো হলে, মাত্র অল্প দিনেই তা শেষ হয়ে যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে এক বছরেই বইটির পাঁচটি সংস্করণ শেষ হয়েছে। নতুন বছরে চলছে ষষ্ঠ সংস্করণ বাজারে নিয়ে আসার প্রস্তুতি। তবে  নতুন এ সংস্করণে নাৎসি যুগের মতো হিটলারের ছবি নেই। নেই স্বস্তিকা চিহ্ন, যা জার্মানিতে নিষিদ্ধ। এই সংস্করণে যুক্ত করা হয়েছে বেশকিছু টীকা। প্রকাশক আন্দ্রিয়াজ জানিয়েছেন, অল্প সময়ের মধ্যে তাদের বইটির ফরাসি সংস্করণ বাজারে নিয়ে আসারও চিন্তা ভাবনা রয়েছে। তবে ‘মাইন ক্যাম্ফ’র

By চ্যানেল আই অনলাইন on বুধবার, ০৪ জানুয়ারী ২০১৭ ১১:৩২