অর্থ পাচার

সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশীদের যে বিপুল অংকের টাকা পাচার হয়েছে বলে প্রচার হয়েছে তা প্রকৃতপক্ষে পাচার নয়, সুইস ব্যাংকের সঙ্গে বাংলাদেশের লেনদেনের হিসাব। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে এমন দাবি করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। তবে তিনি বলেছেন, যদি কিছু টাকা পাচারও হয়, তবে তা যৎসামান্য। সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশীদের টাকা এবছর আরো বেড়েছে এবং তা পাচার হয়েছে বলে সংবাদ প্রচার হয়। সুইস ব্যাংকের রিপোর্টের সূত্র ধরে বলা হয়েছিল ২০১৫ সালে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশীদের টাকার পরিমাণ ছিল ৫শ’ ৮২ মিলিয়ন। ২০১৬ সালে তা বেড়ে হয় ৬শ’ ৯৪ মিলিয়ন। জাতীয় সংসদে দেয়া বিবৃতিতে অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, ওই সংবাদ প্রচারের পর বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বাংলাদেশ ফাইন্যান্স ইন্টেলিজেন্স ইউনিটি তথ্য সংগ্রহ করে অর্থ মন্ত্রণালয়কে রিপ

By সঞ্জয় চাকী on মঙ্গলবার, ১১ জুলাই ২০১৭ ২২:৩০

দেশে কালো টাকা যেহেতু হচ্ছেই, সেহেতু সেটি দেশে রাখতে পারার উদ্যোগই দেশপ্রেম- এমনই মন্তব্য করেছেন সাবেক ছাত্রনেতা মুখলেছউদ্দিন শাহীন। বাংলাদেশের ৭০ হাজার কোটি টাকা পাচার হওয়া প্রসঙ্গে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে দেয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ কথা বলেন। স্ট্যাটাসটিতে মুখলেছউদ্দিন বলেন: ‘৭০ হাজার কোটি টাকা পাচার হওয়া নিয়ে এখন হা হুতাশ করেন কেন? ব্যাংকে ৫০০০ টাকা জমা দিতে গেলে আইডি কার্ড সহ চৌদ্দ গোষ্ঠীর ঠিকুজি লাগে। টাকা তুলতে গেলে নির্দিষ্ট অংকের বেশি তোলা যায় না। আগে ৫০ লাখ ১ কোটি টাকা নিয়ে ব্যাংকে গেলে ব্যংক খুশি হতো, এখন ব্যংক আতংকিত হয়। তাইলে টাকা পাচার হইব না তো কি হইব? ব্যংক ব্যবস্থার এতো কড়াকড়ি করাইতো হয়েছে টাকা পাচারের জন্য। ব্যাংক ব্যবস্থার এই সব নিয়ম কানুন না থাকলে ৭০ হাজার কোটি টাক

অর্থ পাচারের সঙ্গে জড়িতদের বিচার না হওয়া, নিরাপত্তার অভাব, কোন কোন ক্ষেত্রে বিশৃঙ্খলা, মাত্রারিক্ত দুর্নীতি এবং বিদেশের উন্নত জীবনের লোভের কারণেই বিদেশে অর্থ পাচার হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআর, দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক, বাংলাদেশ ব্যাংক ও এটর্নি জেনারেল অফিস-এই চারটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় করা গেলে অর্থ পাচাররোধ সম্ভব বলেও জানিয়েছেন তারা। পাশাপাশি জাতিসংঘের দুর্নীতি বিরোধী আইনের সহায়তায় পাচার করা অর্থ ফেরত আনা সম্ভব বলেও মন্তব্য তাদের। গত মঙ্গলবার ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি (জিএফআই) বাংলাদেশ থেকে অর্থ পাচারের তথ্য প্রকাশ করে। তাতে বলা হয়, ২০১৪ সালে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৯১১ কোটি ডলার বা প্রায় ৭২ হাজার ৮৭২ কোটি টাকা পাচার হয়

By জসিম উদ্দিন বাদল on বুধবার, ০৩ মে ২০১৭ ২২:৫৭

গত দশ বছরে (২০০৫-২০১৪) বাংলাদেশ থেকে ৭৫ বিলিয়ন ইউএস ডলার বা ৬ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা অবৈধভাবে পাচারের ঘটনা তদন্ত করতে বাংলাদেশ ব্যাংককে নির্দেশ দিয়েছে সরকার। এ বিষয়ে দেশের শীর্ষস্থানীয় ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টারে প্রতিবেদন প্রকাশের পর এমন সিদ্ধান্তের কথা বুধবার সংসদ অধিবেশনে জানান অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুুহিতের অনুপস্থিতিতে জাতীয় সংসদে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য পীর ফজলুর রহমানের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে অর্থ প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই বিষয়ে তদন্তের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। বুধবার প্রকাশিত ডেইলি স্টারের ‘২০১৪ সালে ক্ষতি ‘৬-৯ বিলিয়ন ইউএস ডলার’ শীর্ষক প্রতিবেদন উদ্ধৃত করে পীর ফজলুর রহমান সংসদে বিষয়টি নিয়ে

By চ্যানেল আই অনলাইন on বুধবার, ০৩ মে ২০১৭ ২১:০২

প্রায় ১০০ কোটি টাকা অর্থ পাচারের অভিযোগে পোশাক তৈরিকারক প্রতিষ্ঠান এসএন ডিজাইন লি: এর বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মতিঝিল থানায় মামলা করেছে শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ধারা ২(শ) (১৮) অনুযায়ী শুল্ক গোয়েন্দার সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার সরকার মামলাটি করেন। এতে মূল আসামী করা হয়েছে প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী মো: শহিদুল ইসলামকে।শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ জানায়, দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও অর্থমন্ত্রীর অনুমোদনের পর এই মামলা দায়ের করা হয়েছে। এটি মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ সংশোধনী আইন ২০১৫ পাশের পর প্রথম কোনো ফৌজদারি মামলা।মামলার বিবরণে জানা যায়, ওই প্রতিষ্ঠানটি ২০১০-২০১৫ মেয়াদে পাঁচ বছরে ২৯৭টি চালান বিদেশে রপ্তানি করলেও রপ্তানির বিপরীত

By চ্যানেল আই অনলাইন on বুধবার, ১৫ জুন ২০১৬ ২০:০১