অর্থনৈতিক জোন

শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, জাপান বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে আরো বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশের পর জাপানি উদ্যোক্তাদের জন্য একটি বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল (এসইজেড) গড়ে তুলছে সরকার। বুধবার শিল্পমন্ত্রীর সঙ্গে তার কার্যালয়ে জাপানের রাষ্ট্রদূত মাসাতো ওয়াতানাবে বিদায়ী সাক্ষাতে এলে আমির হোসেন আমু এ কথা বলেন। সাক্ষাতকালে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় ছাড়াও বাংলাদেশের শিল্পখাতে জাপানি বিনিয়োগ, প্রযুক্তি স্থানান্তর, জাপানি কারখানা বাংলাদেশে স্থানান্তরসহ অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা হয়। এসময় শিল্পসচিব মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ্, অতিরিক্ত সচিব বেগম পরাগ ও দাবিরুল ইসলাম, বিসিআইসির চেয়ারম্যান শাহ মোঃ আমিনুল হক, বিএসএফআইসির চেয়ারম্যান এ.কে.এম দেলোয়ার হোসেনসহ শিল্প মন্ত্রণালয় ও জা

By চ্যানেল আই অনলাইন on বুধবার, ১৬ অগাস্ট ২০১৭ ১৯:১২

বেসরকারি উদ্যোগে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত লাইসেন্স দেয়া হয়েছে বে গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান বে ইকোনমিক জোন লিমিটেডকে। প্রতিষ্ঠানটি গাজীপুরের সদর উপজেলায় এ অর্থনৈতিক জোন স্থাপন করবে। সোমবার বিকেলে কারওয়ান বাজার বিডিবিএল ভবনে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ-বেজার প্রধান কার্যালয়ে বে গ্রুপের চেয়ারম্যান শামসুর রহমানের হাতে এ লাইসেন্স তুলে দেন বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী। ২০১৬ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি বে-অর্থনৈতিক অঞ্চলকে প্রি-কোয়ালিফিকেশন লাইসেন্স বা প্রাক যোগ্যতা সনদপত্র দেয়া হয়। এর আগে আরো তিনটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে অর্থনৈতিক অঞ্চল করার লাইসেন্স দিয়েছে বেজা। অনুষ্ঠানে পবন চৌধুরী বলেন, বিনিয়োগকারীরা ভাল যাতায়াত ব্যবস্থা, গ্যাস, বিদ্যুৎ, নিরাপত্

By জসিম উদ্দিন বাদল on সোমবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৭ ২২:৪৭

আগামী ১৫ বছরে দেশে একশ অর্থনৈতিক জোনে এক কোটি লোকের কর্মসংস্থান হবে। এসব জোন থেকে বছরে অতিরিক্ত রফতানি আয়ের লক্ষ্য ৪ হাজার কোটি ডলার। ১০০ অর্থনৈতিক জোনের মধ্যে ৫৯টির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদন পাওয়া প্রকল্পগুলোর মধ্যে বেসরকারী খাতের ৪টি এবং বিদেশী ৫টি অর্থনৈতিক জোন আছে।লক্ষ্য পূরণের সময়সীমা ১৫ বছর, লক্ষ্য এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান। এজন্য একশ’টি অর্থনৈতিক জোন প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে সরকার। উন্নয়ন কাজ চলছে ১০টি অর্থনৈতিক জোনের। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৮ ফেব্রুয়ারি একযোগে এ ১০টি অর্থনৈতিক জোনের ভিত্তি  দেবেন। অর্থনৈতিক জোন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এরইমধ্যে ৪টি লাইসেন্স দেয়া হয়েছে। আগামী ৩ মাসের মধ্যে আরও ২টি অর্থনৈতিক জোনকে লাইসেন্স দেয়া হবে। এছাড়া সাতটি অর্থনৈতিক জোনকে লাইসেন্স দে

আগামী ১৫ বছরে দেশে একশ অর্থনৈতিক জোনে এক কোটি লোকের কর্মসংস্থান হবে। এসব জোন থেকে বছরে অতিরিক্ত রফতানি আয়ের লক্ষ্য ৪ হাজার কোটি ডলার। ১০০ অর্থনৈতিক জোনের মধ্যে ৫৯টির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদন পাওয়া প্রকল্পগুলোর মধ্যে বেসরকারী খাতের ৪টি এবং বিদেশী ৫টি অর্থনৈতিক জোন আছে।লক্ষ্য পূরণের সময়সীমা ১৫ বছর, লক্ষ্য এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান। এজন্য একশ’টি অর্থনৈতিক জোন প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে সরকার। উন্নয়ন কাজ চলছে ১০টি অর্থনৈতিক জোনের। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৮ ফেব্রুয়ারি একযোগে এ ১০টি অর্থনৈতিক জোনের ভিত্তি  দেবেন। অর্থনৈতিক জোন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এরইমধ্যে ৪টি লাইসেন্স দেয়া হয়েছে। আগামী ৩ মাসের মধ্যে আরও ২টি অর্থনৈতিক জোনকে লাইসেন্স দেয়া হবে। এছাড়া সাতটি অর্থনৈতিক জোনকে লাইসেন্স দে