অমর একুশে

সিরিয়াস জীবনধর্মী একটি উপন্যাস 'স্বামীসূত্র'। স্ত্রীর চোখে স্বামীরা দেখতে কেমন তার একটি সূত্র পাওয়া যাবে এই বইয়ে। তার সঙ্গে মা এবং জীবনসঙ্গী স্ত্রীর অধিকার লড়াইয়ের মাঝখানে পড়ে পুরুষটির কী দশা হয় সেটি মূলত এ গল্পের বিষয়বস্তু। ফিকশনধর্মী বইটি ঢাবি'র গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ফাহমিদুল হক পড়েছেন। ফেসবুক স্ট্যটাসে বইটি পড়ার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে লিখেছেন: অনেকদিন পর একটা ফিকশন খুব আগ্রহ করে পড়লাম। উপন্যাসটা খুব টানলো। সন্তান বা স্বামীকে ঘিরে যথাক্রমে জন্মদাত্রী মা ও জীবনসঙ্গী স্ত্রীর অধিকারবোধের লড়াইয়ের মাঝখানে পড়ে পুরুষটির কী দশা হয় তা গল্পের বিষয়বস্তু। এই বিষয়ে বাংলা গল্প-উপন্যাস রচিত হয়ে থাকতে পারে, কিন্তু আমার পড়া নেই। পুরুষ চরিত্রটির পয়েন্ট অব ভিউয়ে পুরো গল্পটা বল

By চ্যানেল আই অনলাইন on শুক্রবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১৬:১৩

বিশ্বে বাঙালি একমাত্র জাতি যারা ভাষার জন্য রক্ত দিয়েছে। মাতৃভাষার জন্য অকাতরে বিলিয়ে দিয়েছে প্রাণ। বাঙালি হিসেবে এটা যেমন গর্বের তেমনি যাদের জন্য এই অর্জন তাদের যথাযথ সম্মান জানানো আমাদের কর্তব্য। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষার জন্য বুকে বুলেট পেতে নিয়েছিলেন সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার, শফিকসহ আরো অনেকেই। তাদের মহান এ আত্মত্যাগকে স্মরণীয় করে রাখতে দেশের বিভিন্ন জায়গায় নির্মাণ করা হয়েছে বিভিন্ন স্মৃতিস্তম্ভ ও জাদুঘর। ভাষা শহীদদের স্মরণে যেসকল স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়েছে সেগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হলো ‘অমর একুশে’ ভাস্কর্য। ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি ধারণ করা এই ভাস্কর্যটি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রধান ফটক দিয়ে প্রবেশ করে একটু সামনে এগোলে

By মাহমুদুল হক সোহাগ on বুধবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১৮:৩৭

গলায় সুর যাই থাকুক, কণ্ঠে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’র সুর প্রথম ধারণ করে প্রথম গাওয়ার কথা এখনো স্পষ্ট মনে আছে। আজ থেকে ৪০ বছর আগের কথা। ১৯৭৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি প্রথমবারের মতো প্রভাতফেরিতে গিয়েছিলাম। প্রথম কণ্ঠে কণ্ঠ মিলিয়ে গেয়েছিলাম ‘আ. আ.. আ… আ. আ.. আ…’এখন ভাবলেও বিস্ময় জাগে যে জীবনের প্রথম সেই প্রভাতফেরি করে খোলা পায়ে আমাদের মতো শিশুরা শহীদ মিনারে যেতে পারেনি। কেনো পারেনি সেটা সালটা আরেকবার দেখলেই বোঝা যাবে। ময়মনসিংহের কলেজ রোডে আমরা ছিলাম শহীদ স্মৃতি অঙ্গনের কচিকাঁচা সদস্য। তখন বুঝিনি, পরে বুঝেছি যে ওই ক্লাবটির যারা সংগঠক ছিলেন সেই আলম ভাইরা বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর প্রতিবাদী কণ্ঠ হয়েছিলেন। জেনারেল জিয়াউর রহমানের পুলিশ তাই খুঁজছিলো তাদের। শহীদ স্মৃতি অ

গলায় সুর যাই থাকুক, কণ্ঠে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’র সুর প্রথম ধারণ করে প্রথম গাওয়ার কথা এখনো স্পষ্ট মনে আছে। আজ থেকে ৪০ বছর আগের কথা। ১৯৭৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি প্রথমবারের মতো প্রভাতফেরিতে গিয়েছিলাম। প্রথম কণ্ঠে কণ্ঠ মিলিয়ে গেয়েছিলাম ‘আ. আ.. আ… আ. আ.. আ…’এখন ভাবলেও বিস্ময় জাগে যে জীবনের প্রথম সেই প্রভাতফেরি করে খোলা পায়ে আমাদের মতো শিশুরা শহীদ মিনারে যেতে পারেনি। কেনো পারেনি সেটা সালটা আরেকবার দেখলেই বোঝা যাবে। ময়মনসিংহের কলেজ রোডে আমরা ছিলাম শহীদ স্মৃতি অঙ্গনের কচিকাঁচা সদস্য। তখন বুঝিনি, পরে বুঝেছি যে ওই ক্লাবটির যারা সংগঠক ছিলেন সেই আলম ভাইরা বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর প্রতিবাদী কণ্ঠ হয়েছিলেন। জেনারেল জিয়াউর রহমানের পুলিশ তাই খুঁজছিলো তাদের। শহীদ স্মৃতি অ

গলায় সুর যাই থাকুক, কণ্ঠে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’র সুর প্রথম ধারণ করে প্রথম গাওয়ার কথা এখনো স্পষ্ট মনে আছে। আজ থেকে ৪০ বছর আগের কথা। ১৯৭৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি প্রথমবারের মতো প্রভাতফেরিতে গিয়েছিলাম। প্রথম কণ্ঠে কণ্ঠ মিলিয়ে গেয়েছিলাম ‘আ. আ.. আ… আ. আ.. আ…’এখন ভাবলেও বিস্ময় জাগে যে জীবনের প্রথম সেই প্রভাতফেরি করে খোলা পায়ে আমাদের মতো শিশুরা শহীদ মিনারে যেতে পারেনি। কেনো পারেনি সেটা সালটা আরেকবার দেখলেই বোঝা যাবে। ময়মনসিংহের কলেজ রোডে আমরা ছিলাম শহীদ স্মৃতি অঙ্গনের কচিকাঁচা সদস্য। তখন বুঝিনি, পরে বুঝেছি যে ওই ক্লাবটির যারা সংগঠক ছিলেন সেই আলম ভাইরা বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর প্রতিবাদী কণ্ঠ হয়েছিলেন। জেনারেল জিয়াউর রহমানের পুলিশ তাই খুঁজছিলো তাদের। শহীদ স্মৃতি অ