অভিজিৎ হত্যা

নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের কথিত ‘বড় ভাই’র নির্দেশেই লেখক ও ব্লগার অভিজিৎ রায় হত্যায় অংশ নিয়েছিল সোহেল। পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্র্যান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) কাছে গ্রেফতার হওয়ার পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এমন তথ্যই জানান তিনি। রোববার রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর ইকবাল রোডে অভিযান চালিয়ে মো. আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব ওরফে সাজিদ ওরফে শাহাব (৩৪)কে গ্রেফতার করা হয়। ঢাকা মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার মাসুদুর রহমান (মিডিয়া) চ্যানেল আই অনলাইনকে জানান সোমবারই সোহেলকে রিমান্ড আবেদনের জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে। সিটিটিসি’র একটি সূত্র চ্যানেল আই অনলাইনকে নিশ্চিত জানিয়েছে, গ্রেফতার সোহেল ব্লগার অভিজিৎ হত্যার আসামি ও আনসার আল ইসলামের

By চ্যানেল আই অনলাইন on সোমবার, ০৬ নভেম্বর ২০১৭ ১৯:১৪

লেখক ও ব্লগার অভিজিৎ রায় হত্যার দু’বছর আজ। কিন্তু এখনো হত্যাকারীরা গ্রেফতার হয়নি। অভিজিৎ হত্যার বিচার এবং ধর্মান্ধতা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন প্রবাসী আইনজীবী ও অ্যাক্টিভিস্ট নিঝুম মজুমদার। স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, ‘অসংখ্য মানুষ। লোকে লোকারণ্য এক জনপদ। খানিকটা কোনাকুনি করে দাঁড়িয়ে আছে রাজু ভাষ্কর্য, তাদের মুষ্টিবদ্ধ হাত। আরও একটু গভীর করে তাকালেই চোখে পড়বে অসংখ্য আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্য। এদের কেউ কেউ গল্প করে, কেউ কেউ শূন্য দৃষ্টি নিয়ে তাকিয়ে থাকে সামনের দিকে, কেউ বা গোপনে বসে সিগেরেটে শেষ টান দেয়। আপনি আরও দেখবেন একটা হলুদ রঙের জলকামান আর তার থেকে আরও দূরত্বে বইমেলার প্রধান ফটক। এসব সব কিছু ছাপিয়ে যদি আপনার যাত্রাপথ পাবলিক লা

By চ্যানেল আই অনলাইন on রবিবার , ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১০:০৭

ডক্টর অভিজিৎ রায় হত্যার ঘটনায় সরাসরি জড়িত হিসেবে জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের ৭ জঙ্গিকে সনাক্ত করেছে গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি। কারাগারে থাকা অন্য  ৮ জঙ্গির ডিএনএ নমুনা পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্যে পাঠানো হচ্ছে সিআইডি ল্যাবে। গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছে উগ্রবাদী ব্লগার ফারাবীসহ ৮ জন। তাদের ডিএনএ নমুনা পরীক্ষা তদন্তে গতি আনবে বলে দাবী  করেছেন তদন্তকারীরা।হত্যাকাণ্ডের পর তদন্তে সহায়তা দিতে  ঢাকায় আসে মার্কিন তদন্ত সংস্থা এফবিআই। তাদের আগ্রহে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য এফবিআই ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো হয় হত্যাকাণ্ডের পর সংগ্রহ করা বিভিন্ন আলামত। মার্কিন ল্যাবের ওই রিপোর্ট হাতে না পাওয়ায় আটকে গেছে তদন্তের গতি। তবে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মোঃ মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, ওই রিপোর্ট ছাড়াই তদন্

By এনামূল কবীর রূপম on বৃহস্পতিবার, ৩১ মার্চ ২০১৬ ১৭:৩২

অধ্যাপক কবীর চৌধুরী প্রথিতযশা একাডেমিসিয়ান বুদ্ধিজীবী। একাধারে লেখক, নাট্য ব্যক্তিত্ব, সফল অনুবাদক এবং সাংস্কৃৃতিক ও সামাজিক সক্রিয় ব্যক্তিত্ব। তিনি জন্মে ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৯২৩ সালে ৯ ফেব্রুয়ারি তারিখে, যদিও তার পৈত্রিক বাসভূমি নোয়াখালি জেলায়। তার বাবা ছিলেন খানবাহাদুর আবদুল হালিম চৌধুরী, মায়ের নাম উম্মে কবীর আফিয়া চৌধুরী। তার স্ত্রী ছিলেন সুপরিচিত শিক্ষাবিদ ও সমাজকর্মী। ১৯৪৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যলয় থেকে ইংজেীতে বিএ (অনার্স) এবং পরের বছর এমএ ডিগ্রী নেন। দুটি পরীক্ষাতেই প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অধিকার করেছিলেন। ১৯৫৭-৫৮ সালে ফুলব্রাইট বৃত্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমেরিকান সাহিত্য নিয়ে পড়াশুনা করেন। এরপর ১৯৬৫ সালে সরকারী বৃত্তি নিয়ে সাউদার্ন বিশ

অধ্যাপক কবীর চৌধুরী প্রথিতযশা একাডেমিসিয়ান বুদ্ধিজীবী। একাধারে লেখক, নাট্য ব্যক্তিত্ব, সফল অনুবাদক এবং সাংস্কৃৃতিক ও সামাজিক সক্রিয় ব্যক্তিত্ব। তিনি জন্মে ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৯২৩ সালে ৯ ফেব্রুয়ারি তারিখে, যদিও তার পৈত্রিক বাসভূমি নোয়াখালি জেলায়। তার বাবা ছিলেন খানবাহাদুর আবদুল হালিম চৌধুরী, মায়ের নাম উম্মে কবীর আফিয়া চৌধুরী। তার স্ত্রী ছিলেন সুপরিচিত শিক্ষাবিদ ও সমাজকর্মী। ১৯৪৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যলয় থেকে ইংজেীতে বিএ (অনার্স) এবং পরের বছর এমএ ডিগ্রী নেন। দুটি পরীক্ষাতেই প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অধিকার করেছিলেন। ১৯৫৭-৫৮ সালে ফুলব্রাইট বৃত্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমেরিকান সাহিত্য নিয়ে পড়াশুনা করেন। এরপর ১৯৬৫ সালে সরকারী বৃত্তি নিয়ে সাউদার্ন বিশ